ঢাকা ১১:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

১০–২০ টাকা করে যাঁরা সঞ্চয় করেন, তাঁদের থেকেও কর নিতে চায় সরকার

দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ছোট অঙ্কের সঞ্চয়ের ওপর কর বসানোর উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। সাধারণত সমাজের নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে দিনে বা সপ্তাহে দশ থেকে বিশ টাকা করে ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের কাছে সঞ্চয় জমা রাখেন। কিন্তু এখন এই নামমাত্র সঞ্চয়ের ওপরও কর আদায় করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে বড় ধরনের উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের উপ-কর কমিশনারদের কার্যালয় থেকে এই কর আদায়ের জন্য নির্দিষ্ট কিছু ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানে চিঠি পাঠানো হচ্ছে। এই নির্দেশনার ফলে মাঠপর্যায়ে কর্মরত ক্ষুদ্র সঞ্চয়কারীরা এখন রাজস্ব প্রশাসনের আওতায় চলে আসার উপক্রম হয়েছে। অথচ এই অর্থ মূলত তাদের দৈনিক বা সাপ্তাহিক আয়ের অত্যন্ত সামান্য একটি অংশ থেকে বাঁচিয়ে রাখা হয়।

অর্থনীতিবিদ ও সমাজবিশ্লেষকরা এই উদ্যোগের তীব্র সমালোচনা করে বলছেন, এ ধরনের পদক্ষেপ নিম্নবিত্ত ও দরিদ্র মানুষের সঞ্চয় প্রবণতাকে মারাত্মকভাবে নিরুৎসাহিত করবে। যেখানে মূল্যস্ফীতির চাপে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা দিন দিন কঠিন হয়ে উঠছে, সেখানে ক্ষুদ্র সঞ্চয়ের ওপর করের বোঝা চাপানো কোনোভাবেই জনবান্ধব নীতি হতে পারে না।

সাধারণত করের আওতা বাড়ানোর জন্য বড় করদাতাদের দিকে নজর দেওয়ার কথা থাকলেও, প্রান্তিক মানুষের ক্ষুদ্র সঞ্চয়কে লক্ষ্যবস্তু করায় বিভিন্ন মহོল থেকে প্রশ্ন উঠেছে। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের এমন পদক্ষেপের ফলে ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে পরিচালিত সঞ্চয় কার্যক্রমে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

জনপ্রিয়

থাইল্যান্ডে দুই দিন ধরে আটকা বাংলাদেশ টেবিল টেনিস দল

১০–২০ টাকা করে যাঁরা সঞ্চয় করেন, তাঁদের থেকেও কর নিতে চায় সরকার

প্রকাশিত ১০:৩০:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ছোট অঙ্কের সঞ্চয়ের ওপর কর বসানোর উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। সাধারণত সমাজের নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে দিনে বা সপ্তাহে দশ থেকে বিশ টাকা করে ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের কাছে সঞ্চয় জমা রাখেন। কিন্তু এখন এই নামমাত্র সঞ্চয়ের ওপরও কর আদায় করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে বড় ধরনের উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের উপ-কর কমিশনারদের কার্যালয় থেকে এই কর আদায়ের জন্য নির্দিষ্ট কিছু ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানে চিঠি পাঠানো হচ্ছে। এই নির্দেশনার ফলে মাঠপর্যায়ে কর্মরত ক্ষুদ্র সঞ্চয়কারীরা এখন রাজস্ব প্রশাসনের আওতায় চলে আসার উপক্রম হয়েছে। অথচ এই অর্থ মূলত তাদের দৈনিক বা সাপ্তাহিক আয়ের অত্যন্ত সামান্য একটি অংশ থেকে বাঁচিয়ে রাখা হয়।

অর্থনীতিবিদ ও সমাজবিশ্লেষকরা এই উদ্যোগের তীব্র সমালোচনা করে বলছেন, এ ধরনের পদক্ষেপ নিম্নবিত্ত ও দরিদ্র মানুষের সঞ্চয় প্রবণতাকে মারাত্মকভাবে নিরুৎসাহিত করবে। যেখানে মূল্যস্ফীতির চাপে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা দিন দিন কঠিন হয়ে উঠছে, সেখানে ক্ষুদ্র সঞ্চয়ের ওপর করের বোঝা চাপানো কোনোভাবেই জনবান্ধব নীতি হতে পারে না।

সাধারণত করের আওতা বাড়ানোর জন্য বড় করদাতাদের দিকে নজর দেওয়ার কথা থাকলেও, প্রান্তিক মানুষের ক্ষুদ্র সঞ্চয়কে লক্ষ্যবস্তু করায় বিভিন্ন মহོল থেকে প্রশ্ন উঠেছে। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের এমন পদক্ষেপের ফলে ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে পরিচালিত সঞ্চয় কার্যক্রমে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।