ঢাকা ০৯:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ভিসা কার্ড থেকে স্মার্টফোন দিয়ে টাকা নিতে পারবেন বিক্রেতারা Logo ৯৯তম অস্কারে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে ‘রইদ’ Logo অতীতের প্রতিদিনের ঘটনা নিখুঁতভাবে মনে রাখা কি সত্যিই সম্ভব Logo পাকা কলা কি সত্যিই ক্যানসারের বিরুদ্ধে কাজ করতে পারে? গবেষণা কী বলছে Logo ডাক্তারি পড়াশোনা বদলে বিচারক হলেন শাওলিন Logo মাত্র ১৫ মিনিটের রক্তপরীক্ষায় জানা যাবে শিশুর জ্বরের আসল কারণ কী Logo স্কুলের শিক্ষক খুঁজে পেলেন বিরল টি–রেক্সের পায়ের ছাপ Logo কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে তিন দফায় আটক ১২৯৪ Logo গোপনে আবুধাবি সফর নেতানিয়াহুর, আমিরাতের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক Logo এরদোয়ানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য আইনি মামলা প্রস্তুতির নির্দেশ নেতানিয়াহুর

পাকা কলা কি সত্যিই ক্যানসারের বিরুদ্ধে কাজ করতে পারে? গবেষণা কী বলছে

দৈনন্দিন ডায়েটে কলা একটি অত্যন্ত পরিচিত ও পুষ্টিকর ফল। এটি কেবল শক্তির উৎসই নয়, বরং এর মধ্যে থাকা বিভিন্ন জৈবসক্রিয় উপাদান নানা রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে। সম্প্রতি চিকিৎসাবিজ্ঞান ও পুষ্টিবিজ্ঞানের গবেষকেরা পাকা কলার ভেতরে থাকা এসব বিশেষ উপাদানের কার্যকারিতা নিয়ে নতুন করে গবেষণা শুরু করেছেন। বিশেষ করে, কলার পুষ্টিগুণ মানবদেহে ক্যানসার কোষের বিস্তার রোধ করতে কতটা কার্যকর হতে পারে, তা নিয়ে চলছে নানা বিশ্লেষণ।

বিজ্ঞানীদের প্রাথমিক পরীক্ষাগারভিত্তিক গবেষণায় দেখা গেছে যে, কলার মধ্যে এমন কিছু নির্দিষ্ট প্রাকৃতিক যৌগ রয়েছে যা ক্যানসারের কোষের বৃদ্ধি মন্থর করতে সক্ষম। গবেষকদের মতে, এই যৌগগুলো কেবল ক্যানসার কোষের বিস্তারকেই থামায় না, বরং কোষের স্বাভাবিক ও নিয়ন্ত্রিত মৃত্যুর প্রক্রিয়া বা অ্যাপোপটোসিস সক্রিয় করতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে। মানবদেহে অস্বাভাবিক কোষ বিভাজন রোধ করার ক্ষেত্রে এই প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ হিসেবে বিবেচিত হয়।

তবে পরীক্ষাগারে কোষের ওপর এই ইতিবাচক প্রভাব দেখা গেলেও গবেষকেরা এখনই পাকা কলাকে সরাসরি ক্যানসারের মহৌষধ হিসেবে ঘোষণা করতে নারাজ। তাঁদের মতে, ল্যাবরেটরির কৃত্রিম পরিবেশ এবং মানবদেহের জটিল জৈবিক প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ ভিন্ন। তাই মানুষের শরীরে কলার এই উপাদানগুলো ঠিক কীভাবে কাজ করে এবং থেরাপিউটিক হিসেবে এর কার্যকারিতা কেমন, তা নিশ্চিত করতে আরও দীর্ঘমেয়াদী ও ব্যাপক臨床 গবেষণা প্রয়োজন।

পুষ্টিবিদদের মতে, চিকিৎসাবিজ্ঞানে এই ধরনের গবেষণা ক্যানসার চিকিৎসার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে। যদিও কেবল কলা খেয়ে ক্যানসার নিরাময় সম্ভব নয়, তবুও সুষম খাদ্যতালিকায় পাকা কলা রাখা সামগ্রিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে দারুণ কার্যকরী। স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন এবং সঠিক খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখার মাধ্যমে যেকোনো মারাত্মক রোগের ঝুঁকি অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

জনপ্রিয়

ভিসা কার্ড থেকে স্মার্টফোন দিয়ে টাকা নিতে পারবেন বিক্রেতারা

পাকা কলা কি সত্যিই ক্যানসারের বিরুদ্ধে কাজ করতে পারে? গবেষণা কী বলছে

প্রকাশিত ০৮:০০:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দৈনন্দিন ডায়েটে কলা একটি অত্যন্ত পরিচিত ও পুষ্টিকর ফল। এটি কেবল শক্তির উৎসই নয়, বরং এর মধ্যে থাকা বিভিন্ন জৈবসক্রিয় উপাদান নানা রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে। সম্প্রতি চিকিৎসাবিজ্ঞান ও পুষ্টিবিজ্ঞানের গবেষকেরা পাকা কলার ভেতরে থাকা এসব বিশেষ উপাদানের কার্যকারিতা নিয়ে নতুন করে গবেষণা শুরু করেছেন। বিশেষ করে, কলার পুষ্টিগুণ মানবদেহে ক্যানসার কোষের বিস্তার রোধ করতে কতটা কার্যকর হতে পারে, তা নিয়ে চলছে নানা বিশ্লেষণ।

বিজ্ঞানীদের প্রাথমিক পরীক্ষাগারভিত্তিক গবেষণায় দেখা গেছে যে, কলার মধ্যে এমন কিছু নির্দিষ্ট প্রাকৃতিক যৌগ রয়েছে যা ক্যানসারের কোষের বৃদ্ধি মন্থর করতে সক্ষম। গবেষকদের মতে, এই যৌগগুলো কেবল ক্যানসার কোষের বিস্তারকেই থামায় না, বরং কোষের স্বাভাবিক ও নিয়ন্ত্রিত মৃত্যুর প্রক্রিয়া বা অ্যাপোপটোসিস সক্রিয় করতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে। মানবদেহে অস্বাভাবিক কোষ বিভাজন রোধ করার ক্ষেত্রে এই প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ হিসেবে বিবেচিত হয়।

তবে পরীক্ষাগারে কোষের ওপর এই ইতিবাচক প্রভাব দেখা গেলেও গবেষকেরা এখনই পাকা কলাকে সরাসরি ক্যানসারের মহৌষধ হিসেবে ঘোষণা করতে নারাজ। তাঁদের মতে, ল্যাবরেটরির কৃত্রিম পরিবেশ এবং মানবদেহের জটিল জৈবিক প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ ভিন্ন। তাই মানুষের শরীরে কলার এই উপাদানগুলো ঠিক কীভাবে কাজ করে এবং থেরাপিউটিক হিসেবে এর কার্যকারিতা কেমন, তা নিশ্চিত করতে আরও দীর্ঘমেয়াদী ও ব্যাপক臨床 গবেষণা প্রয়োজন।

পুষ্টিবিদদের মতে, চিকিৎসাবিজ্ঞানে এই ধরনের গবেষণা ক্যানসার চিকিৎসার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে। যদিও কেবল কলা খেয়ে ক্যানসার নিরাময় সম্ভব নয়, তবুও সুষম খাদ্যতালিকায় পাকা কলা রাখা সামগ্রিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে দারুণ কার্যকরী। স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন এবং সঠিক খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখার মাধ্যমে যেকোনো মারাত্মক রোগের ঝুঁকি অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।