ঢাকা ০৭:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo রাবি হেলথ অ্যান্ড ফুড সেফটি অ্যাসোসিয়েশন-এর ২য় পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা  Logo বাকৃবি ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১০দিন ব্যাপি কুরআন শিক্ষা কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠিত Logo নোবিপ্রবিতে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের নিয়ে ছাত্রদল সভাপতির ইফতার Logo যবিপ্রবিতে ইকসাসের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo কুবি বিজ্ঞান অনুষদের উদ্যোগে ২৮ শিক্ষার্থীকে ডিনস অ্যাওয়ার্ড প্রদান Logo পাবিপ্রবি প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল ও দায়িত্ব হস্তান্তর Logo কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস ক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল Logo হাবিপ্রবিস্থ বৃহত্তর রাজশাহী ছাত্র কল্যাণ সমিতির ইফতার মাহফিল ও আহবায়ক কমিটি ঘোষণা Logo সৌদিয়া বাসের টিকেট পাওয়া যাচ্ছে বিডিটিকেটসে Logo রোজায় ত্বকের যত্ন: ফুড ও লাইফস্টাইলেই লুকিয়ে স্কিন গ্লো

ভারতের উচিৎ নতুন বাংলাদেশের বাস্তবতা উপলব্ধি করা: উপদেষ্টা মাহফুজ

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা মাহফুজ আলম বলেছেন, বাংলাদেশে জুলাই অভ্যুত্থান এবং গণতন্ত্রের জন্য এদেশে ছাত্র-জনতার সংগ্রামকে দ্ব্যর্থহীন চিত্তে ভারতের স্বীকৃতি দেয়া উচিত। এটি দিয়েই শুরু (নতুন সম্পর্কের) করতে হবে। জুলাই অভ্যুত্থানকে এড়িয়ে নতুন বাংলাদেশের ভিত (রচনা করা হলে) দুই দেশের সম্পর্কের জন্যই ক্ষতিকর হবে।

বুধবার (৪ ডিসেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের ভেরিফায়েড পেজে দেয়া মাহফুজ আলমের পোস্টটি তুলে ধরা হলো- বাংলাদেশের মানুষ আগের মতো নয়; তারা এখন ঐক্যবদ্ধ ও গৌরবান্বিত। তারা আমৃত্যু নিজেদের মর্যাদার জন্য লড়াই করবে।

এ বাংলায় ইন্দোফিলস (ভারতপ্রেমী) বা ভারতের মিত্ররা ভাবছেন, সবকিছু স্বাভাবিক হয়ে যাবে এবং জুলাই অভ্যুত্থান ও ফ্যাসিস্টের (ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা) নৃশংসতা এড়িয়ে গেলে তাদের কিছুই হবে না। এটি একটি ভুল ধারণা। জনগণ সবকিছু দেখছে!

ভারতীয় কর্তৃপক্ষ জুলাই অভ্যুত্থানকে জঙ্গি, হিন্দুবিরোধী ও ইসলামপন্থীদের ক্ষমতা গ্রহণের মতো কিছু একটা দেখানোর চেষ্টা করেছে। কিন্তু তাদের প্রোপাগান্ডা (অপপ্রচার) ও উসকানি ব্যর্থ হচ্ছে। প্রায় দীর্ঘ দুই দশক পর কোনো সংশয় ছাড়াই গণতান্ত্রিক অধিকার উপভোগ করছে বাংলাদেশের জনগণ! সত্য উদ্‌ঘাটিত হয়েছে মিথ্যা অপসারিত হবে। চিরতরে!

ভারতের পঁচাত্তর–পরবর্তী আখ্যান পরিবর্তন ও নতুন বাংলাদেশের বাস্তবতা উপলব্ধি করা উচিত। এটা পঁচাত্তর–পরবর্তী পরিস্থিতি নয়। জুলাই অভ্যুত্থান ছিল একটি গণতান্ত্রিক, প্রজন্মগত ও দায়িত্বশীল সংগ্রাম আর এ সংগ্রাম দীর্ঘদিন ধরে চলবে। দিল্লি না ঢাকা—ঢাকা, ঢাকা!

ভারতের ‘৭৫–পরবর্তী আখ্যান পাল্টানো ও নতুন বাংলাদেশের বাস্তবতা উপলব্ধি করা উচিত। এটা ‘৭৫–পরবর্তী পরিস্থিতি নয়। জুলাই অভ্যুত্থান ছিল একটি গণতান্ত্রিক, প্রজন্মগত ও দায়িত্বশীল সংগ্রাম আর এ সংগ্রাম দীর্ঘদিন ধরে চলবে। স্বদেশ না শাহাদাত!

বাংলাদেশকে একক অঙ্গের মতো ঐক্যবদ্ধ করতে এ দেশের প্রতিটি কোণে এসব স্লোগান প্রতিধ্বনিত হচ্ছে। এ ঐক্যবদ্ধ, মর্যাদাপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশকে তার শত্রু বানানো ভারতের উচিত হবে না। একাত্তর–পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্র হিসেবে আমরা ব্যর্থ হয়েছিলাম, কিন্তু এবার নয়! আল্লাহ ভরসা!

জনপ্রিয়

রাবি হেলথ অ্যান্ড ফুড সেফটি অ্যাসোসিয়েশন-এর ২য় পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা 

ভারতের উচিৎ নতুন বাংলাদেশের বাস্তবতা উপলব্ধি করা: উপদেষ্টা মাহফুজ

প্রকাশিত ১২:৪৬:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৪

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা মাহফুজ আলম বলেছেন, বাংলাদেশে জুলাই অভ্যুত্থান এবং গণতন্ত্রের জন্য এদেশে ছাত্র-জনতার সংগ্রামকে দ্ব্যর্থহীন চিত্তে ভারতের স্বীকৃতি দেয়া উচিত। এটি দিয়েই শুরু (নতুন সম্পর্কের) করতে হবে। জুলাই অভ্যুত্থানকে এড়িয়ে নতুন বাংলাদেশের ভিত (রচনা করা হলে) দুই দেশের সম্পর্কের জন্যই ক্ষতিকর হবে।

বুধবার (৪ ডিসেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের ভেরিফায়েড পেজে দেয়া মাহফুজ আলমের পোস্টটি তুলে ধরা হলো- বাংলাদেশের মানুষ আগের মতো নয়; তারা এখন ঐক্যবদ্ধ ও গৌরবান্বিত। তারা আমৃত্যু নিজেদের মর্যাদার জন্য লড়াই করবে।

এ বাংলায় ইন্দোফিলস (ভারতপ্রেমী) বা ভারতের মিত্ররা ভাবছেন, সবকিছু স্বাভাবিক হয়ে যাবে এবং জুলাই অভ্যুত্থান ও ফ্যাসিস্টের (ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা) নৃশংসতা এড়িয়ে গেলে তাদের কিছুই হবে না। এটি একটি ভুল ধারণা। জনগণ সবকিছু দেখছে!

ভারতীয় কর্তৃপক্ষ জুলাই অভ্যুত্থানকে জঙ্গি, হিন্দুবিরোধী ও ইসলামপন্থীদের ক্ষমতা গ্রহণের মতো কিছু একটা দেখানোর চেষ্টা করেছে। কিন্তু তাদের প্রোপাগান্ডা (অপপ্রচার) ও উসকানি ব্যর্থ হচ্ছে। প্রায় দীর্ঘ দুই দশক পর কোনো সংশয় ছাড়াই গণতান্ত্রিক অধিকার উপভোগ করছে বাংলাদেশের জনগণ! সত্য উদ্‌ঘাটিত হয়েছে মিথ্যা অপসারিত হবে। চিরতরে!

ভারতের পঁচাত্তর–পরবর্তী আখ্যান পরিবর্তন ও নতুন বাংলাদেশের বাস্তবতা উপলব্ধি করা উচিত। এটা পঁচাত্তর–পরবর্তী পরিস্থিতি নয়। জুলাই অভ্যুত্থান ছিল একটি গণতান্ত্রিক, প্রজন্মগত ও দায়িত্বশীল সংগ্রাম আর এ সংগ্রাম দীর্ঘদিন ধরে চলবে। দিল্লি না ঢাকা—ঢাকা, ঢাকা!

ভারতের ‘৭৫–পরবর্তী আখ্যান পাল্টানো ও নতুন বাংলাদেশের বাস্তবতা উপলব্ধি করা উচিত। এটা ‘৭৫–পরবর্তী পরিস্থিতি নয়। জুলাই অভ্যুত্থান ছিল একটি গণতান্ত্রিক, প্রজন্মগত ও দায়িত্বশীল সংগ্রাম আর এ সংগ্রাম দীর্ঘদিন ধরে চলবে। স্বদেশ না শাহাদাত!

বাংলাদেশকে একক অঙ্গের মতো ঐক্যবদ্ধ করতে এ দেশের প্রতিটি কোণে এসব স্লোগান প্রতিধ্বনিত হচ্ছে। এ ঐক্যবদ্ধ, মর্যাদাপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশকে তার শত্রু বানানো ভারতের উচিত হবে না। একাত্তর–পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্র হিসেবে আমরা ব্যর্থ হয়েছিলাম, কিন্তু এবার নয়! আল্লাহ ভরসা!