ঢাকা ০৮:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

চোরাচালানে ‘নতুন কৌশল’, ভায়াগ্রা জব্দ

অপরাধ ডেস্ক: জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে কোটি টাকার বেশি মূল্যের চোরাই পণ্য জব্দ করেছে। সম্প্রতি ঢাকা হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং কমলাপুর রেলওয়ে ফরেন পোস্ট অফিসে এই অভিযান পরিচালিত হয়। গোয়েন্দা সংস্থাটি জানিয়েছে, চোরাকারবারিরা সিন্ডিকেট চালাতে নতুন রুট ও অভিনব কৌশল ব্যবহার করছে। জব্দ করা এসব অবৈধ পণ্যের মোট আনুমানিক বাজারমূল্য ১ কোটি ১৩ লাখ ৪০ হাজার ১০০ টাকা।

অভিযানে আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের যাত্রীদের ব্যাগেজ ও পরিত্যক্ত কার্টন তল্লাশি করে ভায়াগ্রা ও ইনসুলিনসহ বিপুল পরিমাণ ওষুধ উদ্ধার করা হয়। এছাড়া অভিযানে আমদানি নিষিদ্ধ ত্বক ফর্সাকারী ক্রিম, বিদেশি সিগারেট, স্বর্ণালঙ্কার, ল্যাপটপ, ব্যবহৃত মোবাইল ফোন এবং মদ জব্দ করা হয়েছে। সম্প্রতি ইথিওপিয়া থেকে আসা এক বিমানযাত্রীর ব্যাগ থেকে প্রায় ৫৫ কেজি ওষুধ আটক করা হয়। অন্য একটি অভিযানে ব্যাংকক ও মাসকাট থেকে আসা যাত্রী ও কার্টন থেকে নিষিদ্ধ সিগারেট ও কসমেটিকস উদ্ধার করা হয়।

এর আগে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের ফরেন পোস্ট অফিসে অভিযান চালিয়ে হাজার হাজার আমদানি-নিষিদ্ধ ক্রিম ও ল্যাপটপ জব্দ করা হয়। কাস্টমস গোয়েন্দা বিভাগ জানায়, আকাশপথে অবৈধ পণ্যগুলো দেশে আনার পর বিমানবন্দরের ডাক বাছাই কেন্দ্র ও কমলাপুরের আরএমএস সেন্টার হয়ে চট্টগ্রাম জিপিওতে পাঠানোর পরিকল্পনা ছিল। এই নতুন রুট ও কৌশল গত দুদিনের অভিযানে ধরা পড়েছে।

সংস্থাটি জানিয়েছে, চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ভায়াগ্রার অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার এবং ইনসুলিনের মতো তাপমাত্রা-সংবেদনশীল ওষুধ কোল্ড চেইন না মেনে পরিবহন করা জনস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। চোরাচালান রোধে এবং এ ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের নতুন কৌশল উদঘাটনে গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।

জনপ্রিয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন ডেপুটি স্পিকার

চোরাচালানে ‘নতুন কৌশল’, ভায়াগ্রা জব্দ

প্রকাশিত ০১:২২:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

অপরাধ ডেস্ক: জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে কোটি টাকার বেশি মূল্যের চোরাই পণ্য জব্দ করেছে। সম্প্রতি ঢাকা হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং কমলাপুর রেলওয়ে ফরেন পোস্ট অফিসে এই অভিযান পরিচালিত হয়। গোয়েন্দা সংস্থাটি জানিয়েছে, চোরাকারবারিরা সিন্ডিকেট চালাতে নতুন রুট ও অভিনব কৌশল ব্যবহার করছে। জব্দ করা এসব অবৈধ পণ্যের মোট আনুমানিক বাজারমূল্য ১ কোটি ১৩ লাখ ৪০ হাজার ১০০ টাকা।

অভিযানে আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের যাত্রীদের ব্যাগেজ ও পরিত্যক্ত কার্টন তল্লাশি করে ভায়াগ্রা ও ইনসুলিনসহ বিপুল পরিমাণ ওষুধ উদ্ধার করা হয়। এছাড়া অভিযানে আমদানি নিষিদ্ধ ত্বক ফর্সাকারী ক্রিম, বিদেশি সিগারেট, স্বর্ণালঙ্কার, ল্যাপটপ, ব্যবহৃত মোবাইল ফোন এবং মদ জব্দ করা হয়েছে। সম্প্রতি ইথিওপিয়া থেকে আসা এক বিমানযাত্রীর ব্যাগ থেকে প্রায় ৫৫ কেজি ওষুধ আটক করা হয়। অন্য একটি অভিযানে ব্যাংকক ও মাসকাট থেকে আসা যাত্রী ও কার্টন থেকে নিষিদ্ধ সিগারেট ও কসমেটিকস উদ্ধার করা হয়।

এর আগে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের ফরেন পোস্ট অফিসে অভিযান চালিয়ে হাজার হাজার আমদানি-নিষিদ্ধ ক্রিম ও ল্যাপটপ জব্দ করা হয়। কাস্টমস গোয়েন্দা বিভাগ জানায়, আকাশপথে অবৈধ পণ্যগুলো দেশে আনার পর বিমানবন্দরের ডাক বাছাই কেন্দ্র ও কমলাপুরের আরএমএস সেন্টার হয়ে চট্টগ্রাম জিপিওতে পাঠানোর পরিকল্পনা ছিল। এই নতুন রুট ও কৌশল গত দুদিনের অভিযানে ধরা পড়েছে।

সংস্থাটি জানিয়েছে, চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ভায়াগ্রার অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার এবং ইনসুলিনের মতো তাপমাত্রা-সংবেদনশীল ওষুধ কোল্ড চেইন না মেনে পরিবহন করা জনস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। চোরাচালান রোধে এবং এ ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের নতুন কৌশল উদঘাটনে গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।