ঢাকা ০৮:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo স্কুলে ভর্তিতে বয়স নির্ধারণ, কোন শ্রেণিতে কত বছর হতে হবে Logo দুপুর ১২টার আগে ৩ কাজে মিলবে উদ্যম সারাদিনে Logo আরএমআইএলের বার্ষিক ব্যবসায়িক সম্মেলন Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ সমাজে ‘দৃষ্টান্ত স্থাপন করা’ তিন ব্যক্তির Logo খালুকে বাবা সাজিয়ে মুক্তিযোদ্ধা সনদে চাকরি, সিরাজগঞ্জে শিক্ষক বরখাস্ত Logo সিজিএসের আন্তর্জাতিক উপদেষ্টা পরিষদে পাঁচ বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব Logo এতগুলো বোয়িং কেনা হচ্ছে, এখন মার্কিন সহায়তা বাড়া উচিত: অর্থমন্ত্রী Logo আমানত ফেরত চেয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে পদ্মা ব্যাংক গ্রাহকদের মানববন্ধন Logo শিল্পকলায় সন্ধ্যায় দেখা যাবে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘রক্তকরবী’ Logo ক্যারিয়ার সেরা চারে শ্রেয়াস, ১৪৭ ধাপ এগিয়েছেন রেনশ

খালুকে বাবা সাজিয়ে মুক্তিযোদ্ধা সনদে চাকরি, সিরাজগঞ্জে শিক্ষক বরখাস্ত

অপরাধ ডেস্ক: মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি অর্জনের উদ্দেশ্যে নিজ খালুকে বাবা হিসেবে পরিচয় দিয়ে ভুয়া তথ্য প্রদানের অভিযোগ উঠেছে। এই গুরুতর অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় সিরাজগঞ্জে একজন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম আব্দুর রশিদ এবং তিনি সদর উপজেলার ছোট হামকুড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত ছিলেন।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাহাব উদ্দিন গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, আব্দুর রশিদের বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য দিয়ে চাকরি নেওয়ার বিষয়টি ইতোমধ্যে প্রমাণিত হয়েছে। প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলার আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি চলছে। তিনি কামারখন্দ উপজেলার দশসিকা গ্রামের রুস্তম আলীর সন্তান বলে জানা গেছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, বরখাস্ত হওয়া শিক্ষকের পাশাপাশি তার অপর এক ভাইও সেনাবাহিনীতে কর্মরত আছেন। তার বিরুদ্ধেও একইভাবে মুক্তিযোদ্ধা কোটার সুবিধা নেওয়ার গুঞ্জন রয়েছে, যদিও তার চাকরির বিষয়ে কোনো প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার তথ্য নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এদিকে মূল বীর মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের পক্ষ থেকেও এই অনিয়মের বিরুদ্ধে জোরালো অভিযোগ তোলা হয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষকের খালু ও বীর মুক্তিযোদ্ধা গাজী এস এম আবুল কাসেমের কন্যা আমেনা খাতুন অভিযোগ করেন যে, তার বাবার মুক্তিযোদ্ধা সনদ অবৈধভাবে ব্যবহার করে আত্মীয়স্বজনরা কোটার সুবিধা ভোগ করেছেন। তিনি এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত সম্পন্ন করে সব দায়ীর উপযুক্ত শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

সরকারি চাকরিতে কোটার অপব্যবহার রোধ এবং ভুয়া তথ্য দিয়ে সুবিধা নেওয়ার বিরুদ্ধে এই ধরনের প্রশাসনিক ব্যবস্থা বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। এই ঘটনা প্রমাণ করে যে জালিয়াতির মাধ্যমে সুযোগ নেওয়ার পথ ধীরে ধীরে বন্ধ হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের আশা, সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে এই অনিয়মের সঙ্গে জড়িত অন্যরাও আইনের আওতায় আসবে।

জনপ্রিয়

স্কুলে ভর্তিতে বয়স নির্ধারণ, কোন শ্রেণিতে কত বছর হতে হবে

খালুকে বাবা সাজিয়ে মুক্তিযোদ্ধা সনদে চাকরি, সিরাজগঞ্জে শিক্ষক বরখাস্ত

প্রকাশিত ০৬:৫২:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

অপরাধ ডেস্ক: মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি অর্জনের উদ্দেশ্যে নিজ খালুকে বাবা হিসেবে পরিচয় দিয়ে ভুয়া তথ্য প্রদানের অভিযোগ উঠেছে। এই গুরুতর অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় সিরাজগঞ্জে একজন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম আব্দুর রশিদ এবং তিনি সদর উপজেলার ছোট হামকুড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত ছিলেন।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাহাব উদ্দিন গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, আব্দুর রশিদের বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য দিয়ে চাকরি নেওয়ার বিষয়টি ইতোমধ্যে প্রমাণিত হয়েছে। প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলার আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি চলছে। তিনি কামারখন্দ উপজেলার দশসিকা গ্রামের রুস্তম আলীর সন্তান বলে জানা গেছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, বরখাস্ত হওয়া শিক্ষকের পাশাপাশি তার অপর এক ভাইও সেনাবাহিনীতে কর্মরত আছেন। তার বিরুদ্ধেও একইভাবে মুক্তিযোদ্ধা কোটার সুবিধা নেওয়ার গুঞ্জন রয়েছে, যদিও তার চাকরির বিষয়ে কোনো প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার তথ্য নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এদিকে মূল বীর মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের পক্ষ থেকেও এই অনিয়মের বিরুদ্ধে জোরালো অভিযোগ তোলা হয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষকের খালু ও বীর মুক্তিযোদ্ধা গাজী এস এম আবুল কাসেমের কন্যা আমেনা খাতুন অভিযোগ করেন যে, তার বাবার মুক্তিযোদ্ধা সনদ অবৈধভাবে ব্যবহার করে আত্মীয়স্বজনরা কোটার সুবিধা ভোগ করেছেন। তিনি এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত সম্পন্ন করে সব দায়ীর উপযুক্ত শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

সরকারি চাকরিতে কোটার অপব্যবহার রোধ এবং ভুয়া তথ্য দিয়ে সুবিধা নেওয়ার বিরুদ্ধে এই ধরনের প্রশাসনিক ব্যবস্থা বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। এই ঘটনা প্রমাণ করে যে জালিয়াতির মাধ্যমে সুযোগ নেওয়ার পথ ধীরে ধীরে বন্ধ হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের আশা, সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে এই অনিয়মের সঙ্গে জড়িত অন্যরাও আইনের আওতায় আসবে।