ঢাকা ০৯:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

সমুদ্রে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে কাজ করতে চায় সরকার: নৌমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক: দেশের সামুদ্রিক খাতের পূর্ণ সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে সরকারের সমন্বিত উদ্যোগের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে কাজ করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। রাজধানীর আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় আয়োজিত অষ্টম বিমক্স ২০২৬ প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই আগ্রহের কথা জানান নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি উল্লেখ করেন যে, শিপিং ও মেরিটাইম খাতের বিকাশ ঘটাতে সরকারি ও বেসরকারি খাতের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সম্মিলিত প্রয়াস অত্যন্ত জরুরি।

অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে মন্ত্রী জানান, বর্তমান নানা সীমাবদ্ধতা দূর করে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় দেশের সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যে কাজ করছে প্রশাসন। এ ধরনের আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী দেশের সামুদ্রিক শিল্পের প্রসার, আধুনিক প্রযুক্তির আদান-প্রদান এবং বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। সমুদ্র ও নৌপথের সম্পদের সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে জাতীয় অর্থনীতিকে আরও সমৃদ্ধ করা সম্ভব বলে তিনি মন্তব্য করেন।

তবে এই খাতের সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে হলে পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখার পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। নদী ও সমুদ্রের প্রাকৃতিক প্রাচুর্য দেশের বন্দর ব্যবস্থাপনা ও বাণিজ্যে বড় সুযোগ তৈরি করলেও এর সঠিক সদ্ব্যবহারের জন্য কার্যকর পরিকল্পনা প্রয়োজন। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে নেদারল্যান্ডস ও মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতসহ মেরিটাইম খাতের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

দেশের সমুদ্র অর্থনীতির বিকাশ সাধনে চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বাড়ানোসহ মাতারবাড়িতে গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া পায়রা সমুদ্রবন্দরকে আরও বেশি কার্যকর করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মানের বন্দর ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে বৈশ্বিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর চেষ্টা চলছে। এসব নানামুখী পদক্ষেপ বাংলাদেশের বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং আন্তর্জাতিক সরবরাহ ব্যবস্থায় দেশের অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।

জনপ্রিয়

নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, ভ্রমণের জন্য উন্মুক্ত সাজেক

সমুদ্রে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে কাজ করতে চায় সরকার: নৌমন্ত্রী

প্রকাশিত ০৭:০৭:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: দেশের সামুদ্রিক খাতের পূর্ণ সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে সরকারের সমন্বিত উদ্যোগের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে কাজ করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। রাজধানীর আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় আয়োজিত অষ্টম বিমক্স ২০২৬ প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই আগ্রহের কথা জানান নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি উল্লেখ করেন যে, শিপিং ও মেরিটাইম খাতের বিকাশ ঘটাতে সরকারি ও বেসরকারি খাতের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সম্মিলিত প্রয়াস অত্যন্ত জরুরি।

অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে মন্ত্রী জানান, বর্তমান নানা সীমাবদ্ধতা দূর করে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় দেশের সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যে কাজ করছে প্রশাসন। এ ধরনের আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী দেশের সামুদ্রিক শিল্পের প্রসার, আধুনিক প্রযুক্তির আদান-প্রদান এবং বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। সমুদ্র ও নৌপথের সম্পদের সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে জাতীয় অর্থনীতিকে আরও সমৃদ্ধ করা সম্ভব বলে তিনি মন্তব্য করেন।

তবে এই খাতের সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে হলে পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখার পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। নদী ও সমুদ্রের প্রাকৃতিক প্রাচুর্য দেশের বন্দর ব্যবস্থাপনা ও বাণিজ্যে বড় সুযোগ তৈরি করলেও এর সঠিক সদ্ব্যবহারের জন্য কার্যকর পরিকল্পনা প্রয়োজন। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে নেদারল্যান্ডস ও মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতসহ মেরিটাইম খাতের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

দেশের সমুদ্র অর্থনীতির বিকাশ সাধনে চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বাড়ানোসহ মাতারবাড়িতে গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া পায়রা সমুদ্রবন্দরকে আরও বেশি কার্যকর করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মানের বন্দর ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে বৈশ্বিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর চেষ্টা চলছে। এসব নানামুখী পদক্ষেপ বাংলাদেশের বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং আন্তর্জাতিক সরবরাহ ব্যবস্থায় দেশের অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।