লাইফস্টাইল ডেস্ক: দুর্গাপূজার এই উৎসবের দিনগুলোতে অনেকেই ভারী মেকআপের সাহায্যে ত্বকের বিভিন্ন ত্রুটি ঢাকার চেষ্টা করে থাকেন। তবে কৃত্রিম প্রসাধন ব্যবহার না করেই যদি ত্বক প্রাকৃতিকভাবে ভেতর থেকে উজ্জ্বল ও সতেজ হয়ে ওঠে, তবে তা আরও আকর্ষণীয় লাগে। একটু সচেতন হলে এবং নিয়মিত কিছু যত্ন নিলে ভারী মেকআপ ছাড়াই পূজায় নিখুঁত ও জেল্লাদার ত্বক পাওয়া সম্ভব। সঠিক রুটিন মেনে চললে কম পরিশ্রমে এবং অল্প সময়েই চমৎকার ফলাফল লাভ করা যায়।
ত্বকের যত্নের ক্ষেত্রে ক্লিনজিং, টোনিং এবং ময়শ্চারাইজিং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু ধাপ হিসেবে বিবেচিত হয়। দিনে অন্তত দুইবার মৃদু ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে নেওয়ার পর অ্যালকোহলমুক্ত টোনার ব্যবহার করতে হবে, যা ত্বকের পিএইচ ভারসাম্য রক্ষা করে। এরপর ত্বকের ধরন অনুযায়ী ভালো মানের ময়শ্চারাইজার লাগালে খসখসে ভাব সহজেই দূর হয়। এছাড়া রাসায়নিক প্রসাধনীর বদলে প্রাকৃতিক উপাদান যেমন—বেসন, টক দই, হলুদ, মধু ও মুলতানি মাটি দিয়ে তৈরি প্যাক ব্যবহার করা বেশি নিরাপদ।
মুখে জমে থাকা মৃত কোষ দূর করতে সপ্তাহে এক বা দুবার ত্বক স্ক্রাব করা দরকার, যা ত্বকের রক্তসঞ্চালন বাড়িয়ে তাৎক্ষণিক উজ্জ্বলতা আনে। চালের গুঁড়া ও মধু কিংবা কফি পাউডার ও নারকেল তেলের মিশ্রণ এই কাজে দারুণ কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। তবে বাহ্যিক যত্নের পাশাপাশি ভেতর থেকে ত্বক উজ্জ্বল রাখতে পর্যাপ্ত পানি পান করার কোনো বিকল্প নেই। প্রতিদিন আট থেকে দশ গ্লাস পানি পানের পাশাপাশি ডাবের পানি ও মৌসুমি ফলের রস খেলে শরীর থেকে ক্ষতিকর টক্সিন দূর হয়।
উৎসবের এই সময়ে অতিরিক্ত তেল-মসলাযুক্ত খাবার এড়িয়ে ডায়েটে সবুজ শাকসবজি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমৃদ্ধ খাবার রাখা উচিত। পাশাপাশি প্রতিদিন অন্তত সাত থেকে আট ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন ঘুমানো ত্বকের সুস্থতার জন্য অত্যন্ত জরুরি। ঘরের বাইরে যাওয়ার আগে অবশ্যই এসপিএফ ৩০ বা তার বেশি মানের সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে, যা ত্বককে ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি থেকে সুরক্ষা দেয়। সঠিক নিয়ম মেনে এই ছোট অভ্যাসগুলো গড়ে তুললে মেকআপ ছাড়াই দারুণ ঝলমলে লুক পাওয়া সম্ভব।







































