ঢাকা ০৫:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

গালে ক্রিম না পাউডার ব্লাশ?

লাইফস্টাইল ডেস্ক: মেকআপে ব্লাশের ব্যবহার কেবল গালে গোলাপি বা পিচ রং যোগ করার মাধ্যম নয়, বরং এটি চেহারায় সতেজতা ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে। একই রঙের ব্লাশ ব্যবহারের পরেও মুখের গঠনে ভিন্নতা দেখা দিতে পারে, যার পেছনে কাজ করে প্রসাধনীর ধরন ও প্রয়োগের কৌশল। রূপবিশেষজ্ঞ শারমিন কচির মতে, ত্বকের প্রকৃতি এবং কাঙ্ক্ষিত উজ্জ্বলতা যাচাই করেই সঠিক ব্লাশ নির্বাচন করা উচিত।

ক্রিম ব্লাশ ত্বকের সঙ্গে মিশে গিয়ে এক ধরনের কোমল ও আর্দ্র আভা তৈরি করতে সক্ষম, যা দেখতে বেশ প্রাকৃতিক লাগে। বিশেষ করে শুষ্ক ত্বকের অধিকারীদের জন্য এই ধরনের ব্লাশ বেশ আরামদায়ক হতে পারে, কারণ এতে ত্বক মসৃণ রাখার উপাদান থাকে। তবে তৈলাক্ত বা ব্রণপ্রবণ ত্বকের ক্ষেত্রে ক্রিম ব্লাশ ব্যবহারে কিছুটা সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন।

অন্যদিকে পাউডার ব্লাশ সাধারণত গুঁড়ার মতো নরম গঠনের হয়ে থাকে এবং এটি মেকআপে ম্যাট ভাব আনতে সাহায্য করে। তৈলাক্ত ত্বকের জন্য পাউডার ব্লাশ বেশ সুবিধাজনক হলেও শুষ্ক ত্বকে এটি ব্যবহারের আগে ত্বক ময়েশ্চারাইজার দিয়ে প্রস্তুত করে নেওয়া জরুরি। তাছাড়া মিশ্র প্রকৃতির ত্বকে মুখের বিভিন্ন অংশের অবস্থা বুঝে ক্রিম বা পাউডার ব্লাশ আলাদাভাবে ব্যবহার করা যেতে পারে।

দিনের সাধারণ সাজে হালকা রঙের ক্রিম ব্লাশ মুখকে সতেজ রাখে এবং সন্ধ্যার অনুষ্ঠানে একটু স্পষ্ট রঙের পাউডার ব্লাশ মানিয়ে যায়। তবে ব্লাশের রং বাছাইয়ের ক্ষেত্রে পোশাক, ঠোঁটের মেকআপ এবং নিজের পছন্দকেও প্রাধান্য দেওয়া উচিত। নতুন কোনো প্রসাধনী ব্যবহারের আগে উপাদানের তালিকা দেখে নেওয়া এবং সংবেদনশীল ত্বকে তা পরীক্ষা করে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।

জনপ্রিয়

হুতি কারা, কী চায় তারা?

গালে ক্রিম না পাউডার ব্লাশ?

প্রকাশিত ০৪:৫২:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

লাইফস্টাইল ডেস্ক: মেকআপে ব্লাশের ব্যবহার কেবল গালে গোলাপি বা পিচ রং যোগ করার মাধ্যম নয়, বরং এটি চেহারায় সতেজতা ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে। একই রঙের ব্লাশ ব্যবহারের পরেও মুখের গঠনে ভিন্নতা দেখা দিতে পারে, যার পেছনে কাজ করে প্রসাধনীর ধরন ও প্রয়োগের কৌশল। রূপবিশেষজ্ঞ শারমিন কচির মতে, ত্বকের প্রকৃতি এবং কাঙ্ক্ষিত উজ্জ্বলতা যাচাই করেই সঠিক ব্লাশ নির্বাচন করা উচিত।

ক্রিম ব্লাশ ত্বকের সঙ্গে মিশে গিয়ে এক ধরনের কোমল ও আর্দ্র আভা তৈরি করতে সক্ষম, যা দেখতে বেশ প্রাকৃতিক লাগে। বিশেষ করে শুষ্ক ত্বকের অধিকারীদের জন্য এই ধরনের ব্লাশ বেশ আরামদায়ক হতে পারে, কারণ এতে ত্বক মসৃণ রাখার উপাদান থাকে। তবে তৈলাক্ত বা ব্রণপ্রবণ ত্বকের ক্ষেত্রে ক্রিম ব্লাশ ব্যবহারে কিছুটা সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন।

অন্যদিকে পাউডার ব্লাশ সাধারণত গুঁড়ার মতো নরম গঠনের হয়ে থাকে এবং এটি মেকআপে ম্যাট ভাব আনতে সাহায্য করে। তৈলাক্ত ত্বকের জন্য পাউডার ব্লাশ বেশ সুবিধাজনক হলেও শুষ্ক ত্বকে এটি ব্যবহারের আগে ত্বক ময়েশ্চারাইজার দিয়ে প্রস্তুত করে নেওয়া জরুরি। তাছাড়া মিশ্র প্রকৃতির ত্বকে মুখের বিভিন্ন অংশের অবস্থা বুঝে ক্রিম বা পাউডার ব্লাশ আলাদাভাবে ব্যবহার করা যেতে পারে।

দিনের সাধারণ সাজে হালকা রঙের ক্রিম ব্লাশ মুখকে সতেজ রাখে এবং সন্ধ্যার অনুষ্ঠানে একটু স্পষ্ট রঙের পাউডার ব্লাশ মানিয়ে যায়। তবে ব্লাশের রং বাছাইয়ের ক্ষেত্রে পোশাক, ঠোঁটের মেকআপ এবং নিজের পছন্দকেও প্রাধান্য দেওয়া উচিত। নতুন কোনো প্রসাধনী ব্যবহারের আগে উপাদানের তালিকা দেখে নেওয়া এবং সংবেদনশীল ত্বকে তা পরীক্ষা করে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।