ঢাকা ০২:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo মেসি-পরবর্তী যুগে আর্জেন্টিনার দুই ম্যাচের প্রতিপক্ষ চূড়ান্ত Logo বনানীতে সৃষ্টির রূপকথায় সেজেছে ‘জলজ’ Logo প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বার্তা: ‘নিশ্চিন্তে দুর্গাপূজা উদযাপন করুন’ Logo প্রতিদ্বন্দ্বী তুরস্কের বাজারেও আশা জাগাচ্ছে বাংলাদেশের পোশাক Logo চুয়েট: অনলাইনে সিন্ডিকেট সভা করলেন উপাচার্য, ১৫ সদস্যের নয় জনই অনুপস্থিত Logo আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ৩ লাখের বেশি সদস্য মণ্ডপের নিরাপত্তায়: আইজিপি Logo ডেঙ্গু ঝুঁকির আগাম সংকেত দেবে ঢাবি গবেষকদের ‘স্মার্ট ফাঁদ’ Logo ‘হাসিনা সরকারের পথেই বর্তমান সরকার হাঁটছে’ Logo নাসরীন জাহানের ‘ফিনিক্স তোমাকে মায়াবাসী’ বইয়ের প্রচ্ছদ উন্মোচন Logo দুর্গাপূজায় সম্প্রীতির বার্তা রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর

প্রতিদ্বন্দ্বী তুরস্কের বাজারেও আশা জাগাচ্ছে বাংলাদেশের পোশাক

অর্থনীতি ডেস্ক: ইউরোপের পোশাক খাতে প্রতিযোগিতাপূর্ণ দেশ হিসেবে পরিচিত তুরস্কে নতুন করে বাড়ছে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের রপ্তানি। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর হিসাব অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে অর্থাৎ জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর সময়ে তুরস্কে তৈরি পোশাক রপ্তানি করে ১৪ কোটি ৬৬ লাখ ডলার আয় হয়েছে। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এই আয় ছিল ৬ কোটি ৫৭ লাখ ডলার, যা এককভাবে ১২৩ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি নির্দেশ করে। সামগ্রিকভাবে তুরস্কে বাংলাদেশের সব ধরনের পণ্য রপ্তানিও এই সময়ে দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

একসময়ে শুল্ক সুবিধার সুবাদে তুরস্ক বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানির অন্যতম প্রধান বাজার হিসেবে পরিচিত ছিল। পরবর্তীতে শুল্কনীতির পরিবর্তনের কারণে দেশটিতে রপ্তানি বড় ধরনের ধাক্কা খায় এবং ২০১৩-১৪ অর্থবছরের সর্বোচ্চ অবস্থান থেকে তা ক্রমাগত হ্রাস পায়। গত অর্থবছরে সামগ্রিক পণ্য রপ্তানি ৫৯ কোটি ডলারে নেমে আসলেও সাম্প্রতিক মাসগুলোর তথ্য নতুন আশার সঞ্চার করেছে। মূলত এই উল্লম্ফন প্রমাণ করে যে দেশটির বাজারে বাণিজ্য সম্প্রসারণের এখনও যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে।

বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাহী সভাপতি ফজলে শামীম এহসান জানান, তুরস্কে জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধির ফলে শ্রমিকরা স্থানীয় পোশাক উৎপাদন থেকে সরে আসছেন। এর ফলে সেখানে যে অভ্যন্তরীণ ঘাটতির সৃষ্টি হয়েছে, তা পূরণে বিদেশি পোশাকের চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাংলাদেশের উৎপাদন সক্ষমতা, পণ্যের মান এবং সময়মতো সরবরাহের মাধ্যমে এই সুযোগ পুরোপুরি কাজে লাগানো সম্ভব।

বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদার করতে সম্প্রতি বিজিএমইএ নেতাদের সঙ্গে তুরস্কের রাষ্ট্রদূতের বৈঠকে কৌশলগত অংশীদারত্ব নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সেখানে কৃত্রিম তন্তু ও কারিগরি বস্ত্র খাতে যৌথ বিনিয়োগ এবং দ্রুত পণ্য পরিবহনের বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, সরকার ও বেসরকারি খাতের সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত থাকলে চলতি অর্থবছরেই তুরস্কে মোট রপ্তানি একশ কোটি ডলারে উন্নীত করা সম্ভব।

জনপ্রিয়

মেসি-পরবর্তী যুগে আর্জেন্টিনার দুই ম্যাচের প্রতিপক্ষ চূড়ান্ত

প্রতিদ্বন্দ্বী তুরস্কের বাজারেও আশা জাগাচ্ছে বাংলাদেশের পোশাক

প্রকাশিত ০১:৫২:২৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

অর্থনীতি ডেস্ক: ইউরোপের পোশাক খাতে প্রতিযোগিতাপূর্ণ দেশ হিসেবে পরিচিত তুরস্কে নতুন করে বাড়ছে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের রপ্তানি। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর হিসাব অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে অর্থাৎ জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর সময়ে তুরস্কে তৈরি পোশাক রপ্তানি করে ১৪ কোটি ৬৬ লাখ ডলার আয় হয়েছে। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এই আয় ছিল ৬ কোটি ৫৭ লাখ ডলার, যা এককভাবে ১২৩ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি নির্দেশ করে। সামগ্রিকভাবে তুরস্কে বাংলাদেশের সব ধরনের পণ্য রপ্তানিও এই সময়ে দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

একসময়ে শুল্ক সুবিধার সুবাদে তুরস্ক বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানির অন্যতম প্রধান বাজার হিসেবে পরিচিত ছিল। পরবর্তীতে শুল্কনীতির পরিবর্তনের কারণে দেশটিতে রপ্তানি বড় ধরনের ধাক্কা খায় এবং ২০১৩-১৪ অর্থবছরের সর্বোচ্চ অবস্থান থেকে তা ক্রমাগত হ্রাস পায়। গত অর্থবছরে সামগ্রিক পণ্য রপ্তানি ৫৯ কোটি ডলারে নেমে আসলেও সাম্প্রতিক মাসগুলোর তথ্য নতুন আশার সঞ্চার করেছে। মূলত এই উল্লম্ফন প্রমাণ করে যে দেশটির বাজারে বাণিজ্য সম্প্রসারণের এখনও যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে।

বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাহী সভাপতি ফজলে শামীম এহসান জানান, তুরস্কে জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধির ফলে শ্রমিকরা স্থানীয় পোশাক উৎপাদন থেকে সরে আসছেন। এর ফলে সেখানে যে অভ্যন্তরীণ ঘাটতির সৃষ্টি হয়েছে, তা পূরণে বিদেশি পোশাকের চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাংলাদেশের উৎপাদন সক্ষমতা, পণ্যের মান এবং সময়মতো সরবরাহের মাধ্যমে এই সুযোগ পুরোপুরি কাজে লাগানো সম্ভব।

বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদার করতে সম্প্রতি বিজিএমইএ নেতাদের সঙ্গে তুরস্কের রাষ্ট্রদূতের বৈঠকে কৌশলগত অংশীদারত্ব নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সেখানে কৃত্রিম তন্তু ও কারিগরি বস্ত্র খাতে যৌথ বিনিয়োগ এবং দ্রুত পণ্য পরিবহনের বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, সরকার ও বেসরকারি খাতের সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত থাকলে চলতি অর্থবছরেই তুরস্কে মোট রপ্তানি একশ কোটি ডলারে উন্নীত করা সম্ভব।