ঢাকা ০১:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ডেঙ্গু ঝুঁকির আগাম সংকেত দেবে ঢাবি গবেষকদের ‘স্মার্ট ফাঁদ’ Logo ‘হাসিনা সরকারের পথেই বর্তমান সরকার হাঁটছে’ Logo নাসরীন জাহানের ‘ফিনিক্স তোমাকে মায়াবাসী’ বইয়ের প্রচ্ছদ উন্মোচন Logo দুর্গাপূজায় সম্প্রীতির বার্তা রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর Logo চুয়েটে আন্দোলনের মধ্যেই সিন্ডিকেট সভা, সিদ্ধান্ত নিয়ে ধোঁয়াশা Logo ‘আপনাদের কারও ভোটব্যাংক হওয়ার প্রয়োজন নেই’ Logo জার্মান বিমানবন্দরে যাত্রীর স্যুটকেসে মিলল ৯২ বিষাক্ত সাপ ও গিরগিটি Logo বাপাজসের কোষাধ্যক্ষ হলেন পাবিপ্রবির জনসংযোগ কর্মকর্তা বাবুল হোসেন Logo নোবিপ্রবি শিক্ষার্থীর পরিবারের পাশে থাকার আহ্বান Logo দেশ চলছে ‘ফরেন ফ্রেন্ডস ক্লাবের শাসনে’: হাসনাত

যুব উন্নয়নের প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় এনবিআর-মন্ত্রণালয়ের কর্মীসহ গ্রেপ্তার ৭

অপরাধ ডেস্ক: যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় সরকারি চাকুরিজীবীসহ মোট সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি। সংস্থাটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, সম্প্রতি আয়োজিত একটি নির্দিষ্ট নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র অবৈধ উপায়ে ছড়িয়ে পড়ার সত্যতা পাওয়ার পর এই অভিযান চালানো হয়। গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিদের মধ্যে চারজন বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের গুরুত্বপূর্ণ পদে কর্মরত রয়েছেন। প্রাথমিক তদন্তে এই চক্রের কার্যক্রম সম্পর্কে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।

এসআরবির সংবাদ সম্মেলনে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের অফিস সহায়ক নূর মোহাম্মদ ও কম্পিউটার অপারেটর জাহাঙ্গীর রয়েছেন। এছাড়া প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অফিস সহায়ক আসাদ এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের ডেটা এন্ট্রি অপারেটর রুবেলও এই চক্রের সঙ্গে জড়িত বলে জানা গেছে। বাকি গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিরা হলেন বেসরকারি চাকরিজীবী এস এম ইমদাদুল ইসলাম এমদাদ, মফিজুর ওরফে রাফি এবং হাসিনুর রহমান সুজন।

তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে, গত ১০ অক্টোবর ভোরের দিকে এনবিআরের কর্মী নূর মোহাম্মদের হাতে এই পরীক্ষার প্রশ্নপত্র এসে পৌঁছায়। পরবর্তী সময়ে তিনি অত্যন্ত সুকৌশলে চক্রের বাকি সদস্যদের মাঝে সেই প্রশ্নপত্র ছড়িয়ে দেন। মূলত পরীক্ষা শুরু হওয়ার পূর্বেই অন্য এক ব্যক্তির কাছ থেকে তারা এই প্রশ্নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন বলে নিশ্চিত করেছে এসআরবি। গত ১০ অক্টোবর যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা কর্মকর্তা পদের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও ফাঁস হওয়ার কারণে তা শেষ পর্যন্ত স্থগিত করা হয়।

এসআরবির ভাষ্যমতে, এই চক্রের সদস্যরা বিগত পাঁচ বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে জড়িত রয়েছে। চক্রটি মূলত প্রশ্নফাঁস প্রক্রিয়ার দ্বিতীয় ধাপে সক্রিয়ভাবে কাজ করে আসছিল বলে অনুসন্ধানে জানা গেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এই অপরাধের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত মূল হোতাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মীদের প্রশ্নফাঁসের মতো অপরাধে জড়িয়ে পড়া রোধে প্রশাসনিক নজরদারি বাড়ানোর তাগিদ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

জনপ্রিয়

ডেঙ্গু ঝুঁকির আগাম সংকেত দেবে ঢাবি গবেষকদের ‘স্মার্ট ফাঁদ’

যুব উন্নয়নের প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় এনবিআর-মন্ত্রণালয়ের কর্মীসহ গ্রেপ্তার ৭

প্রকাশিত ১০:৫২:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬

অপরাধ ডেস্ক: যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় সরকারি চাকুরিজীবীসহ মোট সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি। সংস্থাটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, সম্প্রতি আয়োজিত একটি নির্দিষ্ট নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র অবৈধ উপায়ে ছড়িয়ে পড়ার সত্যতা পাওয়ার পর এই অভিযান চালানো হয়। গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিদের মধ্যে চারজন বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের গুরুত্বপূর্ণ পদে কর্মরত রয়েছেন। প্রাথমিক তদন্তে এই চক্রের কার্যক্রম সম্পর্কে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।

এসআরবির সংবাদ সম্মেলনে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের অফিস সহায়ক নূর মোহাম্মদ ও কম্পিউটার অপারেটর জাহাঙ্গীর রয়েছেন। এছাড়া প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অফিস সহায়ক আসাদ এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের ডেটা এন্ট্রি অপারেটর রুবেলও এই চক্রের সঙ্গে জড়িত বলে জানা গেছে। বাকি গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিরা হলেন বেসরকারি চাকরিজীবী এস এম ইমদাদুল ইসলাম এমদাদ, মফিজুর ওরফে রাফি এবং হাসিনুর রহমান সুজন।

তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে, গত ১০ অক্টোবর ভোরের দিকে এনবিআরের কর্মী নূর মোহাম্মদের হাতে এই পরীক্ষার প্রশ্নপত্র এসে পৌঁছায়। পরবর্তী সময়ে তিনি অত্যন্ত সুকৌশলে চক্রের বাকি সদস্যদের মাঝে সেই প্রশ্নপত্র ছড়িয়ে দেন। মূলত পরীক্ষা শুরু হওয়ার পূর্বেই অন্য এক ব্যক্তির কাছ থেকে তারা এই প্রশ্নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন বলে নিশ্চিত করেছে এসআরবি। গত ১০ অক্টোবর যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা কর্মকর্তা পদের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও ফাঁস হওয়ার কারণে তা শেষ পর্যন্ত স্থগিত করা হয়।

এসআরবির ভাষ্যমতে, এই চক্রের সদস্যরা বিগত পাঁচ বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে জড়িত রয়েছে। চক্রটি মূলত প্রশ্নফাঁস প্রক্রিয়ার দ্বিতীয় ধাপে সক্রিয়ভাবে কাজ করে আসছিল বলে অনুসন্ধানে জানা গেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এই অপরাধের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত মূল হোতাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মীদের প্রশ্নফাঁসের মতো অপরাধে জড়িয়ে পড়া রোধে প্রশাসনিক নজরদারি বাড়ানোর তাগিদ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।