ঢাকা ১০:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে ৪১০টি অপতথ্য ছড়ানো হয়েছে; প্রেস সচিব Logo কোনো সম্প্রদায়কে ভোট ব্যাংক হিসেবে বিবেচনা উচিত নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo শেরপুর সদর হাসপাতালে ডেঙ্গু-হামের রোগীর ঢল Logo ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাবার অধিকার সবার Logo জুলাই সনদ বাস্তবায়নের সম্ভাবনা দৃশ‍্যত ‘জিম্মিদশায় আবদ্ধ’: টিআইবি Logo শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান সাজ্জাতুজ জুম্মা গ্রেপ্তার Logo ডেঙ্গুবিরোধী অভিযান: জরিমানার অর্থ মৃতদের পরিবারকে দেওয়ার প্রস্তাব দেবেন ডিএসসিসি প্রশাসক Logo প্রতিটি নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা-সমঅধিকার নিশ্চিতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ Logo খাদ্যের পরিমাণ বাড়ানোই যথেষ্ট নয়, গুণগত মান নিশ্চিত করতে হবে Logo পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় জনসংযোগ সমিতির সভাপতি মহিউদ্দিন, সম্পাদক শিবলী

শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান সাজ্জাতুজ জুম্মা গ্রেপ্তার

অপরাধ ডেস্ক: ঋণখেলাপি সংক্রান্ত একটি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান সাজ্জাতুজ জুম্মাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গুলশান থানা পুলিশের একটি দল সম্প্রতি রাজধানীর গুলশানের একটি রেস্তোরাঁ থেকে তাকে আটক করে। আদালতের জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতে পুলিশ এই অভিযান পরিচালনা করে। আটকের পরপরই তাকে যথাযথ প্রক্রিয়ায় আদালতে সোপর্দ করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সাজ্জাতুজ জুম্মা ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের দিলকুশা শাখার একজন বিনিয়োগ গ্রাহক ছিলেন। ব্যাংক থেকে নেওয়া ঋণ পরিশোধ না করায় ২০১৪ সালের এপ্রিল মাসে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালত এই মামলায় তাকে এক বছরের কারাদণ্ড এবং তিন কোটি টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করে। ঋণখেলাপি হওয়ার কারণে তাকে ইতিপূর্বে শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ থেকেও অপসারণ করা হয়েছিল।

গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জায়েদ মো. নাজমুন নুর গণমাধ্যমকে এই আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান যে সাজ্জাতুজ জুম্মা শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। আদালতের নির্দেশিত সাজা ও পরোয়ানার বলেই পুলিশ তাকে আইনগতভাবে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারের পর তাকে আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী আদালতে পাঠানো হয়েছে।

আদালতের রায় এবং গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর করার মাধ্যমে আর্থিক খাতের অনিয়ম ও ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগের বিষয়টি এই ঘটনার মাধ্যমে পুনরায় সামনে এল। ব্যাংকিং খাতের শৃঙ্খলা রক্ষা এবং আদালতের রায় বাস্তবায়নে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এই পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ব্যাংক খাতের দীর্ঘমেয়াদি জালিয়াতি ও খেলাপি ঋণ আদায়ে এমন আইনি পদক্ষেপের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।

জনপ্রিয়

প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে ৪১০টি অপতথ্য ছড়ানো হয়েছে; প্রেস সচিব

শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান সাজ্জাতুজ জুম্মা গ্রেপ্তার

প্রকাশিত ০৮:৫২:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬

অপরাধ ডেস্ক: ঋণখেলাপি সংক্রান্ত একটি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান সাজ্জাতুজ জুম্মাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গুলশান থানা পুলিশের একটি দল সম্প্রতি রাজধানীর গুলশানের একটি রেস্তোরাঁ থেকে তাকে আটক করে। আদালতের জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতে পুলিশ এই অভিযান পরিচালনা করে। আটকের পরপরই তাকে যথাযথ প্রক্রিয়ায় আদালতে সোপর্দ করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সাজ্জাতুজ জুম্মা ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের দিলকুশা শাখার একজন বিনিয়োগ গ্রাহক ছিলেন। ব্যাংক থেকে নেওয়া ঋণ পরিশোধ না করায় ২০১৪ সালের এপ্রিল মাসে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালত এই মামলায় তাকে এক বছরের কারাদণ্ড এবং তিন কোটি টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করে। ঋণখেলাপি হওয়ার কারণে তাকে ইতিপূর্বে শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ থেকেও অপসারণ করা হয়েছিল।

গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জায়েদ মো. নাজমুন নুর গণমাধ্যমকে এই আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান যে সাজ্জাতুজ জুম্মা শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। আদালতের নির্দেশিত সাজা ও পরোয়ানার বলেই পুলিশ তাকে আইনগতভাবে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারের পর তাকে আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী আদালতে পাঠানো হয়েছে।

আদালতের রায় এবং গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর করার মাধ্যমে আর্থিক খাতের অনিয়ম ও ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগের বিষয়টি এই ঘটনার মাধ্যমে পুনরায় সামনে এল। ব্যাংকিং খাতের শৃঙ্খলা রক্ষা এবং আদালতের রায় বাস্তবায়নে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এই পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ব্যাংক খাতের দীর্ঘমেয়াদি জালিয়াতি ও খেলাপি ঋণ আদায়ে এমন আইনি পদক্ষেপের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।