ঢাকা ১১:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo জার্মান বিমানবন্দরে যাত্রীর স্যুটকেসে মিলল ৯২ বিষাক্ত সাপ ও গিরগিটি Logo বাপাজসের কোষাধ্যক্ষ হলেন পাবিপ্রবির জনসংযোগ কর্মকর্তা বাবুল হোসেন Logo নোবিপ্রবি শিক্ষার্থীর পরিবারের পাশে থাকার আহ্বান Logo দেশ চলছে ‘ফরেন ফ্রেন্ডস ক্লাবের শাসনে’: হাসনাত Logo যুব উন্নয়নের প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় এনবিআর-মন্ত্রণালয়ের কর্মীসহ গ্রেপ্তার ৭ Logo হিলারি ক্লিনটন পুরস্কার পেলেন ইউনূস Logo বিজেপি কেন ‘সরকার বদলের পাঁয়তারা’ দেখছে, কেন আসছে বাংলাদেশ প্রসঙ্গ? Logo প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে ৪১০টি অপতথ্য ছড়ানো হয়েছে; প্রেস সচিব Logo কোনো সম্প্রদায়কে ভোট ব্যাংক হিসেবে বিবেচনা উচিত নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo শেরপুর সদর হাসপাতালে ডেঙ্গু-হামের রোগীর ঢল

বিজেপি কেন ‘সরকার বদলের পাঁয়তারা’ দেখছে, কেন আসছে বাংলাদেশ প্রসঙ্গ?

রাজনীতি ডেস্ক: ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং ভোটার তালিকা সংশোধনে অনিয়মের অভিযোগে দিল্লিতে চলা আন্দোলন ঘিরে হঠাৎ করেই বাংলাদেশ প্রসঙ্গ আলোচনায় এসেছে। দেশটির ক্ষমতাসীন দল বিজেপি দাবি করছে, বিরোধীরা তরুণ সমাজকে ব্যবহার করে ২০২৪ সালের বাংলাদেশ আন্দোলনের আদলে ভারতে সরকার পরিবর্তনের পাঁয়তারা করছে। সম্প্রতি তরুণদের সংগঠন ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) এবং বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলোর নেতৃত্বে এই বিক্ষোভ শুরু হয়। প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এই আন্দোলনে নিজেদের সমর্থন জানিয়েছে।

চলমান এই বিক্ষোভের পেছনে বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের অনুঘটক কাজ করছে বলে দাবি করেছে বিজেপি। অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (আইসা) সভাপতি নেহা বোরা বাংলাদেশের একটি ছাত্র সংগঠনের সম্মেলনে ভিডিও বার্তায় ভারতের আন্দোলনকে বাংলাদেশের ঘটনা থেকে অনুপ্রাণিত বলে মন্তব্য করেন। এরপরই দেশটির কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংসহ বিজেপির শীর্ষ নেতারা বিরোধীদের তীব্র আক্রমণ করেন। প্রতিরক্ষামন্ত্রী অভিযোগ করেন, বিরোধী দলগুলো অরাজকতা তৈরি করে অগণতান্ত্রিক উপায়ে সরকার বদল করতে চাইছে।

বিজেপি মুখপাত্র প্রদীপ ভান্ডারি ও দলের অন্য নেতারাও একই সুরে মন্তব্য করে বলেন যে, ভারতেও জেন-জি আন্দোলন তৈরি করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা চলছে। এর পাশাপাশি জ্যেষ্ঠ আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণের একটি মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়। সংবাদ সম্মেলনে প্রশান্ত ভূষণ বলেন যে, সরকার পরিবর্তন প্রতিটি নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার এবং শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন সবাই চায়। বিজেপি এই মন্তব্যকে তাদের দাবির পক্ষে বড় প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করে।

অন্যদিকে বিজেপির এসব অভিযোগের কঠোর জবাব দিয়েছে বিরোধী দল কংগ্রেস। কংগ্রেসের জাতীয় মুখপাত্র পবন খেরা বলেন, গণতন্ত্রে সরকার পরিবর্তনের একমাত্র উপায় হলো নির্বাচন এবং অতীতেও নির্বাচনের মাধ্যমেই সরকার পরিবর্তিত হয়েছে। তিনি রাজনাথ সিংয়ের বক্তব্যের সমালোচনা করে জানান যে, বিরোধীরা গণতান্ত্রিক পন্থায় আন্দোলন করছে এবং এর পেছেনে কোনো অশুভ উদ্দেশ্য নেই। তবে সব মিলিয়ে এসআইআর বিতর্ক এবং বিক্ষোভের জেরে ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গনে চরম বাকযুদ্ধ ও উত্তেজনাকর পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

জনপ্রিয়

জার্মান বিমানবন্দরে যাত্রীর স্যুটকেসে মিলল ৯২ বিষাক্ত সাপ ও গিরগিটি

বিজেপি কেন ‘সরকার বদলের পাঁয়তারা’ দেখছে, কেন আসছে বাংলাদেশ প্রসঙ্গ?

প্রকাশিত ১০:২২:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬

রাজনীতি ডেস্ক: ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং ভোটার তালিকা সংশোধনে অনিয়মের অভিযোগে দিল্লিতে চলা আন্দোলন ঘিরে হঠাৎ করেই বাংলাদেশ প্রসঙ্গ আলোচনায় এসেছে। দেশটির ক্ষমতাসীন দল বিজেপি দাবি করছে, বিরোধীরা তরুণ সমাজকে ব্যবহার করে ২০২৪ সালের বাংলাদেশ আন্দোলনের আদলে ভারতে সরকার পরিবর্তনের পাঁয়তারা করছে। সম্প্রতি তরুণদের সংগঠন ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) এবং বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলোর নেতৃত্বে এই বিক্ষোভ শুরু হয়। প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এই আন্দোলনে নিজেদের সমর্থন জানিয়েছে।

চলমান এই বিক্ষোভের পেছনে বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের অনুঘটক কাজ করছে বলে দাবি করেছে বিজেপি। অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (আইসা) সভাপতি নেহা বোরা বাংলাদেশের একটি ছাত্র সংগঠনের সম্মেলনে ভিডিও বার্তায় ভারতের আন্দোলনকে বাংলাদেশের ঘটনা থেকে অনুপ্রাণিত বলে মন্তব্য করেন। এরপরই দেশটির কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংসহ বিজেপির শীর্ষ নেতারা বিরোধীদের তীব্র আক্রমণ করেন। প্রতিরক্ষামন্ত্রী অভিযোগ করেন, বিরোধী দলগুলো অরাজকতা তৈরি করে অগণতান্ত্রিক উপায়ে সরকার বদল করতে চাইছে।

বিজেপি মুখপাত্র প্রদীপ ভান্ডারি ও দলের অন্য নেতারাও একই সুরে মন্তব্য করে বলেন যে, ভারতেও জেন-জি আন্দোলন তৈরি করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা চলছে। এর পাশাপাশি জ্যেষ্ঠ আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণের একটি মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়। সংবাদ সম্মেলনে প্রশান্ত ভূষণ বলেন যে, সরকার পরিবর্তন প্রতিটি নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার এবং শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন সবাই চায়। বিজেপি এই মন্তব্যকে তাদের দাবির পক্ষে বড় প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করে।

অন্যদিকে বিজেপির এসব অভিযোগের কঠোর জবাব দিয়েছে বিরোধী দল কংগ্রেস। কংগ্রেসের জাতীয় মুখপাত্র পবন খেরা বলেন, গণতন্ত্রে সরকার পরিবর্তনের একমাত্র উপায় হলো নির্বাচন এবং অতীতেও নির্বাচনের মাধ্যমেই সরকার পরিবর্তিত হয়েছে। তিনি রাজনাথ সিংয়ের বক্তব্যের সমালোচনা করে জানান যে, বিরোধীরা গণতান্ত্রিক পন্থায় আন্দোলন করছে এবং এর পেছেনে কোনো অশুভ উদ্দেশ্য নেই। তবে সব মিলিয়ে এসআইআর বিতর্ক এবং বিক্ষোভের জেরে ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গনে চরম বাকযুদ্ধ ও উত্তেজনাকর পরিস্থিতি বিরাজ করছে।