ঢাকা ০১:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

ছাড়া পেলেন নেহা বোরা, অভিজিৎকে ফের গ্রেপ্তার দেখাল পুলিশ

অপরাধ ডেস্ক: রাজধানী দিল্লির কনট প্লেসে একটি প্রতিবাদ মিছিলের আগে আটক হওয়া ছাত্রনেত্রী নেহা বোরা মুক্তি পেলেও অপর নেতা অভিজিৎ দীপকেকে প্রিভেন্টিভ অ্যারেস্ট বা প্রতিরোধমূলক গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শান্তি ভঙ্গের আশঙ্কায় ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার নির্দিষ্ট ধারায় তাকে এই গ্রেপ্তার দেখানো হয় এবং আদালতে হাজির করার কথা বলা হয়। অন্যদিকে, নির্ধারিত আইনি প্রক্রিয়া শেষে ভোরে অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভানেত্রী নেহা বোরাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। নির্বাচন কমিশনের বিশেষ সংশোধন প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে আয়োজিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে তারা এই মিছিলে যোগ দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন।

পুলিশের এই পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানিয়ে ককরোচ জনতা পার্টির আইনি বিভাগের প্রধান রত্না সিং অভিযোগ করেন যে, অভিজিৎকে কোথায় রাখা হয়েছে তা প্রথমে স্পষ্ট করা হয়নি এবং আইনজীবীদেরও তাঁর সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হয়নি। সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যে জানানো হয় যে, তাঁকে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল এবং তাঁর সঙ্গে সংগঠনের সমস্ত যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে রাখা হয়েছিল। এআইএসএ নেত্রী নেহা বোরা মুক্তি পাওয়ার পর জানান যে, তাঁকে মঙ্গোলপুরীর একটি কার্যালয়ে একাকী আটকে রাখা হয়েছিল।

কারাগার বা আটককেন্দ্র থেকে মুক্ত হয়ে দিল্লি পুলিশের ভূমিকার কঠোর সমালোচনা করেন নেহা বোরা। তিনি গণমাধ্যমকে দেওয়া বিবৃতিতে বলেন যে, সাধারণ নাগরিক ও প্রতিবাদকারীদের কোনো বৈধ কারণ ছাড়াই দীর্ঘ সময় ধরে আটকে রাখা হচ্ছে। প্রতিবাদকারীদের মনে ভয় ঢুকিয়ে দেওয়ার জন্যই পুলিশ এই ধরনের বেআইনি আটক বা থানায় বসিয়ে রাখার পথ বেছে নিচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ তোলেন।

নেহা বোরা অবিলম্বে অভিজিৎ দীপকেসহ আটক সব আন্দোলনকারীর নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানান। তিনি উল্লেখ করেন যে, আটককৃতরা প্রত্যেকেই সাধারণ নাগরিক এবং তারা কেবল নিজেদের ভোটাধিকার ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতার দাবি তুলেছেন। এই ধরনের দমনপীড়ন ও বেআইনি আটকের কোনো যুক্তিসংগত ভিত্তি নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি।

জনপ্রিয়

লালন ফকির : জীবন ও দর্শনের প্রাসঙ্গিকতা

ছাড়া পেলেন নেহা বোরা, অভিজিৎকে ফের গ্রেপ্তার দেখাল পুলিশ

প্রকাশিত ১১:০৭:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

অপরাধ ডেস্ক: রাজধানী দিল্লির কনট প্লেসে একটি প্রতিবাদ মিছিলের আগে আটক হওয়া ছাত্রনেত্রী নেহা বোরা মুক্তি পেলেও অপর নেতা অভিজিৎ দীপকেকে প্রিভেন্টিভ অ্যারেস্ট বা প্রতিরোধমূলক গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শান্তি ভঙ্গের আশঙ্কায় ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার নির্দিষ্ট ধারায় তাকে এই গ্রেপ্তার দেখানো হয় এবং আদালতে হাজির করার কথা বলা হয়। অন্যদিকে, নির্ধারিত আইনি প্রক্রিয়া শেষে ভোরে অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভানেত্রী নেহা বোরাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। নির্বাচন কমিশনের বিশেষ সংশোধন প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে আয়োজিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে তারা এই মিছিলে যোগ দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন।

পুলিশের এই পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানিয়ে ককরোচ জনতা পার্টির আইনি বিভাগের প্রধান রত্না সিং অভিযোগ করেন যে, অভিজিৎকে কোথায় রাখা হয়েছে তা প্রথমে স্পষ্ট করা হয়নি এবং আইনজীবীদেরও তাঁর সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হয়নি। সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যে জানানো হয় যে, তাঁকে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল এবং তাঁর সঙ্গে সংগঠনের সমস্ত যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে রাখা হয়েছিল। এআইএসএ নেত্রী নেহা বোরা মুক্তি পাওয়ার পর জানান যে, তাঁকে মঙ্গোলপুরীর একটি কার্যালয়ে একাকী আটকে রাখা হয়েছিল।

কারাগার বা আটককেন্দ্র থেকে মুক্ত হয়ে দিল্লি পুলিশের ভূমিকার কঠোর সমালোচনা করেন নেহা বোরা। তিনি গণমাধ্যমকে দেওয়া বিবৃতিতে বলেন যে, সাধারণ নাগরিক ও প্রতিবাদকারীদের কোনো বৈধ কারণ ছাড়াই দীর্ঘ সময় ধরে আটকে রাখা হচ্ছে। প্রতিবাদকারীদের মনে ভয় ঢুকিয়ে দেওয়ার জন্যই পুলিশ এই ধরনের বেআইনি আটক বা থানায় বসিয়ে রাখার পথ বেছে নিচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ তোলেন।

নেহা বোরা অবিলম্বে অভিজিৎ দীপকেসহ আটক সব আন্দোলনকারীর নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানান। তিনি উল্লেখ করেন যে, আটককৃতরা প্রত্যেকেই সাধারণ নাগরিক এবং তারা কেবল নিজেদের ভোটাধিকার ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতার দাবি তুলেছেন। এই ধরনের দমনপীড়ন ও বেআইনি আটকের কোনো যুক্তিসংগত ভিত্তি নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি।