ঢাকা ০১:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

এখন গরু-মহিষকে ঘাস খাওয়াতেও চাঁদা দিতে হয়

রাজনীতি ডেস্ক: ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা সম্প্রতি দেশের সার্বিক পরিস্থিতি ও স্থানীয় চাঁদাবাজি নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি এক মতবিনিময় সভায় মন্তব্য করেছেন যে বর্তমান সময়ে গবাদিপশু মাঠে ঘাস খাওয়াতেও চাঁদা দিতে হয়। চাঁদা না দিলে খামারে থাকা মাছের খাবারে বিষ প্রয়োগ করা হয় বলেও তিনি অভিযোগ তোলেন। এলাকার যেকোনো ধরনের চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার কথা জানান এই সংসদ সদস্য। নিজ নির্বাচনী এলাকায় এ ধরনের অপকর্ম সহ্য করা হবে না বলে তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন।

সরাইল উপজেলার প্রত্যন্ত পাকশিমুল ইউনিয়নের জয়দরকান্দি গ্রামের ১ ও ২ নং ওয়ার্ডের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে আয়োজিত ওই সভায় তিনি এসব কথা বলেন। নিজের এলাকায় কোনো প্রকার চাঁদাবাজি বরদাস্ত করা হবে না বলে তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান যে এলাকায় চাঁদাবাজি হলে তিনি কাউকে ছাড় দেবেন না এবং প্রয়োজনে নিজেই রাজপথে নামবেন। বালুচোর ও মামলাবাজদের সঙ্গে নিয়ে তিনি কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করবেন না বলেও ঘোষণা দেন।

পরিবারের সদস্যদের বিষয়ে কোনো ধরনের বিশেষ সুবিধা দেওয়া হবে না বলে দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই সংসদ সদস্য। সারের ডিলারশিপ কিংবা রাস্তার কাজের ঠিকাদারি দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো আত্মীয়কে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে না বলে তিনি জানান। এলাকার ব্যবসায়ীদেরও কোনো আত্মীয়কে চাঁদা দিয়ে ব্যবসা করতে হবে না বলে তিনি আশ্বস্ত করেন। নিজের কোনো কর্মী বা সমর্থকের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে তা নাম গোপন করে জানানোর আহ্বান জানান তিনি।

ভোটার বা সাধারণ মানুষের সঙ্গে কোনো কর্মী অসদাচরণ করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেন রুমিন ফারহানা। দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের পরও জনগণের প্রত্যাশা পূরণ না হওয়ায় তিনি হতাশা প্রকাশ করেন। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির চিত্র তুলে ধরেন। বাজারে সবজির দাম এবং ডিমের চড়া মূল্য সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে দুর্বিষহ করে তুলেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

জনপ্রিয়

লালন ফকির : জীবন ও দর্শনের প্রাসঙ্গিকতা

এখন গরু-মহিষকে ঘাস খাওয়াতেও চাঁদা দিতে হয়

প্রকাশিত ১২:০৭:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

রাজনীতি ডেস্ক: ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা সম্প্রতি দেশের সার্বিক পরিস্থিতি ও স্থানীয় চাঁদাবাজি নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি এক মতবিনিময় সভায় মন্তব্য করেছেন যে বর্তমান সময়ে গবাদিপশু মাঠে ঘাস খাওয়াতেও চাঁদা দিতে হয়। চাঁদা না দিলে খামারে থাকা মাছের খাবারে বিষ প্রয়োগ করা হয় বলেও তিনি অভিযোগ তোলেন। এলাকার যেকোনো ধরনের চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার কথা জানান এই সংসদ সদস্য। নিজ নির্বাচনী এলাকায় এ ধরনের অপকর্ম সহ্য করা হবে না বলে তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন।

সরাইল উপজেলার প্রত্যন্ত পাকশিমুল ইউনিয়নের জয়দরকান্দি গ্রামের ১ ও ২ নং ওয়ার্ডের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে আয়োজিত ওই সভায় তিনি এসব কথা বলেন। নিজের এলাকায় কোনো প্রকার চাঁদাবাজি বরদাস্ত করা হবে না বলে তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান যে এলাকায় চাঁদাবাজি হলে তিনি কাউকে ছাড় দেবেন না এবং প্রয়োজনে নিজেই রাজপথে নামবেন। বালুচোর ও মামলাবাজদের সঙ্গে নিয়ে তিনি কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করবেন না বলেও ঘোষণা দেন।

পরিবারের সদস্যদের বিষয়ে কোনো ধরনের বিশেষ সুবিধা দেওয়া হবে না বলে দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই সংসদ সদস্য। সারের ডিলারশিপ কিংবা রাস্তার কাজের ঠিকাদারি দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো আত্মীয়কে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে না বলে তিনি জানান। এলাকার ব্যবসায়ীদেরও কোনো আত্মীয়কে চাঁদা দিয়ে ব্যবসা করতে হবে না বলে তিনি আশ্বস্ত করেন। নিজের কোনো কর্মী বা সমর্থকের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে তা নাম গোপন করে জানানোর আহ্বান জানান তিনি।

ভোটার বা সাধারণ মানুষের সঙ্গে কোনো কর্মী অসদাচরণ করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেন রুমিন ফারহানা। দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের পরও জনগণের প্রত্যাশা পূরণ না হওয়ায় তিনি হতাশা প্রকাশ করেন। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির চিত্র তুলে ধরেন। বাজারে সবজির দাম এবং ডিমের চড়া মূল্য সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে দুর্বিষহ করে তুলেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।