ঢাকা ০১:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ

বিশ্ব কারিগরি শিক্ষা সম্মেলনে ‘বেইজিং এগ্রিমেন্ট’ প্রকাশ

শিক্ষা ডেস্ক: বৈশ্বিক দক্ষতা উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে ‘ফ্রেমওয়ার্ক অব ওয়ার্ল্ড ভোকেশনাল অ্যান্ড টেকনিক্যাল এডুকেশন স্ট্যান্ডার্ডস (বেইজিং এগ্রিমেন্ট)’ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। তিয়ানজিন মেইজিয়াং কনভেনশন অ্যান্ড এক্সিবিশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত ‘বিশ্ব কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা উন্নয়ন সম্মেলন’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে এই বৈশ্বিক কাঠামোর ঘোষণা দেওয়া হয়। বিশ্বের ৪০টিরও বেশি দেশের শিক্ষামন্ত্রী এবং ১০০টিরও বেশি দেশের সরকারি প্রতিনিধিদল এই সম্মেলনে অংশ নেন। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পক্ষে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন উপস্থিত ছিলেন।

বেইজিং এগ্রিমেন্ট প্রকাশের পাশাপাশি সম্মেলনে ‘চীনে বৃত্তিমূলক শিক্ষা বিষয়ক শ্বেতপত্র’ এবং ‘লুবান ওয়ার্কশপের জাতীয় মানদণ্ড’ উন্মোচন করা হয়। এছাড়া আন্তর্জাতিক কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ সহযোগিতা এগিয়ে নিতে আরও বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। বেইজিং এগ্রিমেন্টে বাংলাদেশের সমর্থন কারিগরি শিক্ষার আন্তর্জাতিক মানদণ্ড গড়ে তুলতে সাহায্য করবে। এর মাধ্যমে দেশের তরুণ জনগোষ্ঠীকে ভবিষ্যতের কর্মসংস্থানের উপযোগী করে প্রস্তুত করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এই বৈশ্বিক ঘোষণার পাশাপাশি সম্মেলনের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে একটি দ্বিপক্ষীয় সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষাক্ষেত্রে দুই দেশের সহযোগিতা জোরদার করার লক্ষ্যে এই চুক্তি সম্পাদিত হয়। বাংলাদেশের শিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবং চীনের শিক্ষা উপমন্ত্রী ওয়াং গুয়াংইয়ান নিজ নিজ দেশের পক্ষে এই সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন উল্লেখ করেছেন যে এই সমঝোতা স্মারক ও বেইজিং এগ্রিমেন্ট একত্রে দেশের দক্ষতা উন্নয়নে নতুন গতি সঞ্চার করবে। বৈশ্বিক কারিগরি শিক্ষার মানদণ্ড এবং বাস্তবধর্মী দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা তরুণ বাংলাদেশিদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। উভয় পক্ষের মতে, এই উদ্যোগ বাংলাদেশ ও চীনের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বকে আরও সুদৃঢ় করবে। মানবসম্পদ উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার পাশাপাশি এটি দেশের অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে।

জনপ্রিয়

ডেঙ্গু প্রতিরোধ: সরকারি উদ্যোগে ‘নির্ভরতা কমিয়ে’ সম্মিলিতভাবে কাজ করার তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর

বিশ্ব কারিগরি শিক্ষা সম্মেলনে ‘বেইজিং এগ্রিমেন্ট’ প্রকাশ

প্রকাশিত ১১:২২:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

শিক্ষা ডেস্ক: বৈশ্বিক দক্ষতা উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে ‘ফ্রেমওয়ার্ক অব ওয়ার্ল্ড ভোকেশনাল অ্যান্ড টেকনিক্যাল এডুকেশন স্ট্যান্ডার্ডস (বেইজিং এগ্রিমেন্ট)’ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। তিয়ানজিন মেইজিয়াং কনভেনশন অ্যান্ড এক্সিবিশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত ‘বিশ্ব কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা উন্নয়ন সম্মেলন’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে এই বৈশ্বিক কাঠামোর ঘোষণা দেওয়া হয়। বিশ্বের ৪০টিরও বেশি দেশের শিক্ষামন্ত্রী এবং ১০০টিরও বেশি দেশের সরকারি প্রতিনিধিদল এই সম্মেলনে অংশ নেন। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পক্ষে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন উপস্থিত ছিলেন।

বেইজিং এগ্রিমেন্ট প্রকাশের পাশাপাশি সম্মেলনে ‘চীনে বৃত্তিমূলক শিক্ষা বিষয়ক শ্বেতপত্র’ এবং ‘লুবান ওয়ার্কশপের জাতীয় মানদণ্ড’ উন্মোচন করা হয়। এছাড়া আন্তর্জাতিক কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ সহযোগিতা এগিয়ে নিতে আরও বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। বেইজিং এগ্রিমেন্টে বাংলাদেশের সমর্থন কারিগরি শিক্ষার আন্তর্জাতিক মানদণ্ড গড়ে তুলতে সাহায্য করবে। এর মাধ্যমে দেশের তরুণ জনগোষ্ঠীকে ভবিষ্যতের কর্মসংস্থানের উপযোগী করে প্রস্তুত করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এই বৈশ্বিক ঘোষণার পাশাপাশি সম্মেলনের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে একটি দ্বিপক্ষীয় সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষাক্ষেত্রে দুই দেশের সহযোগিতা জোরদার করার লক্ষ্যে এই চুক্তি সম্পাদিত হয়। বাংলাদেশের শিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবং চীনের শিক্ষা উপমন্ত্রী ওয়াং গুয়াংইয়ান নিজ নিজ দেশের পক্ষে এই সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন উল্লেখ করেছেন যে এই সমঝোতা স্মারক ও বেইজিং এগ্রিমেন্ট একত্রে দেশের দক্ষতা উন্নয়নে নতুন গতি সঞ্চার করবে। বৈশ্বিক কারিগরি শিক্ষার মানদণ্ড এবং বাস্তবধর্মী দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা তরুণ বাংলাদেশিদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। উভয় পক্ষের মতে, এই উদ্যোগ বাংলাদেশ ও চীনের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বকে আরও সুদৃঢ় করবে। মানবসম্পদ উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার পাশাপাশি এটি দেশের অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে।