ঢাকা ০২:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo সতর্ক করার পরও চলছিল কক্সবাজারের টুপটুপ রিসোর্ট Logo দূর্গাপূজা: শেরপুরের নাকুগাঁও স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি ৯ দিন বন্ধ Logo মার্তিনেসের ঘটনায় কোনো ‘নাটক হয়নি’ ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে Logo ডেঙ্গু প্রতিরোধ: সরকারি উদ্যোগে ‘নির্ভরতা কমিয়ে’ সম্মিলিতভাবে কাজ করার তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর Logo শিশুকে শাসনের নামে নির্যাতন নয় Logo লালন ফকির : জীবন ও দর্শনের প্রাসঙ্গিকতা Logo কাজ শেষ করতে অন্য ওয়ালেট থেকে ডিজিটাল মুদ্রা ‘চুরি’ করল এআই Logo ‘আগের হামলার পরও সাংবাদিক আলিফের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া উদ্বেগজনক’ Logo নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা আইনে গ্রেপ্তার অভিজিৎ দীপকে, নেহা বোরা মুক্ত Logo এখন গরু-মহিষকে ঘাস খাওয়াতেও চাঁদা দিতে হয়

শিশুকে শাসনের নামে নির্যাতন নয়

মতামত ডেস্ক: আমাদের সমাজে অনেকেই মনে করেন যে শিশুকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে শারীরিক শাস্তির প্রয়োজন রয়েছে। তবে ভালো-মন্দের পার্থক্য বোঝানোর জন্য শাসন করা গেলেও মারধর বা ভয় দেখানো কখনোই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। এই ধরনের আচরণ শাসনের গণ্ডি পেরিয়ে একপর্যায়ে নির্যাতনে রূপ নেয় যা শিশুর বিকাশের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ভয় দেখিয়ে সাময়িকভাবে কোনো কাজে বাধ্য করা গেলেও এর মাধ্যমে শিশুর মধ্যে আত্মবিশ্বাস বা সঠিক নৈতিক বোধ তৈরি হয় না। বরং অতিরিক্ত ভয়ে শিশু নিজের ভুলগুলো গোপন করতে শেখে এবং বড়দের সঙ্গে যেকোনো সমস্যা নিয়ে খোলাখুলি কথা বলতে সংকোচ বোধ করে।

শিশু কোনো ভুল করলে তাকে জনসমক্ষে অপমান না করে বরং ভুলের কারণটি ধৈর্যের সঙ্গে বুঝিয়ে দেওয়া উচিত। তার বয়স ও পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে আলোচনা করার পাশাপাশি বয়সোপযোগী নিয়মের মাধ্যমে তাকে নিজ দায়িত্ব নিতে শেখাতে হবে। কোনো অবস্থাতেই শিশুর ব্যক্তিগত মর্যাদা এবং নিরাপত্তা ক্ষুণ্ন করা যাবে না।

শিশুরা মূলত বড়দের চারপাশের আচরণ দেখে অনেক কিছু শেখে, তাই অভিভাবক ও শিক্ষকদের নিজেদের আচরণে ধৈর্য ও শ্রদ্ধার চর্চা করা দরকার। পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিশুদের অধিকার রক্ষা এবং ইতিবাচক শাসনপদ্ধতি নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করা অত্যন্ত জরুরি।

পরিশেষে শাসনের মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত শিশুকে আতঙ্কিত না করে বরং তার ভুল থেকে শিক্ষা গ্রহণ করতে সহায়তা করা। শিশুর শরীর ও মনে আঘাত হানে বা তাকে নিরাপত্তাহীন করে তোলে এমন কোনো আচরণই শাসনের অজুহাতে মেনে নেওয়া যায় না।

জনপ্রিয়

সতর্ক করার পরও চলছিল কক্সবাজারের টুপটুপ রিসোর্ট

শিশুকে শাসনের নামে নির্যাতন নয়

প্রকাশিত ০১:২২:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

মতামত ডেস্ক: আমাদের সমাজে অনেকেই মনে করেন যে শিশুকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে শারীরিক শাস্তির প্রয়োজন রয়েছে। তবে ভালো-মন্দের পার্থক্য বোঝানোর জন্য শাসন করা গেলেও মারধর বা ভয় দেখানো কখনোই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। এই ধরনের আচরণ শাসনের গণ্ডি পেরিয়ে একপর্যায়ে নির্যাতনে রূপ নেয় যা শিশুর বিকাশের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ভয় দেখিয়ে সাময়িকভাবে কোনো কাজে বাধ্য করা গেলেও এর মাধ্যমে শিশুর মধ্যে আত্মবিশ্বাস বা সঠিক নৈতিক বোধ তৈরি হয় না। বরং অতিরিক্ত ভয়ে শিশু নিজের ভুলগুলো গোপন করতে শেখে এবং বড়দের সঙ্গে যেকোনো সমস্যা নিয়ে খোলাখুলি কথা বলতে সংকোচ বোধ করে।

শিশু কোনো ভুল করলে তাকে জনসমক্ষে অপমান না করে বরং ভুলের কারণটি ধৈর্যের সঙ্গে বুঝিয়ে দেওয়া উচিত। তার বয়স ও পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে আলোচনা করার পাশাপাশি বয়সোপযোগী নিয়মের মাধ্যমে তাকে নিজ দায়িত্ব নিতে শেখাতে হবে। কোনো অবস্থাতেই শিশুর ব্যক্তিগত মর্যাদা এবং নিরাপত্তা ক্ষুণ্ন করা যাবে না।

শিশুরা মূলত বড়দের চারপাশের আচরণ দেখে অনেক কিছু শেখে, তাই অভিভাবক ও শিক্ষকদের নিজেদের আচরণে ধৈর্য ও শ্রদ্ধার চর্চা করা দরকার। পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিশুদের অধিকার রক্ষা এবং ইতিবাচক শাসনপদ্ধতি নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করা অত্যন্ত জরুরি।

পরিশেষে শাসনের মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত শিশুকে আতঙ্কিত না করে বরং তার ভুল থেকে শিক্ষা গ্রহণ করতে সহায়তা করা। শিশুর শরীর ও মনে আঘাত হানে বা তাকে নিরাপত্তাহীন করে তোলে এমন কোনো আচরণই শাসনের অজুহাতে মেনে নেওয়া যায় না।