অর্থনীতি ডেস্ক: রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী, জনতা ও রূপালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে আলাদা চিঠি পাঠিয়ে এই তিন ব্যাংকের এমডির চুক্তি বাতিলের সুপারিশ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে রাষ্ট্রায়ত্ত এই তিন বাণিজ্যিক ব্যাংকের শীর্ষ পদে পরিবর্তনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। ব্যাংকের পর্ষদগুলো এখন এই নিয়োগ বাতিলের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করবে।
বিদায়ী এমডিদের তালিকায় রয়েছেন সোনালী ব্যাংকের শওকত আলী খান, জনতা ব্যাংকের মজিবুর রহমান এবং রূপালী ব্যাংকের কাজী মো. ওয়াহিদুল ইসলাম। গত বছরের শেষ দিকে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন সময়ে তাদের এই পদগুলোতে চুক্তিভিত্তিক দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। এর আগে আরও দুটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক বেসিক ও অগ্রণীর এমডির নিয়োগ বাতিল করেছিল সরকার। বর্তমানে বেসিক ও অগ্রণী ব্যাংক ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে।
জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমানের কাছে পাঠানো চিঠিতে মজিবুর রহমানের চুক্তি বাতিলের বিষয়ে সরকারের সম্মতি জানানো হয়। উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে থাকা মজিবুর রহমান গত বছরের নভেম্বর মাসে জনতা ব্যাংকের এমডি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছিলেন। রূপালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান নজরুল হুদার কাছে পাঠানো অন্য এক প্রজ্ঞাপনে কাজী মো. ওয়াহিদুল ইসলামের নিয়োগ বাতিলের কথা জানানো হয়। ওয়াহিদুল ইসলামকে গত বছরের ডিসেম্বরে সোনালী ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক থেকে রূপালী ব্যাংকের এমডি করা হয়েছিল।
আরেক পৃথক আদেশে সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শওকত আলী খানের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের বাকি মেয়াদও বাতিল করেছে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ। গত বছরের ৩০ অক্টোবর তাকে তিন বছরের জন্য সোনালী ব্যাংকের এমডি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। সোনালী ব্যাংকে যোগ দেওয়ার আগে তিনি বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। এই তিন ব্যাংক প্রধানের চুক্তি বাতিলের ফলে এখন রাষ্ট্রায়ত্ত পাঁচটি বাণিজ্যিক ব্যাংকের এমডি পদ শূন্য হলো।





































