ঢাকা ০৮:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ক্রাচে ভর দিয়ে কাজে যান বিল্লাল, ১৮ বছর ধরে ইট ভেঙে চালাচ্ছেন সংসার Logo ঢাকার যে আটটি দোকানে পাবেন নিরামিষ ও বাঙালি খাবারের স্বাদ Logo সৌদিতে হামলা: ঢাকা থেকে ১২৬ ফ্লাইট বাতিল, ১৯ হাজারের বেশি যাত্রী দুর্ভোগে Logo সরবরাহ সংকটের জেরে বিশ্বব্যাপী খাবারের দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা Logo মন্ত্রিসভার সদস্যকে পদত্যাগ করতে বলা প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার মধ্যেই পড়ে: অ্যাটর্নি জেনারেল Logo মেকআপ ও ঘরের কাজের কারণে পুরুষদের চেয়ে বেশি সময় লাগে: জাপানের প্রধানমন্ত্রী Logo এক মাসের জন্য নিষিদ্ধ রোনালদো Logo ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের নাগরিক সেবা এখন ‘মাইগভ’ প্ল্যাটফর্মে Logo বিতর্কিতদের সরিয়ে কী বার্তা দিচ্ছে বিএনপি? Logo গেণ্ডারিয়ার ঘুণ্টিঘর: প্রকাশ্যে মাদক বিক্রি, ২০ টাকায় মিলছে সেবনের ‘নিরাপদ’ জায়গাও

সরবরাহ সংকটের জেরে বিশ্বব্যাপী খাবারের দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা

অর্থনীতি ডেস্ক: বিশ্ববাজারে জ্বালানি সংকট, যুদ্ধ এবং প্রতিকূল আবহাওয়ার জেরে বিশ্বজুড়ে খাদ্যপণ্যের দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোর সাধারণ ভোক্তারা লাগামহীন মূল্যস্ফীতির কারণে চরম বিপাকে পড়েছেন। ইন্দোনেশিয়া, মিশর ও ভারতের মতো দেশগুলোতে চাল, পাউরুটি ও চিনির দাম রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। বিশ্বব্যাংক ও জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) তথ্য অনুযায়ী, বর্তমান পরিস্থিতি আগামী বছরগুলোতেও অব্যাহত থাকতে পারে।

খাদ্য সরবরাহের নানা খাতের সংকটের কারণে এই মূল্যবৃদ্ধি ত্বরান্বিত হচ্ছে বলে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন। কৃষ্ণসাগর অঞ্চলে শস্য রপ্তানিতে বাধা এবং লোহিত সাগরে নিরাপত্তাহীনতার কারণে পণ্য পরিবহনের খরচ অনেক বেড়ে গেছে। এছাড়া মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের ফলে জ্বালানি তেল ও সারের দাম চড়া থাকায় কৃষি উৎপাদন খরচও বৃদ্ধি পেয়েছে। এল নিনোর প্রভাবে খরা দেখা দেওয়ায় ভারত ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় বিভিন্ন ফসলের ফলন ব্যাপকভাবে হ্রাস পেয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের সাম্প্রতিক বিশ্লেষণে উঠে এসেছে যে, বহু দেশে খাদ্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির হার সাধারণ মূল্যস্ফীতিকে ছাড়িয়ে গেছে। এর ফলে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর আয়ের সিংহভাগই খাবার কিনতে খরচ হয়ে যাচ্ছে এবং সামাজিক অস্থিরতার ঝুঁকিও তৈরি হচ্ছে। এফএও-র প্রধান অর্থনীতিবিদ মাক্সিমো তোরেরো সতর্ক করে বলেছেন যে, খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর এই তীব্র চাপের বড় প্রভাব আগামী দিনে আরও স্পষ্টভাবে দেখা যাবে।

ব্যবসায়ীরা জানান, কাঁচামালের দাম বাড়ার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক নৌপথে পণ্য পরিবহনের ভাড়াও প্রায় অর্ধেকে গিয়ে ঠেকেছে। স্থানীয় মুদ্রার মান কমে যাওয়ায় আমদানিনির্ভর দেশগুলোর ওপর আর্থিক চাপ আরও বহুগুণ বেড়ে গেছে। আন্তর্জাতিক শস্য কাউন্সিলের অর্থনীতিবিদ আলেক্সান্ডার কারাভাইতসেভ মনে করেন, আমদানিকারক দেশগুলো পুনরায় বিশ্ববাজারে ফিরলে খাদ্যপণ্যের চাহিদা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।

জনপ্রিয়

ক্রাচে ভর দিয়ে কাজে যান বিল্লাল, ১৮ বছর ধরে ইট ভেঙে চালাচ্ছেন সংসার

সরবরাহ সংকটের জেরে বিশ্বব্যাপী খাবারের দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা

প্রকাশিত ০৬:২২:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

অর্থনীতি ডেস্ক: বিশ্ববাজারে জ্বালানি সংকট, যুদ্ধ এবং প্রতিকূল আবহাওয়ার জেরে বিশ্বজুড়ে খাদ্যপণ্যের দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোর সাধারণ ভোক্তারা লাগামহীন মূল্যস্ফীতির কারণে চরম বিপাকে পড়েছেন। ইন্দোনেশিয়া, মিশর ও ভারতের মতো দেশগুলোতে চাল, পাউরুটি ও চিনির দাম রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। বিশ্বব্যাংক ও জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) তথ্য অনুযায়ী, বর্তমান পরিস্থিতি আগামী বছরগুলোতেও অব্যাহত থাকতে পারে।

খাদ্য সরবরাহের নানা খাতের সংকটের কারণে এই মূল্যবৃদ্ধি ত্বরান্বিত হচ্ছে বলে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন। কৃষ্ণসাগর অঞ্চলে শস্য রপ্তানিতে বাধা এবং লোহিত সাগরে নিরাপত্তাহীনতার কারণে পণ্য পরিবহনের খরচ অনেক বেড়ে গেছে। এছাড়া মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের ফলে জ্বালানি তেল ও সারের দাম চড়া থাকায় কৃষি উৎপাদন খরচও বৃদ্ধি পেয়েছে। এল নিনোর প্রভাবে খরা দেখা দেওয়ায় ভারত ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় বিভিন্ন ফসলের ফলন ব্যাপকভাবে হ্রাস পেয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের সাম্প্রতিক বিশ্লেষণে উঠে এসেছে যে, বহু দেশে খাদ্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির হার সাধারণ মূল্যস্ফীতিকে ছাড়িয়ে গেছে। এর ফলে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর আয়ের সিংহভাগই খাবার কিনতে খরচ হয়ে যাচ্ছে এবং সামাজিক অস্থিরতার ঝুঁকিও তৈরি হচ্ছে। এফএও-র প্রধান অর্থনীতিবিদ মাক্সিমো তোরেরো সতর্ক করে বলেছেন যে, খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর এই তীব্র চাপের বড় প্রভাব আগামী দিনে আরও স্পষ্টভাবে দেখা যাবে।

ব্যবসায়ীরা জানান, কাঁচামালের দাম বাড়ার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক নৌপথে পণ্য পরিবহনের ভাড়াও প্রায় অর্ধেকে গিয়ে ঠেকেছে। স্থানীয় মুদ্রার মান কমে যাওয়ায় আমদানিনির্ভর দেশগুলোর ওপর আর্থিক চাপ আরও বহুগুণ বেড়ে গেছে। আন্তর্জাতিক শস্য কাউন্সিলের অর্থনীতিবিদ আলেক্সান্ডার কারাভাইতসেভ মনে করেন, আমদানিকারক দেশগুলো পুনরায় বিশ্ববাজারে ফিরলে খাদ্যপণ্যের চাহিদা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।