অর্থনীতি ডেস্ক: নয়টি ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পুঁজিবাজারে কার্যক্রম পরিচালনাকারী ১২টি সহযোগী প্রতিষ্ঠানকে ব্যবসায়িক কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত বিএসইসির এক জরুরি কমিশন সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যেখানে সভাপতিত্ব করেন সংস্থাটির চেয়ারম্যান মাসুদ খান। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের লাইসেন্স বাতিলের প্রক্রিয়ায় থাকা আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সাবসিডিয়ারিগুলোর বিষয়ে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
বিএসইসির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, যেসব সহযোগী প্রতিষ্ঠানের মূলধন ঘাটতি নেই, এমন চারটি প্রতিষ্ঠানকে ব্যবসায়িক কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে প্রিমিয়ার লিজিং সিকিউরিটিজ ব্রোকিং, পিএলএফএস ইনভেস্টমেন্টস এবং প্রাইম ফাইন্যান্স ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড। এছাড়া পর্যাপ্ত নিট সম্পদ থাকায় আভিভা ইক্যুইটি ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডকেও কাজ চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে মূলধন ঘাটতিতে থাকা বাকি আটটি সহযোগী প্রতিষ্ঠানকে কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার জন্য নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা। এর মধ্যে একটি প্রতিষ্ঠানকে চলতি বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত এবং অপর সাতটি প্রতিষ্ঠানকে আগামী বছরের এপ্রিল পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। ইন্টারন্যাশনাল লিজিং সিকিউরিটিজ, ফারইস্ট স্টকস অ্যান্ড বন্ডস এবং এফএএস ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্টের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো এই বর্ধিত সময়ের মধ্যে রয়েছে।
আর্থিক খাতের শৃঙ্খলা ফেরাতে গত কয়েক বছর ধরে দুর্বল এনবিএফআইগুলোর বিষয়ে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়ে আসছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর অংশ হিসেবে বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে অবসায়নের প্রক্রিয়া শুরু হলেও পুঁজিবাজারের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোকে এই বিশেষ সময় দেওয়া হলো। নিয়ন্ত্রক সংস্থার এই সিদ্ধান্তের ফলে সংকটে থাকা এসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত বিনিয়োগ ও পুঁজিবাজারের কার্যক্রম সাময়িকভাবে সচল থাকবে।




































