ঢাকা ১১:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo বাকৃবি ডিবেটিং সংঘের আংশিক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. শওকত আলী, সাধারণ সম্পাদক মুবিন ‎ Logo নির্বাচনের অনিশ্চয়তার মধ্যেই আগুনে জ্বলছে ইসরাইল Logo পাবিপ্রবিতে বাস থেকে পড়ে ছাত্রী আহত, ৭ দাবিতে প্রশাসনের আশ্বাস ‎ Logo জাবিতে নজরুলের নন্দনতাত্ত্বিক রাজনীতি শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত Logo জাবিতে চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের স্কুল আনন্দশালার ১৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত Logo ইউক্রেনে শান্তির সম্ভাবনা নিয়ে সংশয়, আলোচনার আড়ালে বাড়ছে সংঘাতের শঙ্কা Logo এলপিজির দাম বাড়ানোর প্রস্তাব: ব্যবসায়ীদের কমিশন বৃদ্ধির গণশুনানি Logo শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্টের এমডি হলেন শিবা শানু Logo পর্যটন বাড়াতে হিমালয় ও বঙ্গোপসাগরকে ‘মেলাতে চান’ নেপালের রাষ্ট্রদূত Logo দিল্লিতে অনুষ্ঠেয় এসসিও বৈঠকে পাকিস্তানকে ডাকল ভারত

দিল্লিতে অনুষ্ঠেয় এসসিও বৈঠকে পাকিস্তানকে ডাকল ভারত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে আগামী ২০ থেকে ২২ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশনের (এসসিও) বৈঠকে অংশগ্রহণের জন্য পাকিস্তানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। দেশটির সংস্কৃতিমন্ত্রী ঔরঙ্গজেব খানকে এই সম্মেলনে যোগ দেওয়ার আনুষ্ঠানিক আহ্বান জানিয়েছে আয়োজক দেশ ভারত। পাকিস্তানে ভারতের অপারেশন সিঁদুরের দেড় বছর পর দুই দেশের মধ্যে এটিই প্রথম কোনো সরকারি আমন্ত্রণ। তবে এই বিষয়ে এখন পর্যন্ত পাকিস্তানের সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কেবল পাকিস্তানকেই নয়, বরং এই আন্তর্জাতিক বৈঠকে এসসিও-র সব সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিনিধিকেই আমন্ত্রণ পাঠানো হয়েছে। এটি মূলত একটি বহুপাক্ষিক উদ্যোগ এবং এর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই বলে জানানো হয়েছে। বিষয়টিকে বৃহত্তর ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপট থেকে দেখার পক্ষপাতী নয়াদিল্লি। এর আগে ২০২৩ সালের মে মাসে গোয়ায় অনুষ্ঠিত এসসিও-র পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সম্মেলনে অংশ নিয়েছিল পাকিস্তান। এছাড়া ২০২৪ সালের অক্টোবরে এসসিও কাউন্সিলের বৈঠকে যোগ দিতে পাকিস্তান সফর করেছিলেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।

উল্লেখ্য, কাশ্মীরের পেহেলগামে জঙ্গি হামলা এবং এর জবাবে পাকিস্তানের মাটিতে ভারতের অপারেশন সিঁদুরের পর দুই প্রতিবেশী দেশের সম্পর্ক তলানিতে ঠেকেছে। অপারেশন সিঁদুরের সময় পাকিস্তান ও পাকিস্তান-শাসিত কাশ্মীরের বেশ কয়েকটি জঙ্গিঘাঁটি ধ্বংস করেছিল ভারতীয় সেনারা। এরপর থেকে বিশ্বমঞ্চে সন্ত্রাসবাদ দমনে সবসময় ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণের কথা বলে আসছে ভারত। কিরগিজস্তানের বিশকেকে ২৬তম এসসিও সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী মন্তব্য করেছিলেন যে সন্ত্রাসবাদ কারও কৌশলগত সম্পদ হতে পারে না। অন্যদিকে, আন্তসীমান্ত সন্ত্রাসবাদ নিয়ে ভারতের এই বার্তার পাশাপাশি পাকিস্তানও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভারতের কাশ্মীর নীতি নিয়ে সরব রয়েছে।

দুই দেশের দীর্ঘদিনের এই রাজনৈতিক টানাপড়েন ও বাকযুদ্ধের মাঝেই নয়াদিল্লির আসন্ন এই বহুপাক্ষিক বৈঠকে পাকিস্তানের অংশগ্রহণ নিয়ে কৌতূহল তৈরি হয়েছে। অক্টোবরের সফরে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে পাকিস্তানের মন্ত্রীদের কোনো দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হয়নি। ফলে এবার ভারতের মাটিতে আয়োজিত এসসিও-র এই সংস্কৃতি বিষয়ক আলোচনায় পাকিস্তান শেষ পর্যন্ত কোনো প্রতিনিধি পাঠায় কি না, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

জনপ্রিয়

বাকৃবি ডিবেটিং সংঘের আংশিক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. শওকত আলী, সাধারণ সম্পাদক মুবিন ‎

দিল্লিতে অনুষ্ঠেয় এসসিও বৈঠকে পাকিস্তানকে ডাকল ভারত

প্রকাশিত ০৯:৫২:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে আগামী ২০ থেকে ২২ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশনের (এসসিও) বৈঠকে অংশগ্রহণের জন্য পাকিস্তানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। দেশটির সংস্কৃতিমন্ত্রী ঔরঙ্গজেব খানকে এই সম্মেলনে যোগ দেওয়ার আনুষ্ঠানিক আহ্বান জানিয়েছে আয়োজক দেশ ভারত। পাকিস্তানে ভারতের অপারেশন সিঁদুরের দেড় বছর পর দুই দেশের মধ্যে এটিই প্রথম কোনো সরকারি আমন্ত্রণ। তবে এই বিষয়ে এখন পর্যন্ত পাকিস্তানের সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কেবল পাকিস্তানকেই নয়, বরং এই আন্তর্জাতিক বৈঠকে এসসিও-র সব সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিনিধিকেই আমন্ত্রণ পাঠানো হয়েছে। এটি মূলত একটি বহুপাক্ষিক উদ্যোগ এবং এর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই বলে জানানো হয়েছে। বিষয়টিকে বৃহত্তর ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপট থেকে দেখার পক্ষপাতী নয়াদিল্লি। এর আগে ২০২৩ সালের মে মাসে গোয়ায় অনুষ্ঠিত এসসিও-র পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সম্মেলনে অংশ নিয়েছিল পাকিস্তান। এছাড়া ২০২৪ সালের অক্টোবরে এসসিও কাউন্সিলের বৈঠকে যোগ দিতে পাকিস্তান সফর করেছিলেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।

উল্লেখ্য, কাশ্মীরের পেহেলগামে জঙ্গি হামলা এবং এর জবাবে পাকিস্তানের মাটিতে ভারতের অপারেশন সিঁদুরের পর দুই প্রতিবেশী দেশের সম্পর্ক তলানিতে ঠেকেছে। অপারেশন সিঁদুরের সময় পাকিস্তান ও পাকিস্তান-শাসিত কাশ্মীরের বেশ কয়েকটি জঙ্গিঘাঁটি ধ্বংস করেছিল ভারতীয় সেনারা। এরপর থেকে বিশ্বমঞ্চে সন্ত্রাসবাদ দমনে সবসময় ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণের কথা বলে আসছে ভারত। কিরগিজস্তানের বিশকেকে ২৬তম এসসিও সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী মন্তব্য করেছিলেন যে সন্ত্রাসবাদ কারও কৌশলগত সম্পদ হতে পারে না। অন্যদিকে, আন্তসীমান্ত সন্ত্রাসবাদ নিয়ে ভারতের এই বার্তার পাশাপাশি পাকিস্তানও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভারতের কাশ্মীর নীতি নিয়ে সরব রয়েছে।

দুই দেশের দীর্ঘদিনের এই রাজনৈতিক টানাপড়েন ও বাকযুদ্ধের মাঝেই নয়াদিল্লির আসন্ন এই বহুপাক্ষিক বৈঠকে পাকিস্তানের অংশগ্রহণ নিয়ে কৌতূহল তৈরি হয়েছে। অক্টোবরের সফরে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে পাকিস্তানের মন্ত্রীদের কোনো দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হয়নি। ফলে এবার ভারতের মাটিতে আয়োজিত এসসিও-র এই সংস্কৃতি বিষয়ক আলোচনায় পাকিস্তান শেষ পর্যন্ত কোনো প্রতিনিধি পাঠায় কি না, সেটাই এখন দেখার বিষয়।