ঢাকা ০২:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

সাইবার হামলা: যুক্তরাষ্ট্রে ভোটের প্রচারের খরচ প্রকাশ বন্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ইলেকশন কমিশন বা এফইসির প্রচার ব্যয়সংক্রান্ত ই-ফাইলিং সেবা সাইবার হামলার মুখে পড়ে সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। মধ্যবর্তী নির্বাচনের ঠিক আগের সপ্তাহে এই হ্যাকিংয়ের ঘটনা ঘটে, যার ফলে রাজনৈতিক দলগুলোর খরচের বিবরণী প্রকাশ আটকে গেছে। অভ্যন্তরীণ একটি ইমেইলের সূত্র ধরে রয়টার্স জানিয়েছে যে, সাইবার নিরাপত্তার স্বার্থে এই সেবা স্থগিত রাখা হয়েছে।

মার্কিন কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নির্ধারণকারী এই নির্বাচনের শেষ মুহূর্তে দলগুলো রেকর্ড পরিমাণ অর্থ ব্যয় করছে। ডার্ক মানি গোষ্ঠী ও সুপার প্যাকগুলোর অতিরিক্ত খরচের তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশের পথ এই সাইবার বিভ্রাটের কারণে বন্ধ রয়েছে। তবে নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে, সরাসরি ভোটগ্রহণের প্রক্রিয়ার সঙ্গে এই সিস্টেমের কোনো সম্পর্ক নেই।

এমবিএ কনসাল্টিং গ্রুপের প্রধান নির্বাহী স্টিভেন মিলি মন্তব্য করেছেন যে, ২৬ বছরের পেশাগত জীবনে তিনি এমন নজিরবিহীন ঘটনার মুখোমুখি হননি। ওপেনসিক্রেটস সংস্থার গবেষণা পরিচালক ব্রেনডান গ্লাভিন জানান, শেষ মুহূর্তে ভোটারদের অর্থের উৎস থেকে অন্ধকারে রাখা অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয়। এফবিআই ও সাইবার সিকিউরিটি অ্যান্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচার সিকিউরিটি এজেন্সি এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

এদিকে এবারের মধ্যবর্তী নির্বাচন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে ব্যয়বহুল নির্বাচনের রেকর্ড গড়েছে। বিজ্ঞাপন ও প্রচারের খরচ বাবদ ইতিমধ্যে প্রায় এক হাজার ১২১ কোটি ডলার খরচ হয়েছে। প্রযুক্তি কর্মীরা সিস্টেম সচল করতে কাজ করলেও রাজনৈতিক দলগুলো ২৪ ও ৪৮ ঘণ্টার জরুরি বিবরণী জমা দিতে পারছে না।

জনপ্রিয়

জগদীশচন্দ্র বসু: প্রথম বাঙালি সায়েন্স ফিকশন লেখক

সাইবার হামলা: যুক্তরাষ্ট্রে ভোটের প্রচারের খরচ প্রকাশ বন্ধ

প্রকাশিত ০১:৩৭:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ইলেকশন কমিশন বা এফইসির প্রচার ব্যয়সংক্রান্ত ই-ফাইলিং সেবা সাইবার হামলার মুখে পড়ে সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। মধ্যবর্তী নির্বাচনের ঠিক আগের সপ্তাহে এই হ্যাকিংয়ের ঘটনা ঘটে, যার ফলে রাজনৈতিক দলগুলোর খরচের বিবরণী প্রকাশ আটকে গেছে। অভ্যন্তরীণ একটি ইমেইলের সূত্র ধরে রয়টার্স জানিয়েছে যে, সাইবার নিরাপত্তার স্বার্থে এই সেবা স্থগিত রাখা হয়েছে।

মার্কিন কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নির্ধারণকারী এই নির্বাচনের শেষ মুহূর্তে দলগুলো রেকর্ড পরিমাণ অর্থ ব্যয় করছে। ডার্ক মানি গোষ্ঠী ও সুপার প্যাকগুলোর অতিরিক্ত খরচের তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশের পথ এই সাইবার বিভ্রাটের কারণে বন্ধ রয়েছে। তবে নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে, সরাসরি ভোটগ্রহণের প্রক্রিয়ার সঙ্গে এই সিস্টেমের কোনো সম্পর্ক নেই।

এমবিএ কনসাল্টিং গ্রুপের প্রধান নির্বাহী স্টিভেন মিলি মন্তব্য করেছেন যে, ২৬ বছরের পেশাগত জীবনে তিনি এমন নজিরবিহীন ঘটনার মুখোমুখি হননি। ওপেনসিক্রেটস সংস্থার গবেষণা পরিচালক ব্রেনডান গ্লাভিন জানান, শেষ মুহূর্তে ভোটারদের অর্থের উৎস থেকে অন্ধকারে রাখা অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয়। এফবিআই ও সাইবার সিকিউরিটি অ্যান্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচার সিকিউরিটি এজেন্সি এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

এদিকে এবারের মধ্যবর্তী নির্বাচন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে ব্যয়বহুল নির্বাচনের রেকর্ড গড়েছে। বিজ্ঞাপন ও প্রচারের খরচ বাবদ ইতিমধ্যে প্রায় এক হাজার ১২১ কোটি ডলার খরচ হয়েছে। প্রযুক্তি কর্মীরা সিস্টেম সচল করতে কাজ করলেও রাজনৈতিক দলগুলো ২৪ ও ৪৮ ঘণ্টার জরুরি বিবরণী জমা দিতে পারছে না।