ঢাকা ০৬:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo আগামীতে স্কুল-মাদ্রাসার বোর্ড পরীক্ষা একই প্রশ্নে হবে: শিক্ষামন্ত্রী Logo স্কুলে মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা জরুরি Logo নির্বাচনের পরও অনিশ্চয়তা, ফের ভোটের পথে ইসরাইল? Logo অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের কেন্দ্রে মানবাধিকার রাখতে হবে: জাতিসংঘে আইরিন খান Logo ব্যর্থতাই কি সফলতার আসল চাবিকাঠি? Logo ঢাকার ২১ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘ক্লিন স্কুল টিম’ কার্যক্রম শুরু Logo বাংলাদেশ এখন আর সাহায্য নয়, বিনিয়োগ চায়: রাষ্ট্রপতি Logo অবৈধ সম্পদ: সাবেক সহকারী কর কমিশনার শ্যামলের ৫ বছরের কারাদণ্ড Logo নেপালের নাট্যোৎসবে অংশ নিচ্ছে ‘হিরণ কিরণ থিয়েটার’ Logo ২০৩৪ সালের মধ্যে ১ ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত হবে বাংলাদেশের জিডিপি: প্রধানমন্ত্রী

নির্বাচনের পরও অনিশ্চয়তা, ফের ভোটের পথে ইসরাইল?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইসরাইলের সংসদ নির্বাচনে কোনো পক্ষ একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে না পারায় দেশটিতে নতুন রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী গাদি আইজেনকোটের নেতৃত্বাধীন কোনো শিবিরই সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় আসন নিশ্চিত করতে পারেনি। ফলে সরকার গঠন নিয়ে দীর্ঘ দরকষাকষির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে এবং দলগুলো সমঝোতায় পৌঁছাতে ব্যর্থ হলে আবারও নির্বাচন হতে পারে।

নির্বাচনের প্রাথমিক ফলাফলে আরব নেতৃত্বাধীন দলগুলোর উল্লেখযোগ্য আসন পাওয়ার সম্ভাবনা দেখা গেছে, যা সরকার গঠনের সমীকরণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। তবে নেতানিয়াহু ও তাঁর সহযোগীরা শুরু থেকেই আরব দলগুলোর সমর্থনের বিষয়ে অনীহা প্রকাশ করে আসছেন। অন্যদিকে, বিরোধী শিবিরও এসব দলের সঙ্গে জোট গঠনের বিষয়ে বিভিন্ন শর্ত ও দ্বিধার মধ্যে রয়েছে।

ভোট গণনা চলার মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নেতানিয়াহুর নির্বাচনী পারফরম্যান্সের প্রশংসা করে জানিয়েছেন যে তিনি বেশ ভালো করেছেন। প্রচারের শেষ পর্যায়ে ট্রাম্প প্রকাশ্যে নেতানিয়াহুকে সমর্থন জানিয়েছিলেন, যা এই প্রতিযোগিতাপূর্ণ নির্বাচনে প্রভাব ফেলেছে বলে আলোচনা চলছে। এদিকে নির্বাচনের রাতে দেওয়া ভাষণে নেতানিয়াহু তাঁর সরকারের সামরিক অর্জন তুলে ধরার পাশাপাশি ইরানের শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

উল্লেখ্য যে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামলা এবং এর পরবর্তী আঞ্চলিক যুদ্ধ এবারের নির্বাচনে দারুণভাবে প্রভাব ফেলেছে এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে ভোটারদের মধ্যে তীব্র বিভাজন দেখা গেছে। চূড়ান্ত ফল প্রকাশের পর ইসরাইলের প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হার্জ দলগুলোর সঙ্গে পরামর্শ করে সরকার গঠনের দায়িত্ব দেবেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় সমর্থন নিশ্চিত করা না গেলে পার্লামেন্ট ভেঙে দিয়ে নতুন নির্বাচনের পথ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

জনপ্রিয়

আগামীতে স্কুল-মাদ্রাসার বোর্ড পরীক্ষা একই প্রশ্নে হবে: শিক্ষামন্ত্রী

নির্বাচনের পরও অনিশ্চয়তা, ফের ভোটের পথে ইসরাইল?

প্রকাশিত ০৬:০৭:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইসরাইলের সংসদ নির্বাচনে কোনো পক্ষ একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে না পারায় দেশটিতে নতুন রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী গাদি আইজেনকোটের নেতৃত্বাধীন কোনো শিবিরই সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় আসন নিশ্চিত করতে পারেনি। ফলে সরকার গঠন নিয়ে দীর্ঘ দরকষাকষির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে এবং দলগুলো সমঝোতায় পৌঁছাতে ব্যর্থ হলে আবারও নির্বাচন হতে পারে।

নির্বাচনের প্রাথমিক ফলাফলে আরব নেতৃত্বাধীন দলগুলোর উল্লেখযোগ্য আসন পাওয়ার সম্ভাবনা দেখা গেছে, যা সরকার গঠনের সমীকরণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। তবে নেতানিয়াহু ও তাঁর সহযোগীরা শুরু থেকেই আরব দলগুলোর সমর্থনের বিষয়ে অনীহা প্রকাশ করে আসছেন। অন্যদিকে, বিরোধী শিবিরও এসব দলের সঙ্গে জোট গঠনের বিষয়ে বিভিন্ন শর্ত ও দ্বিধার মধ্যে রয়েছে।

ভোট গণনা চলার মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নেতানিয়াহুর নির্বাচনী পারফরম্যান্সের প্রশংসা করে জানিয়েছেন যে তিনি বেশ ভালো করেছেন। প্রচারের শেষ পর্যায়ে ট্রাম্প প্রকাশ্যে নেতানিয়াহুকে সমর্থন জানিয়েছিলেন, যা এই প্রতিযোগিতাপূর্ণ নির্বাচনে প্রভাব ফেলেছে বলে আলোচনা চলছে। এদিকে নির্বাচনের রাতে দেওয়া ভাষণে নেতানিয়াহু তাঁর সরকারের সামরিক অর্জন তুলে ধরার পাশাপাশি ইরানের শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

উল্লেখ্য যে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামলা এবং এর পরবর্তী আঞ্চলিক যুদ্ধ এবারের নির্বাচনে দারুণভাবে প্রভাব ফেলেছে এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে ভোটারদের মধ্যে তীব্র বিভাজন দেখা গেছে। চূড়ান্ত ফল প্রকাশের পর ইসরাইলের প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হার্জ দলগুলোর সঙ্গে পরামর্শ করে সরকার গঠনের দায়িত্ব দেবেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় সমর্থন নিশ্চিত করা না গেলে পার্লামেন্ট ভেঙে দিয়ে নতুন নির্বাচনের পথ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।