অপরাধ ডেস্ক: জরুরি চিকিৎসার অজুহাতে এক তরুণ চিকিৎসককে আবাসিক ফ্ল্যাটে ডেকে নিয়ে মারধর করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভারতের কেরালা রাজ্যের কোচি শহরে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটি ঘটে। ভুক্তভোগী চিকিৎসকের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ইতোমধ্যে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। অভিযুক্তদের মধ্যে বিনোদন জগতের পরিচিত দুই অভিনয়শিল্পীও রয়েছেন। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, একটি সংঘবদ্ধ চক্র পরিকল্পিতভাবে এই অপরাধ সংঘটিত করেছে।
মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, সম্প্রতি সকালে অভিনেত্রী অতুল্যা চন্দ্র এবং অভিনেতা-প্রযোজক বিবিন পেরুম্বিল্লি এক রোগীর জরুরি চিকিৎসার কথা বলে চিকিৎসককে ডেকে পাঠান। কোচির একটি নির্দিষ্ট অ্যাপার্টমেন্টে পৌঁছানোর পর চিকিৎসক সেখানে ১২ জনের উপস্থিতি দেখতে পান। এরপর আসামিরা ভুক্তভোগীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করার হুমকি দিতে শুরু করেন। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে ওই চিকিৎসক প্রতিবাদ করলে শুরু হয় শারীরিক নির্যাতন।
অভিযোগ অনুযায়ী, অভিনেতা বিবিন ও তার সহযোগীরা চিকিৎসককে চড় মারেন এবং একটি চেয়ারে বসিয়ে পাঁজরে আঘাত করেন। একপর্যায়ে অভিনেত্রী অতুল্যা চন্দ্র চিকিৎসকের মুঠোফোন, স্মার্টওয়াচ এবং ওয়্যারলেস ইয়ারফোন জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেন। আসামিরা পরস্পর যোগসাজশ করে তাকে একটি ঘরে অবরুদ্ধ করে রাখেন এবং প্রাণনাশের হুমকি দেন। ভুক্তভোগীর আনুমানিক সাড়ে তিন লাখ টাকার মূল্যের মালামাল এভাবে ছিনিয়ে নেওয়া হয়।
যেকোনো উপায়ে ওই ফ্ল্যাট থেকে পালিয়ে এসে চিকিৎসক স্থানীয় কদাভান্তরা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনায় জড়িত বাকী নয়জন সহযোগীর পরিচয় ইতোমধ্যে নিশ্চিত করা হয়েছে। তাদের আইনের আওতায় আনতে বর্তমানে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। কেবল ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে নাকি অন্য কোনো উদ্দেশ্যে এই হামলা চালানো হয়েছে, তা গভীরভাবে খতিয়ে দেখছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।




































