ঢাকা ১১:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬

কোকেন সেবন করে নিষেধাজ্ঞা কাটিয়েছেন ক্রিস লিন

খেলা ডেস্ক: ইংল্যান্ডের ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থার ডোপিং টেস্টে নিষিদ্ধ মাদক কোকেন সেবনের বিষয়টি ধরা পড়ার পর এক মাসের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার ক্রিস লিন। গত জুলাই ও অগাস্ট মাসে ঘটে যাওয়া এই ঘটনাটি সম্প্রতি প্রকাশ করেছে দেশটির ক্রিকেট কর্তৃপক্ষ। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের পরিচিত মুখ এই ব্যাটার শাস্তির অংশ হিসেবে একটি পুনর্বাসন কর্মসূচিতেও অংশগ্রহণ করেছেন। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সীমিত সুযোগ পেলেও বিশ্বের বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে নিয়মিত খেলে আসছেন অভিজ্ঞ এই ক্রিকেটার।

ঘটনার সূত্রপাত হয় গত ১৮ জুলাই ইংল্যান্ডের টি-টোয়েন্টি ব্লাস্টের ফাইনালস ডে চলাকালীন সময়ে সাধারণ একটি ডোপিং-বিরোধী পরীক্ষার মাধ্যমে। সেই ম্যাচে নর্থ্যাম্পটনশায়ারের হয়ে খেলার পর ৩৬ বছর বয়সী এই তারকার মূত্রের নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয় ফ্রান্সের একটি পরীক্ষাগারে। পরবর্তীতে সেই নমুনা বিশ্লেষণে কোকেনের একটি মেটাবোলাইট বেনজোইলেকগোনিনের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়। এর পরপরই লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগে খেলতে শ্রীলঙ্কায় গেলেও পায়ের চোটের কারণে তিনি দ্রুত টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে পড়েন।

চোট নিয়ে দেশে ফেরার ঠিক দুই দিন পর ইংল্যান্ডের ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থা তাকে ডোপিং পরীক্ষার ফল সম্পর্কে জানিয়ে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করে। লিন পরবর্তীতে কর্তৃপক্ষকে জানান যে, তিনি গত ১৫ জুলাইয়ের সন্ধ্যা থেকে ১৬ জুলাইয়ের ভোরের মধ্যে অল্প সময়ের জন্য কোকেন ব্যবহার করেছিলেন। গ্লস্টারশায়ারের বিরুদ্ধে কোয়ার্টার-ফাইনাল ম্যাচে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়ার পরের সময়টিতেই তিনি এই মাদক সেবন করেছিলেন বলে দাবি করেন। ইংল্যান্ডের নিয়ন্ত্রক সংস্থা তার এই দাবি মেনে নেয় যে মাদক ব্যবহারটি প্রতিযোগিতার বাইরে ঘটেছিল এবং এর সাথে ক্রীড়া নৈপুণ্যের কোনো সম্পর্ক ছিল না।

প্রাথমিকভাবে ইসিবির ডোপিং-বিরোধী আইনের দুটি ধারায় লিনকে অভিযুক্ত করা হলেও পরে একটি অভিযোগ প্রত্যাহার করা হয়। কারণ হিসেবে জানানো হয়, তার মূত্রের নমুনায় কোকেনের মাত্রা ওয়ার্ল্ড অ্যান্টি-ডোপিং অথোরিটির নির্ধারিত সর্বনিম্ন সীমার নিচে ছিল। নিয়ন্ত্রক সংস্থা তাকে তিন মাস নিষিদ্ধ করতে চাইলেও তিনি একটি মাদকাসক্তি চিকিৎসা কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন করায় সেই শাস্তি কমিয়ে এক মাস করা হয়। গত ৩০ আগস্ট তার এই এক মাসের সাময়িকভাবে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা শেষ হয়েছে বলে গণ্য করা হয়।

জনপ্রিয়

কোকেন সেবন করে নিষেধাজ্ঞা কাটিয়েছেন ক্রিস লিন

কোকেন সেবন করে নিষেধাজ্ঞা কাটিয়েছেন ক্রিস লিন

প্রকাশিত ১০:৫২:১৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬

খেলা ডেস্ক: ইংল্যান্ডের ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থার ডোপিং টেস্টে নিষিদ্ধ মাদক কোকেন সেবনের বিষয়টি ধরা পড়ার পর এক মাসের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার ক্রিস লিন। গত জুলাই ও অগাস্ট মাসে ঘটে যাওয়া এই ঘটনাটি সম্প্রতি প্রকাশ করেছে দেশটির ক্রিকেট কর্তৃপক্ষ। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের পরিচিত মুখ এই ব্যাটার শাস্তির অংশ হিসেবে একটি পুনর্বাসন কর্মসূচিতেও অংশগ্রহণ করেছেন। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সীমিত সুযোগ পেলেও বিশ্বের বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে নিয়মিত খেলে আসছেন অভিজ্ঞ এই ক্রিকেটার।

ঘটনার সূত্রপাত হয় গত ১৮ জুলাই ইংল্যান্ডের টি-টোয়েন্টি ব্লাস্টের ফাইনালস ডে চলাকালীন সময়ে সাধারণ একটি ডোপিং-বিরোধী পরীক্ষার মাধ্যমে। সেই ম্যাচে নর্থ্যাম্পটনশায়ারের হয়ে খেলার পর ৩৬ বছর বয়সী এই তারকার মূত্রের নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয় ফ্রান্সের একটি পরীক্ষাগারে। পরবর্তীতে সেই নমুনা বিশ্লেষণে কোকেনের একটি মেটাবোলাইট বেনজোইলেকগোনিনের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়। এর পরপরই লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগে খেলতে শ্রীলঙ্কায় গেলেও পায়ের চোটের কারণে তিনি দ্রুত টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে পড়েন।

চোট নিয়ে দেশে ফেরার ঠিক দুই দিন পর ইংল্যান্ডের ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থা তাকে ডোপিং পরীক্ষার ফল সম্পর্কে জানিয়ে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করে। লিন পরবর্তীতে কর্তৃপক্ষকে জানান যে, তিনি গত ১৫ জুলাইয়ের সন্ধ্যা থেকে ১৬ জুলাইয়ের ভোরের মধ্যে অল্প সময়ের জন্য কোকেন ব্যবহার করেছিলেন। গ্লস্টারশায়ারের বিরুদ্ধে কোয়ার্টার-ফাইনাল ম্যাচে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়ার পরের সময়টিতেই তিনি এই মাদক সেবন করেছিলেন বলে দাবি করেন। ইংল্যান্ডের নিয়ন্ত্রক সংস্থা তার এই দাবি মেনে নেয় যে মাদক ব্যবহারটি প্রতিযোগিতার বাইরে ঘটেছিল এবং এর সাথে ক্রীড়া নৈপুণ্যের কোনো সম্পর্ক ছিল না।

প্রাথমিকভাবে ইসিবির ডোপিং-বিরোধী আইনের দুটি ধারায় লিনকে অভিযুক্ত করা হলেও পরে একটি অভিযোগ প্রত্যাহার করা হয়। কারণ হিসেবে জানানো হয়, তার মূত্রের নমুনায় কোকেনের মাত্রা ওয়ার্ল্ড অ্যান্টি-ডোপিং অথোরিটির নির্ধারিত সর্বনিম্ন সীমার নিচে ছিল। নিয়ন্ত্রক সংস্থা তাকে তিন মাস নিষিদ্ধ করতে চাইলেও তিনি একটি মাদকাসক্তি চিকিৎসা কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন করায় সেই শাস্তি কমিয়ে এক মাস করা হয়। গত ৩০ আগস্ট তার এই এক মাসের সাময়িকভাবে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা শেষ হয়েছে বলে গণ্য করা হয়।