ঢাকা ০৪:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬

‘উপযুক্ত সময়ের’ অপেক্ষা নয়: যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তির তাগিদ কাতারের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানকে কোনো উপযুক্ত মুহূর্তের অপেক্ষা না করে অবিলম্বে শান্তিচুক্তির মাধ্যমে চলমান সংঘাতের ইতি টানার আহ্বান জানিয়েছে কাতার। সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত এক মতবিনিময় অনুষ্ঠানে কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আব্দুলরহমান বিন জাসিম আল থানি এই আহ্বান জানান। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন যে, শতভাগ নিখুঁত কোনো শান্তিচুক্তি পাওয়া সম্ভব নয় এবং সেই আদর্শ সময়ের জন্য দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করাও বোকামি হবে।

মধ্যপ্রাচ্যের দেশটির শীর্ষ এই নেতার পক্ষ থেকে কূটনীতির এমন জোর তাগিদ এল যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পও তেহরানের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সম্প্রতি সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প জানান যে ইরানের সঙ্গে তাদের আলোচনা বেশ ভালোভাবেই এগিয়ে চলছে। মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির বিপর্যয়ের পর তেহরানের প্রতি দেশটির পূর্বের কঠোর অবস্থান কিছুটা নমনীয় হয়েছে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা।

ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান যে যুদ্ধ আরও দীর্ঘায়িত বা বিস্তৃত হবে কি না, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত শিগগিরই গ্রহণ করা হবে। তিনি আরও যোগ করেন যে পরিস্থিতি সাপেক্ষে তিনি পুরো দেশ ধ্বংস করতে চান না, তবে প্রয়োজনে তাকে তেমন কঠোর সিদ্ধান্তও নিতে হতে পারে। যুদ্ধের মারাত্মক পরিণতির কথা তুলে ধরে ট্রাম্প বলেন যে বড় ধরনের ধ্বংসযজ্ঞ ঘটলে দেশটির পুনর্গঠনে কমপক্ষে পঁচিশ বছর সময় লেগে যেতে পারে।

এদিকে ফক্স নিউজের প্রতিবেদনে মার্কিন প্রশাসনের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের বরাতে জানানো হয়েছে যে, ইরানে নতুন করে সামরিক অভিযান চালানো হবে কি না তা নিয়ে হোয়াইট হাউজে জাতীয় নিরাপত্তা দলের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছেন ট্রাম্প। ওই সংবাদ মাধ্যমটি জানিয়েছে যে আগামী নয় নভেম্বর পশ্চিম এশিয়ায় অমাবস্যা থাকায় আকাশে চাঁদের আলো থাকবে না, যা কৌশলগতভাবে সামরিক অভিযান পরিচালনার জন্য অত্যন্ত সুবিধাজনক।

জনপ্রিয়

তিন বছর ধরে রেলস্টেশনই শিশুর ঠিকানা

‘উপযুক্ত সময়ের’ অপেক্ষা নয়: যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তির তাগিদ কাতারের

প্রকাশিত ০৩:২২:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানকে কোনো উপযুক্ত মুহূর্তের অপেক্ষা না করে অবিলম্বে শান্তিচুক্তির মাধ্যমে চলমান সংঘাতের ইতি টানার আহ্বান জানিয়েছে কাতার। সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত এক মতবিনিময় অনুষ্ঠানে কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আব্দুলরহমান বিন জাসিম আল থানি এই আহ্বান জানান। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন যে, শতভাগ নিখুঁত কোনো শান্তিচুক্তি পাওয়া সম্ভব নয় এবং সেই আদর্শ সময়ের জন্য দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করাও বোকামি হবে।

মধ্যপ্রাচ্যের দেশটির শীর্ষ এই নেতার পক্ষ থেকে কূটনীতির এমন জোর তাগিদ এল যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পও তেহরানের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সম্প্রতি সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প জানান যে ইরানের সঙ্গে তাদের আলোচনা বেশ ভালোভাবেই এগিয়ে চলছে। মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির বিপর্যয়ের পর তেহরানের প্রতি দেশটির পূর্বের কঠোর অবস্থান কিছুটা নমনীয় হয়েছে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা।

ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান যে যুদ্ধ আরও দীর্ঘায়িত বা বিস্তৃত হবে কি না, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত শিগগিরই গ্রহণ করা হবে। তিনি আরও যোগ করেন যে পরিস্থিতি সাপেক্ষে তিনি পুরো দেশ ধ্বংস করতে চান না, তবে প্রয়োজনে তাকে তেমন কঠোর সিদ্ধান্তও নিতে হতে পারে। যুদ্ধের মারাত্মক পরিণতির কথা তুলে ধরে ট্রাম্প বলেন যে বড় ধরনের ধ্বংসযজ্ঞ ঘটলে দেশটির পুনর্গঠনে কমপক্ষে পঁচিশ বছর সময় লেগে যেতে পারে।

এদিকে ফক্স নিউজের প্রতিবেদনে মার্কিন প্রশাসনের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের বরাতে জানানো হয়েছে যে, ইরানে নতুন করে সামরিক অভিযান চালানো হবে কি না তা নিয়ে হোয়াইট হাউজে জাতীয় নিরাপত্তা দলের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছেন ট্রাম্প। ওই সংবাদ মাধ্যমটি জানিয়েছে যে আগামী নয় নভেম্বর পশ্চিম এশিয়ায় অমাবস্যা থাকায় আকাশে চাঁদের আলো থাকবে না, যা কৌশলগতভাবে সামরিক অভিযান পরিচালনার জন্য অত্যন্ত সুবিধাজনক।