ঢাকা ১০:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo সাত কলেজের সংকট নিরসনে অধ্যাদেশই একমাত্র সমাধান: কবি নজরুল কলেজ ছাত্রশিবির Logo কুবিতে মুরাদনগর ছাত্র কল্যাণ পরিষদের নবীনবরণ ও মিলনমেলা Logo ঢাকেবির অধ্যাদেশের পক্ষে চার ছাত্র সংগঠনের সংহতি প্রকাশ Logo ১৮ স্কুলের অর্ধশতাধিক সুবিধাবঞ্চিত শিশুকে ইবিস্থ ফুলকুঁড়ি তারারমেলার উষ্ণবস্ত্র উপহার  Logo সরস্বতীপূজার ব্যানার ‘ভুলবশত’ খুলে ফেলেন, দাবি জাবি কর্মচারীর Logo জাবিতে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে ‘তরী’র শীতবস্ত্র বিতরণ  Logo জাবিস্থ মাদারীপুর জেলা ছাত্র সংসদের নেতৃত্বে রিমন-জাহিদ Logo ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাদেশ জারির দাবিতে সোমবার শিক্ষার্থীদের গণজমায়েত Logo র‌্যাব-১০ এর অভিযানে ৫০ বোতল ফেনসিডিলসহ নারী মাদক ব্যবসায়ী আটক Logo জাবিতে ‘তারুণ্যের চোখে আগামী নির্বাচন ও গণভোট’ শীর্ষক সেমিনার

ঢাবিতে জুলাই অভ্যুত্থান নিয়ে তরুণ লেখক ফোরামের তথ্য চিত্র প্রদর্শনী

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরামের উদ্যোগে ‘সংবাদ মাধ্যমের পাতায় পাতায় জুলাই গনঅভ্যুত্থান’ শীর্ষক দুই দিনব্যাপী তথ্যচিত্র প্রদর্শনী শুরু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারী) বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি মাঠে
দুপুর ১২ টার দিকে প্রদর্শনীটির উদ্বোধন করেন ঢাবি প্রক্টর
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমদ।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগের চেয়ারম্যান ড. সাজ্জাদ সিদ্দিকী, সেন্টার ফর বেঙ্গল স্টাডিজের মাসুদুর রহমান, লেখক ফোরামের উপদেষ্টা ফয়সাল আহাম্মদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনারুল ইসলামসহ ফোরামের কেন্দ্রীয় ও বিভিন্ন শাখার সদস্যরা। সেন্টার ফর বেঙ্গল স্টাডিজের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত এই প্রদর্শনী চলবে আগামীকাল শুক্রবার পর্যন্ত।

সারাদেশে চলা ৩৬ জুলাই ব্যাপী (২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট অবধি) গনঅভ্যুত্থান সংক্রান্ত পত্রিকার সংবাদ, ছবি ইত্যাদির কাটিং এতে প্রদর্শিত হয়েছে। ঢাকাসহ প্রতিটি জেলায় সংগঠিত জুলাই বিপ্লবের স্থিরচিত্রও স্থান পেয়েছে প্রদর্শনীতে।

প্রদর্শনীতে প্রথম আলো, মানবজমিন, নিউ নেশন, যুগান্তর, সংগ্রাম, নয়া দিগন্ত, ইত্তেফাক, সমকাল, ইনকিলাব দেশ রূপান্তরসহ একাধিক মুলধারার সংবাদপত্রে প্রকাশিত জুলাই বিপ্লবের সময়ের উল্লেখযোগ্য সকল খবর স্থান পেয়েছে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরামের প্রচার সম্পাদক ও এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক আবিদ হাসান রাফি বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সংবাদ মাধ্যমগুলোর গুরুত্বগুলো নিয়ে পাবলিক পরিসরে আলাপ হচ্ছে না। যখন ইন্টারনেট শাট ডাউন ছিল তখন পত্রিকা থেকেই আমরা আন্দোলনের সার্বিক বিষয়ে জানতে পারতাম। পত্রিকাগুলো এই গণ অভ্যুত্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। পত্রিকাগুলোর এই অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্যই মূলত আমাদের এ আয়োজন।

ফোরামের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ইমরান উদ্দিন বলেন, জুলাইকে ডকুমেন্টেশনের আওতায় বনার জন্য আমাদের এই উদ্দ্যোগ। মানুষ যেন এগুলো থেকে তাদের জুলাইয়ের স্মৃতিকে চাঙ্গা করতে পারে তারই চেস্টা করা হয়েছে। সংবাদের পাশাপাশি আমরা হৃদয়কাড়া ছবিও প্রদর্শন করছি।

কেন্দ্রীয় সভাপতি আমজাদ হোসেন হৃদয় বলেন, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে সংবাদমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। বিশেষ করে জাতীয় পত্রিকাগুলো পরিস্থিতি জানার অন্যতম মাধ্যম ছিল। সেসময়ের পত্রিকায় জুলাইয়ের অনেক স্মৃতি সংগৃহীত আছে। এছাড়া জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে কোন সংবাদমাধ্যম কী প্রচার করছে, কীভাবে প্রচার করছে, এর পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণ উঠে আসবে এই প্রদর্শনীর মাধ্যমে। জুলাইয়ের স্মৃতিকে অম্লান রাখতেই বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম এমন আয়োজন করেছে।

এ বিষয়ে ঢাবি প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক সাইফুদ্দিন আহমদ বলেন, অনেকে অভ্যুত্থান বলে আমি বলি বিপ্লব। এখানে শুধু ক্ষমতা নয় একটা ধারার পরিবর্তন হয়েছে। এটাকে আমি নতুন বাংলার রেঁনেসা বলি। আমাদের প্রজন্ম এটার সাথে যত খাপ খাওয়াতে পারবে ততই বিপ্লব সুসংহত হবে। আমাদের প্রজন্ম ও তরুন প্রজন্মে একটা গ্যাপ আছে। আমরা তরুনদের ভাবনাকে বুঝতে পারছি না। এ ধরনের আয়োজন যত বেশি হবে তত আমাদের জন্য তরুনদেরকে বুঝা সহজ হবে। আর এই আয়োজন ডকুমেন্টশন এর কাজ করে। একটা ইতিহাসকে বাঁচিয়ে রাখে। এ ধরনের আয়োজন ব্যতীত বিপ্লব বেহাত হয়ে যাবে।

জনপ্রিয়

সাত কলেজের সংকট নিরসনে অধ্যাদেশই একমাত্র সমাধান: কবি নজরুল কলেজ ছাত্রশিবির

ঢাবিতে জুলাই অভ্যুত্থান নিয়ে তরুণ লেখক ফোরামের তথ্য চিত্র প্রদর্শনী

প্রকাশিত ০৪:১১:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৫

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরামের উদ্যোগে ‘সংবাদ মাধ্যমের পাতায় পাতায় জুলাই গনঅভ্যুত্থান’ শীর্ষক দুই দিনব্যাপী তথ্যচিত্র প্রদর্শনী শুরু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারী) বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি মাঠে
দুপুর ১২ টার দিকে প্রদর্শনীটির উদ্বোধন করেন ঢাবি প্রক্টর
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমদ।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগের চেয়ারম্যান ড. সাজ্জাদ সিদ্দিকী, সেন্টার ফর বেঙ্গল স্টাডিজের মাসুদুর রহমান, লেখক ফোরামের উপদেষ্টা ফয়সাল আহাম্মদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনারুল ইসলামসহ ফোরামের কেন্দ্রীয় ও বিভিন্ন শাখার সদস্যরা। সেন্টার ফর বেঙ্গল স্টাডিজের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত এই প্রদর্শনী চলবে আগামীকাল শুক্রবার পর্যন্ত।

সারাদেশে চলা ৩৬ জুলাই ব্যাপী (২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট অবধি) গনঅভ্যুত্থান সংক্রান্ত পত্রিকার সংবাদ, ছবি ইত্যাদির কাটিং এতে প্রদর্শিত হয়েছে। ঢাকাসহ প্রতিটি জেলায় সংগঠিত জুলাই বিপ্লবের স্থিরচিত্রও স্থান পেয়েছে প্রদর্শনীতে।

প্রদর্শনীতে প্রথম আলো, মানবজমিন, নিউ নেশন, যুগান্তর, সংগ্রাম, নয়া দিগন্ত, ইত্তেফাক, সমকাল, ইনকিলাব দেশ রূপান্তরসহ একাধিক মুলধারার সংবাদপত্রে প্রকাশিত জুলাই বিপ্লবের সময়ের উল্লেখযোগ্য সকল খবর স্থান পেয়েছে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরামের প্রচার সম্পাদক ও এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক আবিদ হাসান রাফি বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সংবাদ মাধ্যমগুলোর গুরুত্বগুলো নিয়ে পাবলিক পরিসরে আলাপ হচ্ছে না। যখন ইন্টারনেট শাট ডাউন ছিল তখন পত্রিকা থেকেই আমরা আন্দোলনের সার্বিক বিষয়ে জানতে পারতাম। পত্রিকাগুলো এই গণ অভ্যুত্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। পত্রিকাগুলোর এই অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্যই মূলত আমাদের এ আয়োজন।

ফোরামের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ইমরান উদ্দিন বলেন, জুলাইকে ডকুমেন্টেশনের আওতায় বনার জন্য আমাদের এই উদ্দ্যোগ। মানুষ যেন এগুলো থেকে তাদের জুলাইয়ের স্মৃতিকে চাঙ্গা করতে পারে তারই চেস্টা করা হয়েছে। সংবাদের পাশাপাশি আমরা হৃদয়কাড়া ছবিও প্রদর্শন করছি।

কেন্দ্রীয় সভাপতি আমজাদ হোসেন হৃদয় বলেন, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে সংবাদমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। বিশেষ করে জাতীয় পত্রিকাগুলো পরিস্থিতি জানার অন্যতম মাধ্যম ছিল। সেসময়ের পত্রিকায় জুলাইয়ের অনেক স্মৃতি সংগৃহীত আছে। এছাড়া জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে কোন সংবাদমাধ্যম কী প্রচার করছে, কীভাবে প্রচার করছে, এর পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণ উঠে আসবে এই প্রদর্শনীর মাধ্যমে। জুলাইয়ের স্মৃতিকে অম্লান রাখতেই বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম এমন আয়োজন করেছে।

এ বিষয়ে ঢাবি প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক সাইফুদ্দিন আহমদ বলেন, অনেকে অভ্যুত্থান বলে আমি বলি বিপ্লব। এখানে শুধু ক্ষমতা নয় একটা ধারার পরিবর্তন হয়েছে। এটাকে আমি নতুন বাংলার রেঁনেসা বলি। আমাদের প্রজন্ম এটার সাথে যত খাপ খাওয়াতে পারবে ততই বিপ্লব সুসংহত হবে। আমাদের প্রজন্ম ও তরুন প্রজন্মে একটা গ্যাপ আছে। আমরা তরুনদের ভাবনাকে বুঝতে পারছি না। এ ধরনের আয়োজন যত বেশি হবে তত আমাদের জন্য তরুনদেরকে বুঝা সহজ হবে। আর এই আয়োজন ডকুমেন্টশন এর কাজ করে। একটা ইতিহাসকে বাঁচিয়ে রাখে। এ ধরনের আয়োজন ব্যতীত বিপ্লব বেহাত হয়ে যাবে।