ঢাকা ০২:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo বাংলাদেশে আরো বেশি হারে চীনা বিনিয়োগের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর Logo দুই সহস্রাধিক শিক্ষার্থী নিয়ে জবি ছাত্রশিবিরের ইফতার মাহফিল  Logo কুবিতে অর্থ ও হিসাব দপ্তরের নতুন ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মো. নাছির উদ্দিন Logo কুবির আইসিটি বিভাগের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কমিটিতে পদ পেলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫ শিক্ষার্থী Logo কুবিতে বিজ্ঞান অনুষদের ২৮ শিক্ষার্থী পাচ্ছেন ডিনস অ্যাওয়ার্ড Logo হাবিপ্রবি রেজিস্ট্রারের বিতর্কিত বক্তব্যে সাদা দলের তীব্র প্রতিবাদ Logo গোবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতির দ্বাদশ বর্ষে পদার্পন Logo প্রতিষ্ঠাকালীন ‘বিডিআর’ নামে ফিরে যাচ্ছে বাংলাদেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিজিবি Logo পিলখানা হত্যাকাণ্ডের ১৭ বছর, জাতীয় শহীদ সেনা দিবস আজ

অবৈধ দখলে মলিন, ভাষা আন্দোলনের ‘আমতলা গেট’ পরিচ্ছন্ন থাকে বছরে দুই দিন

  • মোঃ ইমরান হোসেন
  • প্রকাশিত ১১:২৬:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৪৬ বার পঠিত

১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারিতে ‘রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই’ স্লোগান দিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজের যে গেট দিয়ে মিছিল নিয়ে ১৪৪ ধারা ভেঙেছিল ছাত্র সমাজ; স্মৃতিবিজড়িত সেই গেটটি সারা বছর থাকে অপরিচ্ছন্ন আর অবৈধ দোকানপাটের দখলে।

বছর ঘুরে ২১ ফেব্রুয়ারি এলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে প্রবেশের প্রধান সড়কের পাশে অবস্থিত সেই আমতলা গেট অবৈধ দোকানপাট মুক্ত ও পরিচ্ছন্ন করা হয়। ১৯ ফেব্রুয়ারি দিনগত রাত থেকে আমতলা গেট সংলগ্ন জায়গাটিতে পরিচ্ছন্ন করার কাজ শুরু হয়। তবে ২২ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকে আবারও জায়গাটি অবৈধ দোকানপাটের দখলে চলে যায়।

প্রতি বছরের মতো ভাষা আন্দোলন স্মৃতিরক্ষা পরিষদ শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে আমতলা গেট থেকে প্রতীকী পদযাত্রার আয়োজন করে।

বাংলা ভাষা ও বাংলা সন-তারিখকে জাতিসংঘের দাপ্তরিক কাজে ব্যবহার, সর্বস্তরে বাংলা ভাষা ও বাংলা সন-তারিখ প্রচলন এবং ভাষা আন্দোলনের স্মৃতি সংরক্ষণসহ ১১ দফা প্রস্তাবনা বাস্তবায়নের দাবিতে এই প্রতীকী পদযাত্রা করেন সংগঠনটির সদস্যরা।

সরেজমিনে, ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিবিজড়িত সেই আমতলা গেটের পাশেই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের গেট।

স্মৃতিবিজড়িত এই গেটের বাম পাশে চায়ের দোকান ও ডান পাশে পুরি-সিঙ্গাড়ার দোকান। সামনের ফুটপাতে পান, সুপারি, ফল, পানি, বিছানা-বালিশের দোকান।

পথচারী ও হাসপাতালে আসা রোগীদের স্বজন ও স্থানীয় লোকজন জানান সারা বছর এই মূল ফটকটি বন্ধ থাকে। সামনে দোকান বসে। ফুটপাত দিয়ে হাটার মতো অবস্থা থাকে না। ২১ ফেব্রুয়ারী পূর্বে গেট খুলে এর আশেপাশে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করলেও সারা বছর কেউ এই জায়গার খোঁজ নেয় না। এরপর আবার আগের মতো জায়গাটি কোনো নিশ্চিহ থাকে না। ২১ ফেব্রুয়ারীকে কেন্দ্র করে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জাতীয় পর্যায়ে অনুষ্ঠান কিংবা স্মৃতি সংবর্ধনা হলেও এই স্মৃতি বিজিত ঐতিহাসিক আমতলা হয় না উল্লেখ যোগ্য কিছু।

বরং ২১ ফেব্রুয়ারী পর থেকে জায়গাটা পূর্বের ন্যায় চিত্র ধারণ করে।

উল্লেখ, গেটের উপরের সাইনবোর্ডটি না থাকলে জানার কোনো উপায় নেই যে, এটি সেই ঐতিহাসিক আমতলা গেট।

সাইনবোর্ডটিতে লেখা—‘ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিবিজড়িত আমতলার ঐতিহাসিক প্রাঙ্গণ থেকে। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারির এদিনে ছাত্র সমাজ রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে মিছিল করে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে।

জনপ্রিয়

বাংলাদেশে আরো বেশি হারে চীনা বিনিয়োগের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

অবৈধ দখলে মলিন, ভাষা আন্দোলনের ‘আমতলা গেট’ পরিচ্ছন্ন থাকে বছরে দুই দিন

প্রকাশিত ১১:২৬:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারিতে ‘রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই’ স্লোগান দিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজের যে গেট দিয়ে মিছিল নিয়ে ১৪৪ ধারা ভেঙেছিল ছাত্র সমাজ; স্মৃতিবিজড়িত সেই গেটটি সারা বছর থাকে অপরিচ্ছন্ন আর অবৈধ দোকানপাটের দখলে।

বছর ঘুরে ২১ ফেব্রুয়ারি এলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে প্রবেশের প্রধান সড়কের পাশে অবস্থিত সেই আমতলা গেট অবৈধ দোকানপাট মুক্ত ও পরিচ্ছন্ন করা হয়। ১৯ ফেব্রুয়ারি দিনগত রাত থেকে আমতলা গেট সংলগ্ন জায়গাটিতে পরিচ্ছন্ন করার কাজ শুরু হয়। তবে ২২ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকে আবারও জায়গাটি অবৈধ দোকানপাটের দখলে চলে যায়।

প্রতি বছরের মতো ভাষা আন্দোলন স্মৃতিরক্ষা পরিষদ শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে আমতলা গেট থেকে প্রতীকী পদযাত্রার আয়োজন করে।

বাংলা ভাষা ও বাংলা সন-তারিখকে জাতিসংঘের দাপ্তরিক কাজে ব্যবহার, সর্বস্তরে বাংলা ভাষা ও বাংলা সন-তারিখ প্রচলন এবং ভাষা আন্দোলনের স্মৃতি সংরক্ষণসহ ১১ দফা প্রস্তাবনা বাস্তবায়নের দাবিতে এই প্রতীকী পদযাত্রা করেন সংগঠনটির সদস্যরা।

সরেজমিনে, ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিবিজড়িত সেই আমতলা গেটের পাশেই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের গেট।

স্মৃতিবিজড়িত এই গেটের বাম পাশে চায়ের দোকান ও ডান পাশে পুরি-সিঙ্গাড়ার দোকান। সামনের ফুটপাতে পান, সুপারি, ফল, পানি, বিছানা-বালিশের দোকান।

পথচারী ও হাসপাতালে আসা রোগীদের স্বজন ও স্থানীয় লোকজন জানান সারা বছর এই মূল ফটকটি বন্ধ থাকে। সামনে দোকান বসে। ফুটপাত দিয়ে হাটার মতো অবস্থা থাকে না। ২১ ফেব্রুয়ারী পূর্বে গেট খুলে এর আশেপাশে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করলেও সারা বছর কেউ এই জায়গার খোঁজ নেয় না। এরপর আবার আগের মতো জায়গাটি কোনো নিশ্চিহ থাকে না। ২১ ফেব্রুয়ারীকে কেন্দ্র করে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জাতীয় পর্যায়ে অনুষ্ঠান কিংবা স্মৃতি সংবর্ধনা হলেও এই স্মৃতি বিজিত ঐতিহাসিক আমতলা হয় না উল্লেখ যোগ্য কিছু।

বরং ২১ ফেব্রুয়ারী পর থেকে জায়গাটা পূর্বের ন্যায় চিত্র ধারণ করে।

উল্লেখ, গেটের উপরের সাইনবোর্ডটি না থাকলে জানার কোনো উপায় নেই যে, এটি সেই ঐতিহাসিক আমতলা গেট।

সাইনবোর্ডটিতে লেখা—‘ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিবিজড়িত আমতলার ঐতিহাসিক প্রাঙ্গণ থেকে। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারির এদিনে ছাত্র সমাজ রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে মিছিল করে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে।