ঢাকা ১০:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ছাত্রদল নেতা এইচ এম আবু জাফর এর উদ্যোগে ১০০০ বৃক্ষরোপণ Logo জামায়াতের একজন প্রার্থী থাকলেও হাত-পা ভেঙে দেওয়া হবে – বিএনপি নেতা Logo তারেক রহমানের পরামর্শেই ফেসবুক প্রোফাইল লাল করা হয়: ছাত্রদল নেতা ফাহিম Logo বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় দ্বিতীয় আউটলেট চালু করলো স্বপ্ন Logo রাকসু ভিপির হুমকির প্রতিবাদে পাবিপ্রবি প্রেসক্লাবের নিন্দা  Logo শামীম জামানের স্ত্রী আমিনা লাবিবের অভিনয়ে অভিষেক Logo ইনফিনিক্স ক্যাম্পাস কাপ ২০২৬ ফাইনাল আসর বসছে ৮ আগস্ট Logo বাংলাদেশি নাবিকদের জন্য স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশ-এর বিশেষ ব্যাংকিং সুবিধা Logo আর্থিক কেলেঙ্কারি ও স্বাক্ষর জালিয়াতিসহ নানান অভিযোগে জবিরিইউ সভাপতি জাহাঙ্গীর বহিষ্কার Logo ছাত্রী হলে গোপন ভিডিওর জের ধরে অচলাবস্থায় খুবি, জরুরি সিন্ডিকেট সভা আজ

অবৈধ দখলে মলিন, ভাষা আন্দোলনের ‘আমতলা গেট’ পরিচ্ছন্ন থাকে বছরে দুই দিন

  • মোঃ ইমরান হোসেন
  • প্রকাশিত ১১:২৬:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২১৪ বার পঠিত

১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারিতে ‘রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই’ স্লোগান দিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজের যে গেট দিয়ে মিছিল নিয়ে ১৪৪ ধারা ভেঙেছিল ছাত্র সমাজ; স্মৃতিবিজড়িত সেই গেটটি সারা বছর থাকে অপরিচ্ছন্ন আর অবৈধ দোকানপাটের দখলে।

বছর ঘুরে ২১ ফেব্রুয়ারি এলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে প্রবেশের প্রধান সড়কের পাশে অবস্থিত সেই আমতলা গেট অবৈধ দোকানপাট মুক্ত ও পরিচ্ছন্ন করা হয়। ১৯ ফেব্রুয়ারি দিনগত রাত থেকে আমতলা গেট সংলগ্ন জায়গাটিতে পরিচ্ছন্ন করার কাজ শুরু হয়। তবে ২২ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকে আবারও জায়গাটি অবৈধ দোকানপাটের দখলে চলে যায়।

প্রতি বছরের মতো ভাষা আন্দোলন স্মৃতিরক্ষা পরিষদ শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে আমতলা গেট থেকে প্রতীকী পদযাত্রার আয়োজন করে।

বাংলা ভাষা ও বাংলা সন-তারিখকে জাতিসংঘের দাপ্তরিক কাজে ব্যবহার, সর্বস্তরে বাংলা ভাষা ও বাংলা সন-তারিখ প্রচলন এবং ভাষা আন্দোলনের স্মৃতি সংরক্ষণসহ ১১ দফা প্রস্তাবনা বাস্তবায়নের দাবিতে এই প্রতীকী পদযাত্রা করেন সংগঠনটির সদস্যরা।

সরেজমিনে, ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিবিজড়িত সেই আমতলা গেটের পাশেই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের গেট।

স্মৃতিবিজড়িত এই গেটের বাম পাশে চায়ের দোকান ও ডান পাশে পুরি-সিঙ্গাড়ার দোকান। সামনের ফুটপাতে পান, সুপারি, ফল, পানি, বিছানা-বালিশের দোকান।

পথচারী ও হাসপাতালে আসা রোগীদের স্বজন ও স্থানীয় লোকজন জানান সারা বছর এই মূল ফটকটি বন্ধ থাকে। সামনে দোকান বসে। ফুটপাত দিয়ে হাটার মতো অবস্থা থাকে না। ২১ ফেব্রুয়ারী পূর্বে গেট খুলে এর আশেপাশে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করলেও সারা বছর কেউ এই জায়গার খোঁজ নেয় না। এরপর আবার আগের মতো জায়গাটি কোনো নিশ্চিহ থাকে না। ২১ ফেব্রুয়ারীকে কেন্দ্র করে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জাতীয় পর্যায়ে অনুষ্ঠান কিংবা স্মৃতি সংবর্ধনা হলেও এই স্মৃতি বিজিত ঐতিহাসিক আমতলা হয় না উল্লেখ যোগ্য কিছু।

বরং ২১ ফেব্রুয়ারী পর থেকে জায়গাটা পূর্বের ন্যায় চিত্র ধারণ করে।

উল্লেখ, গেটের উপরের সাইনবোর্ডটি না থাকলে জানার কোনো উপায় নেই যে, এটি সেই ঐতিহাসিক আমতলা গেট।

সাইনবোর্ডটিতে লেখা—‘ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিবিজড়িত আমতলার ঐতিহাসিক প্রাঙ্গণ থেকে। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারির এদিনে ছাত্র সমাজ রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে মিছিল করে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে।

জনপ্রিয়

ছাত্রদল নেতা এইচ এম আবু জাফর এর উদ্যোগে ১০০০ বৃক্ষরোপণ

অবৈধ দখলে মলিন, ভাষা আন্দোলনের ‘আমতলা গেট’ পরিচ্ছন্ন থাকে বছরে দুই দিন

প্রকাশিত ১১:২৬:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারিতে ‘রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই’ স্লোগান দিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজের যে গেট দিয়ে মিছিল নিয়ে ১৪৪ ধারা ভেঙেছিল ছাত্র সমাজ; স্মৃতিবিজড়িত সেই গেটটি সারা বছর থাকে অপরিচ্ছন্ন আর অবৈধ দোকানপাটের দখলে।

বছর ঘুরে ২১ ফেব্রুয়ারি এলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে প্রবেশের প্রধান সড়কের পাশে অবস্থিত সেই আমতলা গেট অবৈধ দোকানপাট মুক্ত ও পরিচ্ছন্ন করা হয়। ১৯ ফেব্রুয়ারি দিনগত রাত থেকে আমতলা গেট সংলগ্ন জায়গাটিতে পরিচ্ছন্ন করার কাজ শুরু হয়। তবে ২২ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকে আবারও জায়গাটি অবৈধ দোকানপাটের দখলে চলে যায়।

প্রতি বছরের মতো ভাষা আন্দোলন স্মৃতিরক্ষা পরিষদ শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে আমতলা গেট থেকে প্রতীকী পদযাত্রার আয়োজন করে।

বাংলা ভাষা ও বাংলা সন-তারিখকে জাতিসংঘের দাপ্তরিক কাজে ব্যবহার, সর্বস্তরে বাংলা ভাষা ও বাংলা সন-তারিখ প্রচলন এবং ভাষা আন্দোলনের স্মৃতি সংরক্ষণসহ ১১ দফা প্রস্তাবনা বাস্তবায়নের দাবিতে এই প্রতীকী পদযাত্রা করেন সংগঠনটির সদস্যরা।

সরেজমিনে, ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিবিজড়িত সেই আমতলা গেটের পাশেই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের গেট।

স্মৃতিবিজড়িত এই গেটের বাম পাশে চায়ের দোকান ও ডান পাশে পুরি-সিঙ্গাড়ার দোকান। সামনের ফুটপাতে পান, সুপারি, ফল, পানি, বিছানা-বালিশের দোকান।

পথচারী ও হাসপাতালে আসা রোগীদের স্বজন ও স্থানীয় লোকজন জানান সারা বছর এই মূল ফটকটি বন্ধ থাকে। সামনে দোকান বসে। ফুটপাত দিয়ে হাটার মতো অবস্থা থাকে না। ২১ ফেব্রুয়ারী পূর্বে গেট খুলে এর আশেপাশে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করলেও সারা বছর কেউ এই জায়গার খোঁজ নেয় না। এরপর আবার আগের মতো জায়গাটি কোনো নিশ্চিহ থাকে না। ২১ ফেব্রুয়ারীকে কেন্দ্র করে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জাতীয় পর্যায়ে অনুষ্ঠান কিংবা স্মৃতি সংবর্ধনা হলেও এই স্মৃতি বিজিত ঐতিহাসিক আমতলা হয় না উল্লেখ যোগ্য কিছু।

বরং ২১ ফেব্রুয়ারী পর থেকে জায়গাটা পূর্বের ন্যায় চিত্র ধারণ করে।

উল্লেখ, গেটের উপরের সাইনবোর্ডটি না থাকলে জানার কোনো উপায় নেই যে, এটি সেই ঐতিহাসিক আমতলা গেট।

সাইনবোর্ডটিতে লেখা—‘ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিবিজড়িত আমতলার ঐতিহাসিক প্রাঙ্গণ থেকে। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারির এদিনে ছাত্র সমাজ রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে মিছিল করে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে।