ঢাকা ০৪:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo বাঁধন, জবি ইউনিটের সাংগঠনিক কর্মশালা ও নবীনবরণ অনুষ্ঠিত Logo দপদপিয়া সেতুতে আবারও দুর্ঘটনা: একদিনে দুই ঘটনায় আহত ৩ ববি শিক্ষার্থী Logo যাত্রাবাড়ীতে বিপুল গাঁজাসহ তিন মাদককারবারী গ্রেপ্তার Logo জাবির ছাত্রী হলে মাদকদ্রব্য উদ্ধার, তদন্ত কমিটি গঠন Logo সৃজনশীলতা ও বিজ্ঞান চর্চায় বাকৃবির মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি বিদ্যালয়ে ‘ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী মেলা’ Logo পাবিপ্রবিতে বিজ্ঞান অনুষদের নতুন ডিন অধ্যাপক ড. মো. শামীম রেজা Logo হামে শিশুমৃত্যু: দায়ীদের শাস্তি ও জরুরি জনস্বাস্থ্য পরিস্থিতি ঘোষণার দাবি ডিপিপিএইচের Logo ডিআরইউ সঙ্গে পুপরোয়া’র মতবিনিময় সভা Logo শিক্ষকদের পাঠ মুল্যায়নে অনলাইন ফিডব্যাক বাধ্যতামুলক করলো রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় Logo মোহাম্মদপুরে আসাদুল হত্যার নেপথ্যে মারধরের পুরনো ক্ষোভ: ডিএমপি

মোহাম্মদপুরে আসাদুল হত্যার নেপথ্যে মারধরের পুরনো ক্ষোভ: ডিএমপি

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে আসাদুল নামের এক যুবককে হত্যা করা হয়েছে পুরোনো বিরোধের জেরে। কয়েক বছর আগে মারধরের ঘটনার ক্ষোভ থেকে পরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালানো হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় মূল হোতাসহ চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) মিন্টো রোডে ঢাকা মহানগর পুলিশের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার ইবনে মিজান।

গ্রেফতারকৃতরা হলো- মোঃ মুন্না, আকতার হোসেন, মোঃ মিরাজ ফকির, ও নয়ন ওরফে খোকন।

পুলিশ জানায়, নিহত আসাদুলের সঙ্গে গ্রেফতার ব্যক্তিদের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিল। কয়েক বছর আগে আকতার হোসেনকে মারধর করে গুরুতর আহত করেছিলেন আসাদুল। ওই ঘটনায় মামলাও হয়েছিল এবং পরে মীমাংসা হয়। তবে সেই ক্ষোভ থেকেই আকতার হোসেন এ হত্যার পরিকল্পনা করেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার ব্যক্তিরা বিষয়টি স্বীকার করেছেন।

মোহাম্মদপুর থানা সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে রায়েরবাজারের সাদেক খানের ইটখোলা এলাকায় রিপনের ওয়ার্কশপের সামনে আসাদুল ওরফে লম্বু আসাদুলের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। হামলাকারীরা ধারালো চাকু ও ইট দিয়ে তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে গুরুতর জখম করে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে ঘটনাস্থলেই তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়েন।

পরে পুলিশ স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে খবর পেয়ে তাঁকে উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় নিহতের চাচাতো বোন অঞ্জু আক্তার বাদী হয়ে মোহাম্মদপুর থানায় হত্যা মামলা করেন।

পুলিশ জানায়, মামলার পর শুক্রবার কেরানীগঞ্জ এলাকায় অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়। তাঁদের কাছ থেকে একটি মোটরসাইকেল ও হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি সুইস গিয়ার চাকু উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ আরও জানায়, টাকা-পয়সা লেনদেন নিয়েও তাঁদের মধ্যে বিরোধ ছিল। গ্রেফতার মুন্নার বিরুদ্ধে মাদক ও ছিনতাইয়ের সাতটি, মিরাজের বিরুদ্ধে একটি এবং নয়নের বিরুদ্ধে দুটি মাদক মামলা রয়েছে।

গ্রেফতার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

জনপ্রিয়

বাঁধন, জবি ইউনিটের সাংগঠনিক কর্মশালা ও নবীনবরণ অনুষ্ঠিত

মোহাম্মদপুরে আসাদুল হত্যার নেপথ্যে মারধরের পুরনো ক্ষোভ: ডিএমপি

প্রকাশিত ০৮:৫৫:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে আসাদুল নামের এক যুবককে হত্যা করা হয়েছে পুরোনো বিরোধের জেরে। কয়েক বছর আগে মারধরের ঘটনার ক্ষোভ থেকে পরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালানো হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় মূল হোতাসহ চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) মিন্টো রোডে ঢাকা মহানগর পুলিশের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার ইবনে মিজান।

গ্রেফতারকৃতরা হলো- মোঃ মুন্না, আকতার হোসেন, মোঃ মিরাজ ফকির, ও নয়ন ওরফে খোকন।

পুলিশ জানায়, নিহত আসাদুলের সঙ্গে গ্রেফতার ব্যক্তিদের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিল। কয়েক বছর আগে আকতার হোসেনকে মারধর করে গুরুতর আহত করেছিলেন আসাদুল। ওই ঘটনায় মামলাও হয়েছিল এবং পরে মীমাংসা হয়। তবে সেই ক্ষোভ থেকেই আকতার হোসেন এ হত্যার পরিকল্পনা করেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার ব্যক্তিরা বিষয়টি স্বীকার করেছেন।

মোহাম্মদপুর থানা সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে রায়েরবাজারের সাদেক খানের ইটখোলা এলাকায় রিপনের ওয়ার্কশপের সামনে আসাদুল ওরফে লম্বু আসাদুলের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। হামলাকারীরা ধারালো চাকু ও ইট দিয়ে তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে গুরুতর জখম করে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে ঘটনাস্থলেই তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়েন।

পরে পুলিশ স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে খবর পেয়ে তাঁকে উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় নিহতের চাচাতো বোন অঞ্জু আক্তার বাদী হয়ে মোহাম্মদপুর থানায় হত্যা মামলা করেন।

পুলিশ জানায়, মামলার পর শুক্রবার কেরানীগঞ্জ এলাকায় অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়। তাঁদের কাছ থেকে একটি মোটরসাইকেল ও হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি সুইস গিয়ার চাকু উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ আরও জানায়, টাকা-পয়সা লেনদেন নিয়েও তাঁদের মধ্যে বিরোধ ছিল। গ্রেফতার মুন্নার বিরুদ্ধে মাদক ও ছিনতাইয়ের সাতটি, মিরাজের বিরুদ্ধে একটি এবং নয়নের বিরুদ্ধে দুটি মাদক মামলা রয়েছে।

গ্রেফতার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।