ঢাকা ০২:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ফুটবল উন্মাদনায় দেশের বাজারে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে শাওমি স্মার্ট টিভি Logo এআই দিয়ে তৈরি কনটেন্ট সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াচ্ছে টিকটক Logo পাবিপ্রবি শাখা ছাত্রশিবিরের নেতৃত্বে উল্লাস-শামীম Logo পাবিপ্রবিতে গবেষনায় জোর দিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বছরে ২ কোটি ৩৩ লাখ টাকার প্রণোদনা Logo হাবিপ্রবিতে পরিবহন সংকট নিরসনে ৪ দফা দাবি ছাত্রদলের Logo কুকুর ব্যবস্থাপনায় ভ্যাক্সিনেশন কর্মসূচি হাতে নিচ্ছে হাবিপ্রবি প্রশাসন Logo পরীক্ষা শুরুর পৌনে ২ ঘণ্টা পর জানা গেল প্রশ্ন গতবছরের! Logo ২১ বছর নিখোঁজ থাকার পর জীবিত ফিরলেন রতন! ওদিকে মারা গেছেন বাবা Logo ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ‘লং মার্চ টু পার্লামেন্ট’- এ রণক্ষেত্র দিল্লি, বন্ধ ইন্টারনেট Logo প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী হিসেবে নিয়োগ পেলেন রাশেদ খাঁন

মোহাম্মদপুরে আসাদুল হত্যার নেপথ্যে মারধরের পুরনো ক্ষোভ: ডিএমপি

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে আসাদুল নামের এক যুবককে হত্যা করা হয়েছে পুরোনো বিরোধের জেরে। কয়েক বছর আগে মারধরের ঘটনার ক্ষোভ থেকে পরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালানো হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় মূল হোতাসহ চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) মিন্টো রোডে ঢাকা মহানগর পুলিশের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার ইবনে মিজান।

গ্রেফতারকৃতরা হলো- মোঃ মুন্না, আকতার হোসেন, মোঃ মিরাজ ফকির, ও নয়ন ওরফে খোকন।

পুলিশ জানায়, নিহত আসাদুলের সঙ্গে গ্রেফতার ব্যক্তিদের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিল। কয়েক বছর আগে আকতার হোসেনকে মারধর করে গুরুতর আহত করেছিলেন আসাদুল। ওই ঘটনায় মামলাও হয়েছিল এবং পরে মীমাংসা হয়। তবে সেই ক্ষোভ থেকেই আকতার হোসেন এ হত্যার পরিকল্পনা করেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার ব্যক্তিরা বিষয়টি স্বীকার করেছেন।

মোহাম্মদপুর থানা সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে রায়েরবাজারের সাদেক খানের ইটখোলা এলাকায় রিপনের ওয়ার্কশপের সামনে আসাদুল ওরফে লম্বু আসাদুলের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। হামলাকারীরা ধারালো চাকু ও ইট দিয়ে তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে গুরুতর জখম করে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে ঘটনাস্থলেই তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়েন।

পরে পুলিশ স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে খবর পেয়ে তাঁকে উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় নিহতের চাচাতো বোন অঞ্জু আক্তার বাদী হয়ে মোহাম্মদপুর থানায় হত্যা মামলা করেন।

পুলিশ জানায়, মামলার পর শুক্রবার কেরানীগঞ্জ এলাকায় অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়। তাঁদের কাছ থেকে একটি মোটরসাইকেল ও হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি সুইস গিয়ার চাকু উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ আরও জানায়, টাকা-পয়সা লেনদেন নিয়েও তাঁদের মধ্যে বিরোধ ছিল। গ্রেফতার মুন্নার বিরুদ্ধে মাদক ও ছিনতাইয়ের সাতটি, মিরাজের বিরুদ্ধে একটি এবং নয়নের বিরুদ্ধে দুটি মাদক মামলা রয়েছে।

গ্রেফতার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

জনপ্রিয়

ফুটবল উন্মাদনায় দেশের বাজারে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে শাওমি স্মার্ট টিভি

মোহাম্মদপুরে আসাদুল হত্যার নেপথ্যে মারধরের পুরনো ক্ষোভ: ডিএমপি

প্রকাশিত ০৮:৫৫:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে আসাদুল নামের এক যুবককে হত্যা করা হয়েছে পুরোনো বিরোধের জেরে। কয়েক বছর আগে মারধরের ঘটনার ক্ষোভ থেকে পরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালানো হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় মূল হোতাসহ চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) মিন্টো রোডে ঢাকা মহানগর পুলিশের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার ইবনে মিজান।

গ্রেফতারকৃতরা হলো- মোঃ মুন্না, আকতার হোসেন, মোঃ মিরাজ ফকির, ও নয়ন ওরফে খোকন।

পুলিশ জানায়, নিহত আসাদুলের সঙ্গে গ্রেফতার ব্যক্তিদের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিল। কয়েক বছর আগে আকতার হোসেনকে মারধর করে গুরুতর আহত করেছিলেন আসাদুল। ওই ঘটনায় মামলাও হয়েছিল এবং পরে মীমাংসা হয়। তবে সেই ক্ষোভ থেকেই আকতার হোসেন এ হত্যার পরিকল্পনা করেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার ব্যক্তিরা বিষয়টি স্বীকার করেছেন।

মোহাম্মদপুর থানা সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে রায়েরবাজারের সাদেক খানের ইটখোলা এলাকায় রিপনের ওয়ার্কশপের সামনে আসাদুল ওরফে লম্বু আসাদুলের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। হামলাকারীরা ধারালো চাকু ও ইট দিয়ে তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে গুরুতর জখম করে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে ঘটনাস্থলেই তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়েন।

পরে পুলিশ স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে খবর পেয়ে তাঁকে উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় নিহতের চাচাতো বোন অঞ্জু আক্তার বাদী হয়ে মোহাম্মদপুর থানায় হত্যা মামলা করেন।

পুলিশ জানায়, মামলার পর শুক্রবার কেরানীগঞ্জ এলাকায় অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়। তাঁদের কাছ থেকে একটি মোটরসাইকেল ও হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি সুইস গিয়ার চাকু উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ আরও জানায়, টাকা-পয়সা লেনদেন নিয়েও তাঁদের মধ্যে বিরোধ ছিল। গ্রেফতার মুন্নার বিরুদ্ধে মাদক ও ছিনতাইয়ের সাতটি, মিরাজের বিরুদ্ধে একটি এবং নয়নের বিরুদ্ধে দুটি মাদক মামলা রয়েছে।

গ্রেফতার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।