ঢাকা ০৬:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির প্রথম উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. সালমা বেগম Logo টানা ৬ বছরের পারফরম্যান্স নিশ্চয়তা মিলবে এই স্মার্টফোনে Logo দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারির নতুন অধ্যায়, আলোচনায় রিয়েলমি সি১০০আইয়ের টাইটান ব্যাটারি Logo ৭,৫০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের শক্তিশালী ব্যাটারি ও ২.৩২ দিন পর্যন্ত ব্যাটারি লাইফ নিয়ে আসছে রেডমি ১৭ Logo বিএনপির আদর্শের নিবেদিতপ্রাণ সংগঠক ইমাম জাফর Logo এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের তারিখ ঘোষণা Logo বিজ্ঞাপনের চুক্তির প্রলোভনে মডেল স্নিগ্ধা চৌধুরীকে নির্যাতনের অভিযোগ Logo অটিস্টিক ছেলে যাতে সহজে চিনতে পারে তাই চুল কাটেন না কুকুরেয়া Logo সুন্দরবন রক্ষায় ৪ হাজার কোটি টাকা দেবে জাতিসংঘ Logo আগস্টে পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন না হলে বৃহত্তর কর্মসূচি

ডুজা’র সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে ববিতে সাংবাদিকদের মানববন্ধন

পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে রাজধানী শাহবাগ থানার অভ্যন্তরে সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ নিশ্চিতের দাবিতে মানববন্ধন করেছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) কর্মরত সাংবাদিকবৃন্দ।

শনিবার (২৫ এপ্রিল) বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩নং গেটের সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে আব্দুলা আল মামুনের সঞ্চলনায় বক্তব্য দেন আব্দুল কাদের জীবন, মৃত্যুঞ্জয় রায়, মো. জাহিদ হোসেন, মো.আবু উবাইদা,মাসুদ রানা। মানববন্ধনে বক্তারা সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত, মামলা গ্রহণ, আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ক্যাম্পাসে স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানান।

এসময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সমিতির সাবেক সভাপতি মো. জাহিদ হোসেন বলেন, দীর্ঘ ১৭ ফ্যাসিবাদি কাঠামো নিরসনের পর একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার একটি নতুন সরকার গঠিত হয়েছে। এই সরকারের কাছে আমাদের প্রত্যাশা অনেক ছিল। সরকারের গঠনের দুইমাস পার হতে না হতেই আমাদের প্রত্যাশায় ছেদ ধরেছে। আমরা দেখেছি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সাংবাদিকরা পেশাগত দায়িত্ব পালনে হামলার শিখার হয়েছে। তার ধারাবাহিকতায় ঢাকা বিশ্বিবদ্যালয়ের সাংবাদিক সমিতির সদস্যদের প্রতি হামলা হয়েছে।

এসময়ে তিনি আরও বলেন আমরা এই হামলার নিন্দা জানিয়ে যারা হামলা করেছে তাদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান। পাশাপাশি তিনি বলেন, রাষ্ট্র যদি সাংবাদিক উপর হামলার বিচার না করে তাহলে এই রাষ্ট্র বিপদ গামী হবে। সাংবাদিকরা তাদের কলমের মাধ্যমে জনমত গড়ে তুলে এই হামলার জবাব দিবে।

বিশ্বিবদ্যালয়ের প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো.আবু উবাইদা বলেন,”সাংবাদিকদের উপর এই হামলা নতুন কিছু না। বারবার সত্য প্রকাশ করতে গিয়ে হামলার শিখার হতে হয়েছে। আমাদের হাতের ভোটের কালির দাগ শুকায়নি। এর ভিতর সাংবাদিকদের উপর হামলা হয়েছে। তারেক রহমান বলেছিল ” i have a plan. ” আমরা মনে করছিলাম এই রাষ্ট্র সুন্দর ভাবে গণতান্ত্রিক উপায়ে চলবে। কিন্তু তার রাজনৈতিক দলের ছাত্র সংগঠনের কর্মকান্ডের ফলে তারেক রহমানের বক্তব্যের সাথে কোন মিল নেই। বরং বিগত সময়ের মত সাংবাদিক দের উপর হামলা করা হচ্ছে। আমরা সুস্পষ্ট করে বলছি যদি এই হামলার বিচার না হয় তবে কলম বিপ্লবের মধ্য দিয়ে এই হামলার দাঁত ভাঙা জবাব দিবো।”

এসময়ে গণমাধ্যম কর্মী মৃত্যুঞ্জয় রায় বলেন, গণমাধ্যমগুলো যখন সত্য প্রচারের পরিবর্তে শক্তির প্রচার করে, তখন সেই সমাজ, সেই রাষ্ট্র ফ্যাসিবাদের দিকে পা বাড়ায়। রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, তারা যখন জনগণকে নিরাপত্তা দেওয়ার পরিবর্তে শাসকশ্রেণির পক্ষে অবস্থান নেয় এবং নির্যাতিতের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে তাদের আসামির কাঠগড়ায় দাঁড় করায়, তখন সেই রাষ্ট্রটি চূড়ান্ত ফ্যাসিবাদের রূপ ধারণ করে।

তিনি আরও বলেন, যারা সেদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সদস্যদের ওপর নির্বিচারে হামলা চালিয়েছে, তাদের অবিলম্বে আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। এটি না হলে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা স্বপ্ন হিসেবেই থাকবে এবং সরকার আবার  ফ্যাসিবাদে রুপান্তরিত হবে।

জুনায়েত/ববি

জনপ্রিয়

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির প্রথম উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. সালমা বেগম

ডুজা’র সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে ববিতে সাংবাদিকদের মানববন্ধন

প্রকাশিত ০৮:৪০:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে রাজধানী শাহবাগ থানার অভ্যন্তরে সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ নিশ্চিতের দাবিতে মানববন্ধন করেছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) কর্মরত সাংবাদিকবৃন্দ।

শনিবার (২৫ এপ্রিল) বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩নং গেটের সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে আব্দুলা আল মামুনের সঞ্চলনায় বক্তব্য দেন আব্দুল কাদের জীবন, মৃত্যুঞ্জয় রায়, মো. জাহিদ হোসেন, মো.আবু উবাইদা,মাসুদ রানা। মানববন্ধনে বক্তারা সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত, মামলা গ্রহণ, আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ক্যাম্পাসে স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানান।

এসময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সমিতির সাবেক সভাপতি মো. জাহিদ হোসেন বলেন, দীর্ঘ ১৭ ফ্যাসিবাদি কাঠামো নিরসনের পর একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার একটি নতুন সরকার গঠিত হয়েছে। এই সরকারের কাছে আমাদের প্রত্যাশা অনেক ছিল। সরকারের গঠনের দুইমাস পার হতে না হতেই আমাদের প্রত্যাশায় ছেদ ধরেছে। আমরা দেখেছি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সাংবাদিকরা পেশাগত দায়িত্ব পালনে হামলার শিখার হয়েছে। তার ধারাবাহিকতায় ঢাকা বিশ্বিবদ্যালয়ের সাংবাদিক সমিতির সদস্যদের প্রতি হামলা হয়েছে।

এসময়ে তিনি আরও বলেন আমরা এই হামলার নিন্দা জানিয়ে যারা হামলা করেছে তাদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান। পাশাপাশি তিনি বলেন, রাষ্ট্র যদি সাংবাদিক উপর হামলার বিচার না করে তাহলে এই রাষ্ট্র বিপদ গামী হবে। সাংবাদিকরা তাদের কলমের মাধ্যমে জনমত গড়ে তুলে এই হামলার জবাব দিবে।

বিশ্বিবদ্যালয়ের প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো.আবু উবাইদা বলেন,”সাংবাদিকদের উপর এই হামলা নতুন কিছু না। বারবার সত্য প্রকাশ করতে গিয়ে হামলার শিখার হতে হয়েছে। আমাদের হাতের ভোটের কালির দাগ শুকায়নি। এর ভিতর সাংবাদিকদের উপর হামলা হয়েছে। তারেক রহমান বলেছিল ” i have a plan. ” আমরা মনে করছিলাম এই রাষ্ট্র সুন্দর ভাবে গণতান্ত্রিক উপায়ে চলবে। কিন্তু তার রাজনৈতিক দলের ছাত্র সংগঠনের কর্মকান্ডের ফলে তারেক রহমানের বক্তব্যের সাথে কোন মিল নেই। বরং বিগত সময়ের মত সাংবাদিক দের উপর হামলা করা হচ্ছে। আমরা সুস্পষ্ট করে বলছি যদি এই হামলার বিচার না হয় তবে কলম বিপ্লবের মধ্য দিয়ে এই হামলার দাঁত ভাঙা জবাব দিবো।”

এসময়ে গণমাধ্যম কর্মী মৃত্যুঞ্জয় রায় বলেন, গণমাধ্যমগুলো যখন সত্য প্রচারের পরিবর্তে শক্তির প্রচার করে, তখন সেই সমাজ, সেই রাষ্ট্র ফ্যাসিবাদের দিকে পা বাড়ায়। রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, তারা যখন জনগণকে নিরাপত্তা দেওয়ার পরিবর্তে শাসকশ্রেণির পক্ষে অবস্থান নেয় এবং নির্যাতিতের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে তাদের আসামির কাঠগড়ায় দাঁড় করায়, তখন সেই রাষ্ট্রটি চূড়ান্ত ফ্যাসিবাদের রূপ ধারণ করে।

তিনি আরও বলেন, যারা সেদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সদস্যদের ওপর নির্বিচারে হামলা চালিয়েছে, তাদের অবিলম্বে আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। এটি না হলে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা স্বপ্ন হিসেবেই থাকবে এবং সরকার আবার  ফ্যাসিবাদে রুপান্তরিত হবে।

জুনায়েত/ববি