কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় পূর্ব বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় গুরুতর আহত নূরুল ইসলাম চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। রোববার (৭ জুন) সকালে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় পুলিশ সোহাগ মিয়া (৩০) নামে মামলার এজাহারভুক্ত এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে।
গ্রেপ্তার হওয়া সোহাগ মিয়া উপজেলার নারান্দী ইউনিয়নের দাড়পাড়া গ্রামের জসিম উদ্দিনের ছেলে। মারা যাওয়া নূরুল ইসলামও একই গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার পূর্ব শত্রুতার জেরে নূরুল ইসলামের ওপর দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র ও লাঠিসোটা নিয়ে নৃশংস হামলা চালায় প্রতিপক্ষের লোকজন। হামলায় গুরুতর আহত হলে ওই দিনই তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার সকালে তিনি শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন।
এ ঘটনায় নিহতের মেয়ে শাহনেয়াজ বাদী হয়ে রোববার সকালে সাতজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ৪-৫ জনকে আসামি করে পাকুন্দিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা রুজু হওয়ার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে এজাহারভুক্ত আসামি সোহাগকে গ্রেপ্তার করে।
পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম আরিফুর রহমান গ্রেপ্তারের তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।




















