স্থানীয় প্রযুক্তিভিত্তিক সেবা প্রতিষ্ঠান বি-ট্র্যাক সলিউশন্স লিমিটেড তাদের বিভিন্ন প্রযুক্তিনির্ভর সেবা, সাম্প্রতিক উদ্যোগ এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেছে। মঙ্গলবার রাজধানীর একটি রেস্টুরেন্টে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এগুলো তুলে ধরা হয়।
মতবিনিময়ে বি-ট্র্যাক তাদের উদ্ভাবন ও সেবা কীভাবে মানুষের দৈনন্দিন জীবনকে আরও সহজ, নিরাপদ ও সুবিধাজনক করে তুলতে পারে, সেসব বিষয়ে আলোচনা করা হয়। সভায় বাংলা ট্র্যাক গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) এম তানভীর সিদ্দিকী বলেন, বাস্তব জীবনের প্রয়োজনকে সামনে রেখে স্থানীয়ভাবে উদ্ভাবিত প্রযুক্তিনির্ভর সমাধান তৈরি করাই তাদের লক্ষ্য।
তিনি বলেন, “স্থানীয় কোম্পানি হিসেবে আমরা প্রযুক্তিনির্ভর সেবা উন্নয়নের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা ও সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিই। উদ্ভাবনের মাধ্যমে মানুষের দৈনন্দিন জীবন আরও সহজ ও সুবিধাজনক করাই আমাদের উদ্দেশ্য। ভবিষ্যতেও আমরা আরও নতুন সেবা ও সমাধান নিয়ে কাজ করব।”
বর্তমানে বি-ট্র্যাক মোবিলিটি, কর্মক্ষেত্র ব্যবস্থাপনা, আবাসিক নিরাপত্তা, ব্যক্তিগত নিরাপত্তা, পরিবহন ব্যবস্থাপনা এবং শিল্প পর্যবেক্ষণ খাতে বিভিন্ন সেবা প্রদান করছে। সেবাগুলোর মধ্যে রয়েছে- ইয়েস পার্কিং, কারকোপোলো, ওয়ার্কোপোলো, সিমো, ডোরস্টেপ, নিরাপথ, টিএমএস এবং ভেলোরেট।
বি-ট্র্যাকের সাম্প্রতিক উদ্ভাবনের মধ্যে ‘ইয়েস পার্কিং’ উল্লেখযোগ্য। অ্যাপভিত্তিক এ সেবার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা আগাম পার্কিং স্থান বুক করতে পারেন। পাশাপাশি নির্ধারিত এজেন্টের মাধ্যমে অন-সাইট সেবাও পাওয়া যায়। তাদের মতে, এ সেবা ব্যস্ত নগরজীবনে পার্কিং-সংক্রান্ত ভোগান্তি কমাতে সহায়তা করছে।
অনুষ্ঠানে স্ট্র্যাটেজিক অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার গোলাম মোস্তফা আহাদ এবং সিনিয়র এক্সিকিউটিভ মুশবিয়া শুকরানা মাহী প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন প্রকল্প, সেবার কার্যক্রম এবং ব্যবহারকারীদের ওপর এর প্রভাব সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কি-অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার রিজওয়ান আলী এবং রাশেদুল কবির এদাফ।
মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকরা বি-ট্র্যাকের বিভিন্ন সেবা, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, ব্যবহারকারীদের অভিজ্ঞতা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে নানা প্রশ্ন করেন। বি-ট্র্যাকের প্রতিনিধিরা এসব প্রশ্নের উত্তর দেন এবং সেবাগুলোর কার্যকারিতা ও সম্ভাবনা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন।
বর্তমানে ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে বি-ট্র্যাকের সেবা ব্যবহার করা হচ্ছে। প্রযুক্তিনির্ভর বাস্তবমুখী সমাধানের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণে প্রতিষ্ঠানটি আরও নতুন উদ্যোগ নিয়ে কাজ করছে বলে জানানো হয়।

























