ঢাকা ০৯:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ‘আমি জানি না, সে আমাকে কেন মেরেছে’, নিজ বন্ধুর হাতে রক্তাক্ত কুবি শিক্ষার্থী Logo বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া সিরিজের সময়সূচি প্রকাশ করল বিসিবি Logo কোরবানির ঈদে ঘরে বসেই সাশ্রয়ী ও নিরাপদ কেনাকাটার মেগা অফার নিয়ে এলো ‘স্বপ্ন’ Logo খুলনায় শিক্ষার্থীদের নিয়ে ‘লাউড অ্যান্ড ক্লিয়ার’ বুটক্যাম্প অনুষ্ঠিত Logo স্বপ্ন ফুড কোর্টে লাইভ মিউজিক Logo অভিযুক্তকে গ্রেফতারের দাবিতে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধের হুঁশিয়ারি জাকসুর Logo কুমিল্লাকে বিভাগ করার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর Logo এখন টিভির চার সাংবাদিককে নিয়ে রাতে সিদ্ধান্ত Logo বিশ্বের মানচিত্র থেকে পাকিস্তানকে মুছে ফেলার হুঁশিয়ারি ভারতের Logo দেশপ্রেমিক ও বিশেষজ্ঞদের নিয়ে রাষ্ট্র মেরামত করা হবে: তথ্যমন্ত্রী

লাশ পোড়ানো সেই শাহিদুল কারাগারে

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনকালে দুই শতাধিক ছাত্র হত্যার অভিযোগে ঢাকা জেলা পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত সুপার (সাভার সার্কেল) মো. শাহিদুল ইসলামকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। তার বিরুদ্ধে লাশ পোড়ানোসহ কয়েকটি মামলা রয়েছে আশুলিয়া ও সাভার থানায়।

আজ বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর) বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এই আদেশ দেন। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, গত ২৭ অক্টোবর ১৭ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন ট্রাইব্যুনাল। এই পুলিশ কর্মকর্তাদের একজন শাহিদুল। তার সবশেষ কর্মস্থল কক্সবাজার। সেখান থেকেই তাকে গ্রেপ্তার করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

তিনি বলেন, শাহিদুলকে আজ (বৃহস্পতিবার) সকালে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। তার বিরুদ্ধে সাভার অঞ্চলে দুইশতের মতো ছাত্রকে নির্বিচারে গুলি করে হত্যার অভিযোগ আছে। এর মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত আসাদুল ইয়ামিন নামের এক ছাত্রকে হত্যা। তাকে গুলিবিদ্ধ, অচেতন অবস্থায় এপিসি (আর্মার্ড পার্সোনেল ক্যারিয়ার) থেকে ফেলে দেয়া হয়েছিল। ঘটনাটি ঘটে সাভারে।

তাজুল ইসলাম বলেন, সাভার অঞ্চলে যে শহীদ ও অসংখ্য মানুষকে গুলি করার ঘটনা ঘটেছে, সে সময় শাহিদুল সেখানকার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছিলেন। তদন্ত সংস্থা তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পায়। এ কারণে ট্রাইব্যুনালের কাছে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা চাওয়া হয়েছিল।

জনপ্রিয়

‘আমি জানি না, সে আমাকে কেন মেরেছে’, নিজ বন্ধুর হাতে রক্তাক্ত কুবি শিক্ষার্থী

লাশ পোড়ানো সেই শাহিদুল কারাগারে

প্রকাশিত ০৫:০৪:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৪

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনকালে দুই শতাধিক ছাত্র হত্যার অভিযোগে ঢাকা জেলা পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত সুপার (সাভার সার্কেল) মো. শাহিদুল ইসলামকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। তার বিরুদ্ধে লাশ পোড়ানোসহ কয়েকটি মামলা রয়েছে আশুলিয়া ও সাভার থানায়।

আজ বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর) বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এই আদেশ দেন। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, গত ২৭ অক্টোবর ১৭ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন ট্রাইব্যুনাল। এই পুলিশ কর্মকর্তাদের একজন শাহিদুল। তার সবশেষ কর্মস্থল কক্সবাজার। সেখান থেকেই তাকে গ্রেপ্তার করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

তিনি বলেন, শাহিদুলকে আজ (বৃহস্পতিবার) সকালে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। তার বিরুদ্ধে সাভার অঞ্চলে দুইশতের মতো ছাত্রকে নির্বিচারে গুলি করে হত্যার অভিযোগ আছে। এর মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত আসাদুল ইয়ামিন নামের এক ছাত্রকে হত্যা। তাকে গুলিবিদ্ধ, অচেতন অবস্থায় এপিসি (আর্মার্ড পার্সোনেল ক্যারিয়ার) থেকে ফেলে দেয়া হয়েছিল। ঘটনাটি ঘটে সাভারে।

তাজুল ইসলাম বলেন, সাভার অঞ্চলে যে শহীদ ও অসংখ্য মানুষকে গুলি করার ঘটনা ঘটেছে, সে সময় শাহিদুল সেখানকার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছিলেন। তদন্ত সংস্থা তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পায়। এ কারণে ট্রাইব্যুনালের কাছে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা চাওয়া হয়েছিল।