ঢাকা ১২:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাস নিয়ে কুবি কুইজ সোসাইটির কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত Logo ফুলেল শুভেচ্ছা না নিয়ে দায়িত্বশীলতার বার্তা দিলেন গোবিপ্রবির নবনিযুক্ত উপাচার্য Logo জুলাইয়ের চেতনা নিয়ে ব্যবসা না করার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর Logo বিশ্বকাপ ফাইনাল উপলক্ষে নোবিপ্রবিতে সন্ধ্যা থেকে বহিরাগত প্রবেশ নিষিদ্ধ Logo রাবিতে দুই প্রফেসরের স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল Logo কুবি পরিসংখ্যান সমিতির নেতৃত্বে হামীম-রাহীম Logo জুলাই শহিদদের স্মরণে কবি নজরুল কলেজ ছাত্রদলের মোমবাতি প্রজ্জ্বলন Logo চরভদ্রাসনে সংসদ সদস্য বাবুলের উপস্থিতিতে ৫০০ দুস্থ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ Logo গোবিপ্রবির নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. নাজমুল সাদাত Logo পাসপোর্টে যুক্ত হচ্ছে শহীদ আবু সাঈদ-মুগ্ধ-ওয়াসিমের ছবি

লাশ পোড়ানো সেই শাহিদুল কারাগারে

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনকালে দুই শতাধিক ছাত্র হত্যার অভিযোগে ঢাকা জেলা পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত সুপার (সাভার সার্কেল) মো. শাহিদুল ইসলামকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। তার বিরুদ্ধে লাশ পোড়ানোসহ কয়েকটি মামলা রয়েছে আশুলিয়া ও সাভার থানায়।

আজ বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর) বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এই আদেশ দেন। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, গত ২৭ অক্টোবর ১৭ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন ট্রাইব্যুনাল। এই পুলিশ কর্মকর্তাদের একজন শাহিদুল। তার সবশেষ কর্মস্থল কক্সবাজার। সেখান থেকেই তাকে গ্রেপ্তার করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

তিনি বলেন, শাহিদুলকে আজ (বৃহস্পতিবার) সকালে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। তার বিরুদ্ধে সাভার অঞ্চলে দুইশতের মতো ছাত্রকে নির্বিচারে গুলি করে হত্যার অভিযোগ আছে। এর মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত আসাদুল ইয়ামিন নামের এক ছাত্রকে হত্যা। তাকে গুলিবিদ্ধ, অচেতন অবস্থায় এপিসি (আর্মার্ড পার্সোনেল ক্যারিয়ার) থেকে ফেলে দেয়া হয়েছিল। ঘটনাটি ঘটে সাভারে।

তাজুল ইসলাম বলেন, সাভার অঞ্চলে যে শহীদ ও অসংখ্য মানুষকে গুলি করার ঘটনা ঘটেছে, সে সময় শাহিদুল সেখানকার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছিলেন। তদন্ত সংস্থা তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পায়। এ কারণে ট্রাইব্যুনালের কাছে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা চাওয়া হয়েছিল।

জনপ্রিয়

ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাস নিয়ে কুবি কুইজ সোসাইটির কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

লাশ পোড়ানো সেই শাহিদুল কারাগারে

প্রকাশিত ০৫:০৪:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৪

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনকালে দুই শতাধিক ছাত্র হত্যার অভিযোগে ঢাকা জেলা পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত সুপার (সাভার সার্কেল) মো. শাহিদুল ইসলামকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। তার বিরুদ্ধে লাশ পোড়ানোসহ কয়েকটি মামলা রয়েছে আশুলিয়া ও সাভার থানায়।

আজ বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর) বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এই আদেশ দেন। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, গত ২৭ অক্টোবর ১৭ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন ট্রাইব্যুনাল। এই পুলিশ কর্মকর্তাদের একজন শাহিদুল। তার সবশেষ কর্মস্থল কক্সবাজার। সেখান থেকেই তাকে গ্রেপ্তার করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

তিনি বলেন, শাহিদুলকে আজ (বৃহস্পতিবার) সকালে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। তার বিরুদ্ধে সাভার অঞ্চলে দুইশতের মতো ছাত্রকে নির্বিচারে গুলি করে হত্যার অভিযোগ আছে। এর মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত আসাদুল ইয়ামিন নামের এক ছাত্রকে হত্যা। তাকে গুলিবিদ্ধ, অচেতন অবস্থায় এপিসি (আর্মার্ড পার্সোনেল ক্যারিয়ার) থেকে ফেলে দেয়া হয়েছিল। ঘটনাটি ঘটে সাভারে।

তাজুল ইসলাম বলেন, সাভার অঞ্চলে যে শহীদ ও অসংখ্য মানুষকে গুলি করার ঘটনা ঘটেছে, সে সময় শাহিদুল সেখানকার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছিলেন। তদন্ত সংস্থা তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পায়। এ কারণে ট্রাইব্যুনালের কাছে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা চাওয়া হয়েছিল।