ঢাকা ০৫:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনের মুখে ভুয়া জরিপের ফাঁদ, আস্থার সংকট Logo কামিন্দুর ‘প্রথম’ সেঞ্চুরি Logo কড়া নিরাপত্তায় রূপপুরে পৌঁছাল ইউরেনিয়ামের আরেকটি চালান Logo বড় সাজ্জাদের ‘নতুন সহযোগী’ গ্রেপ্তার, পুলিশ বলছে তার ‘বেতন ৫০ হাজার’ Logo ট্রাফিক সংকটে রেডিট, এখন থেকে কনটেন্ট দেখতে লাগবে লগইন Logo দীর্ঘায়ু ও সুস্থ বার্ধক্যের বিষয়ে প্রচলিত ৬টি ভুল ধারণা Logo শুরু হতে যাচ্ছে ‘দ্য ফ্লো ফেস্ট’: একাকিত্ব দূর করার নতুন উদ্যোগ Logo যুক্তরাষ্ট্রে ‘অবৈধ ভোট’ দেওয়ার অভিযোগে বাংলাদেশির বিরুদ্ধে মামলা Logo ঢাবিতে ভর্তি হওয়া উচিত নয়: ফজলুর রহমান Logo ‘বহুরুপী ৩’: ‘ডাকাতদের’ সঙ্গে থাকছেন মিঠুন চক্রবর্তী

জামায়াতের একজন প্রার্থী থাকলেও হাত-পা ভেঙে দেওয়া হবে – বিএনপি নেতা

যশোরের মনিরামপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান মিন্টু এক বক্তব্যে বলেছেন, ফ্যামিলি কার্ডের নিয়োগ পরীক্ষায় জামায়াতের একজন প্রার্থী থাকলেও ‘হাত-পা ভেঙে দেওয়া হবে’। তার এমন বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। গত কয়েকদিন ধরে তার ওই বক্তব্যের ভিডিও বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

তিনি দাবি করেছেন, এটি ছিল রাজনৈতিক বক্তব্য। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, পরবর্তী সময়ে ফ্যামিলি কার্ডের নিয়োগ পরীক্ষা শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে জামায়াত ও বিএনপি উভয় দলের সমর্থকেরাই অংশ নিয়েছেন।

জানা গেছে, গত ২৫ জুলাই ১২ নম্বর শ্যামকুড় ইউনিয়ন বিএনপির যৌথ সভায় বক্তব্য দেন আসাদুজ্জামান মিন্টু। সেখানে তিনি বলেন, ‘আমি এইখান থেকে হুঁশিয়ার করে দিতে চাই, আগামীকাল সকাল থেকে ফ্যামিলি কার্ডের নিয়োগ পরীক্ষা হবে। একজন জামায়াতে ইসলামের কোনো কর্মীকে যদি উপজেলার মাঠে পাই, হাত-পা ভেঙে দেওয়া হবে।’

একই বক্তব্যে তিনি উপস্থিত নারী সমর্থকদের উদ্দেশে বলেন, আগামী দিনে যেন তারা জামায়াতে ইসলামীর ‘বিভ্রান্তিমূলক কথাবার্তা’ সম্পর্কে সচেতন থাকেন। তিনি আরও বলেন, কেউ নামাজ না পড়লে, কোরআন তিলাওয়াত না করলে বা সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও ফিতরা না দিলে তাকে কি বেহেশতে নেওয়া হবে—এমন প্রশ্ন তুলে তিনি মন্তব্য করেন, আল্লাহর নির্ধারিত পাঁচটি স্তম্ভের ওপর আমল করলেই মুক্তি মিলবে।

ভাইরাল হওয়া বক্তব্য সম্পর্কে জানতে চাইলে আসাদুজ্জামান মিন্টু জানান, ভাইরাল হওয়া বক্তব্যটি ছিল সম্পূর্ণ রাজনৈতিক বক্তব্য। রাজনৈতিক মঞ্চে অনেক সময় এ ধরনের বক্তব্য দিতে হয়। বিষয়টিকে বাস্তব কোনো নির্দেশনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।

আসাদুজ্জামান মিন্টু দাবি করেন, ফ্যামিলি কার্ড পরীক্ষায় জামায়াত ও বিএনপি উভয় দলের সমর্থকেরাই অংশ নিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘জামায়াতের প্রায় ১ হাজার ৩০০ জন এবং বিএনপির প্রায় ৭০০ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। সবারই পরীক্ষা হয়েছে। কোনো ধরনের সমস্যা হয়নি।’

তিনি আরও বলেন, ‘২৯ তারিখ পরীক্ষা শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। আমি নিজেও সেখানে উপস্থিত ছিলাম। আমার বক্তব্যকে কেন্দ্র করে কেউ যেন কোনো ধরনের প্রতিক্রিয়া না দেখায়, সেদিকেও আমরা সতর্ক ছিলাম। কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।’

জামায়াত নেতাদের সঙ্গেও এ বিষয়ে কথা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘তাদের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। আমাদের এমপিও বিষয়টি জানতে চেয়েছিলেন। আমি সবাইকে বলেছি, এটি রাজনৈতিক বক্তব্য ছিল। এ নিয়ে কোনো সমস্যা নেই।’

তবে এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে চাইলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনিরামপুর উপজেলা শাখার আমির ও যশোর জেলা শূরা সদস্য সহকারী অধ্যাপক ফজলুর রহমান ব্যস্ত থাকার কথা জানিয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

জনপ্রিয়

যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনের মুখে ভুয়া জরিপের ফাঁদ, আস্থার সংকট

জামায়াতের একজন প্রার্থী থাকলেও হাত-পা ভেঙে দেওয়া হবে – বিএনপি নেতা

প্রকাশিত ০৫:৫৪:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬

যশোরের মনিরামপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান মিন্টু এক বক্তব্যে বলেছেন, ফ্যামিলি কার্ডের নিয়োগ পরীক্ষায় জামায়াতের একজন প্রার্থী থাকলেও ‘হাত-পা ভেঙে দেওয়া হবে’। তার এমন বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। গত কয়েকদিন ধরে তার ওই বক্তব্যের ভিডিও বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

তিনি দাবি করেছেন, এটি ছিল রাজনৈতিক বক্তব্য। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, পরবর্তী সময়ে ফ্যামিলি কার্ডের নিয়োগ পরীক্ষা শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে জামায়াত ও বিএনপি উভয় দলের সমর্থকেরাই অংশ নিয়েছেন।

জানা গেছে, গত ২৫ জুলাই ১২ নম্বর শ্যামকুড় ইউনিয়ন বিএনপির যৌথ সভায় বক্তব্য দেন আসাদুজ্জামান মিন্টু। সেখানে তিনি বলেন, ‘আমি এইখান থেকে হুঁশিয়ার করে দিতে চাই, আগামীকাল সকাল থেকে ফ্যামিলি কার্ডের নিয়োগ পরীক্ষা হবে। একজন জামায়াতে ইসলামের কোনো কর্মীকে যদি উপজেলার মাঠে পাই, হাত-পা ভেঙে দেওয়া হবে।’

একই বক্তব্যে তিনি উপস্থিত নারী সমর্থকদের উদ্দেশে বলেন, আগামী দিনে যেন তারা জামায়াতে ইসলামীর ‘বিভ্রান্তিমূলক কথাবার্তা’ সম্পর্কে সচেতন থাকেন। তিনি আরও বলেন, কেউ নামাজ না পড়লে, কোরআন তিলাওয়াত না করলে বা সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও ফিতরা না দিলে তাকে কি বেহেশতে নেওয়া হবে—এমন প্রশ্ন তুলে তিনি মন্তব্য করেন, আল্লাহর নির্ধারিত পাঁচটি স্তম্ভের ওপর আমল করলেই মুক্তি মিলবে।

ভাইরাল হওয়া বক্তব্য সম্পর্কে জানতে চাইলে আসাদুজ্জামান মিন্টু জানান, ভাইরাল হওয়া বক্তব্যটি ছিল সম্পূর্ণ রাজনৈতিক বক্তব্য। রাজনৈতিক মঞ্চে অনেক সময় এ ধরনের বক্তব্য দিতে হয়। বিষয়টিকে বাস্তব কোনো নির্দেশনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।

আসাদুজ্জামান মিন্টু দাবি করেন, ফ্যামিলি কার্ড পরীক্ষায় জামায়াত ও বিএনপি উভয় দলের সমর্থকেরাই অংশ নিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘জামায়াতের প্রায় ১ হাজার ৩০০ জন এবং বিএনপির প্রায় ৭০০ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। সবারই পরীক্ষা হয়েছে। কোনো ধরনের সমস্যা হয়নি।’

তিনি আরও বলেন, ‘২৯ তারিখ পরীক্ষা শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। আমি নিজেও সেখানে উপস্থিত ছিলাম। আমার বক্তব্যকে কেন্দ্র করে কেউ যেন কোনো ধরনের প্রতিক্রিয়া না দেখায়, সেদিকেও আমরা সতর্ক ছিলাম। কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।’

জামায়াত নেতাদের সঙ্গেও এ বিষয়ে কথা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘তাদের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। আমাদের এমপিও বিষয়টি জানতে চেয়েছিলেন। আমি সবাইকে বলেছি, এটি রাজনৈতিক বক্তব্য ছিল। এ নিয়ে কোনো সমস্যা নেই।’

তবে এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে চাইলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনিরামপুর উপজেলা শাখার আমির ও যশোর জেলা শূরা সদস্য সহকারী অধ্যাপক ফজলুর রহমান ব্যস্ত থাকার কথা জানিয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।