ঢাকা ০১:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo নীল নদের কুমিরই কি আটকে দেবে ট্রাম্পের সব নির্মাণ প্রকল্প? Logo শরিয়াহর সঙ্গে সাংঘর্ষিকতার অভিযোগ, সংসদ থেকে বিরোধী দলের ওয়াকআউট Logo স্বল্প পুঁজিতে লড়াই করেও হার বাংলাদেশের Logo সালমান শাহর সঙ্গে কেমন সম্পর্ক ছিল, জানালেন শাবনূর Logo পাড়ার মানুষের ব্যক্তিগত খবর বিক্রি করে দুই বাড়ির মালিক নারী Logo ইন্দোনেশিয়ায় বিমানবন্দরে আটকা ১ লাখ ৭০ হাজার যাত্রী Logo মাননীয় স্পিকার, আমার একটা মাত্র বউ: সংসদে আইনমন্ত্রী Logo ফেনীতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বাস উল্টে কাস্টমস কর্মকর্তা নিহত Logo নতুন মোড়কে অধিকতর ক্ষমতায়িত ও জবাবদিহিহীন বাহিনী তৈরির আশঙ্কা টিআইবির Logo ‘যৌনকর্মের পেশা’ বৈধ হলে অপরাধ কমবে, দাবি পুনমের

দূষণমুক্ত নদী ও বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য দূষণমুক্ত নদী ও পরিচ্ছন্ন, বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে শুধু সরকারের ওপর নির্ভর না করে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে রাজধানী ঢাকার চারপাশের নদ-নদীর দূষণ নিয়ন্ত্রণ, বর্জ্য অপসারণ, সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা, নাব্যতা নিশ্চিতকরণ এবং বৃত্তাকার নৌপথের উন্নয়নসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আয়োজিত পর্যালোচনা সভায় তিনি এ আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, নিজেদের পাশাপাশি পরবর্তী প্রজন্মের জন্যও দূষণমুক্ত নদী ও একটি বাসযোগ্য পরিবেশ রেখে যাওয়ার চেষ্টা করতে হবে। এ জন্য শুধু সরকারি নির্দেশনার অপেক্ষায় থাকলে হবে না, ব্যক্তিগত দায়িত্ববোধ থেকেও সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

সভায় বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, ধলেশ্বরী, বালু ও শীতলক্ষ্যা নদী এবং এসব নদীর সঙ্গে সংযুক্ত খাল ও ড্রেনের দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও বর্জ্য অপসারণের কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হয়। একই সঙ্গে নদ-নদীর নাব্যতা ও পানির স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করা এবং ঢাকার চারপাশে বিদ্যমান বৃত্তাকার নৌপথের উন্নয়নসংক্রান্ত কার্যক্রম নিয়েও আলোচনা হয়।

এসব বিষয়ে এ পর্যন্ত নেওয়া পরিকল্পনাগুলো দ্রুত বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থাগুলোর মধ্যে যথাযথ সমন্বয় নিশ্চিত করে কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন তিনি।

সভায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি, নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. সাইমুম পারভেজ উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কমান্ডার ঢাকা নৌ অঞ্চল রিয়ার অ্যাডমিরাল আব্দুল্লাহ-আল-মাকসুস, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিব, ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সভায় অংশ নেন।

জনপ্রিয়

নীল নদের কুমিরই কি আটকে দেবে ট্রাম্পের সব নির্মাণ প্রকল্প?

দূষণমুক্ত নদী ও বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত ০৭:০৬:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য দূষণমুক্ত নদী ও পরিচ্ছন্ন, বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে শুধু সরকারের ওপর নির্ভর না করে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে রাজধানী ঢাকার চারপাশের নদ-নদীর দূষণ নিয়ন্ত্রণ, বর্জ্য অপসারণ, সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা, নাব্যতা নিশ্চিতকরণ এবং বৃত্তাকার নৌপথের উন্নয়নসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আয়োজিত পর্যালোচনা সভায় তিনি এ আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, নিজেদের পাশাপাশি পরবর্তী প্রজন্মের জন্যও দূষণমুক্ত নদী ও একটি বাসযোগ্য পরিবেশ রেখে যাওয়ার চেষ্টা করতে হবে। এ জন্য শুধু সরকারি নির্দেশনার অপেক্ষায় থাকলে হবে না, ব্যক্তিগত দায়িত্ববোধ থেকেও সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

সভায় বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, ধলেশ্বরী, বালু ও শীতলক্ষ্যা নদী এবং এসব নদীর সঙ্গে সংযুক্ত খাল ও ড্রেনের দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও বর্জ্য অপসারণের কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হয়। একই সঙ্গে নদ-নদীর নাব্যতা ও পানির স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করা এবং ঢাকার চারপাশে বিদ্যমান বৃত্তাকার নৌপথের উন্নয়নসংক্রান্ত কার্যক্রম নিয়েও আলোচনা হয়।

এসব বিষয়ে এ পর্যন্ত নেওয়া পরিকল্পনাগুলো দ্রুত বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থাগুলোর মধ্যে যথাযথ সমন্বয় নিশ্চিত করে কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন তিনি।

সভায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি, নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. সাইমুম পারভেজ উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কমান্ডার ঢাকা নৌ অঞ্চল রিয়ার অ্যাডমিরাল আব্দুল্লাহ-আল-মাকসুস, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিব, ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সভায় অংশ নেন।