ঢাকা ০৩:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo মানসম্পন্ন ফিজিওথেরাপিস্ট তৈরির আহ্বান জানালেন অধ্যাপক ডা. জাহিদ Logo ‘১০ বছর পিছিয়ে গেছে পাকিস্তান ক্রিকেট!’ Logo লাইব্রেরির পাশে নামাজের জন্য নির্ধারিত স্থান চায় পাবিপ্রবি ছাত্রদল Logo সংসদীয় কমিটিতে মন্ত্রী-হুইপদের রাখা নিয়ে স্পিকারের উষ্মা Logo আবারও বাঁচালেন সেই বোলাররাই, স্বস্তির জয়ে সেমিতে বাংলাদেশ Logo হরমুজের প্রবেশমুখে আটক যুক্তরাষ্ট্রের ‘সাবমেরিন ড্রোন’ Logo ডাকসুর স্বাস্থ্য ক্যাম্পে বিনামূল্যে চিকিৎসা পেলেন ৩ হাজার শিক্ষার্থী Logo সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক থেকে দ্বিতীয় দিন ৩২৭ কোটি টাকা তুললেন গ্রাহকরা Logo সরকারি চাকরির নিয়োগে দলীয়করণ-দুর্নীতি তৈরি করবে ভাইভার নম্বর বৃদ্ধি Logo বোলারদের তোপে সেমিফাইনালে বাংলাদেশ, প্রতিপক্ষ ভারত

সংসদীয় কমিটিতে মন্ত্রী-হুইপদের রাখা নিয়ে স্পিকারের উষ্মা

জাতীয় সংসদের সংসদীয় স্থায়ী কমিটিগুলোতে প্রতিমন্ত্রী ও হুইপদের সদস্য এবং সভাপতি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। সাম্প্রতিক সময়ে গঠিত কয়েকটি কমিটিতে সরকারি পদমর্যাদা সম্পন্ন প্রভাবশালী ব্যক্তিদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়ায় সংসদীয় প্রথার ব্যত্যয় ঘটছে বলে মনে করছেন তিনি। সংসদ অধিবেশনে বিষয়টি নিয়ে কথা বলার সময় স্পিকার স্পষ্ট করে জানান যে, সংসদীয় কমিটিগুলোর নেতৃত্ব সাধারণত সাধারণ বা বেসরকারি সদস্যদের হাতেই থাকা উচিত।

এর আগে গত ৮ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদে বেশ কয়েকটি নতুন সংসদীয় কমিটি গঠন এবং কয়েকটি কমিটি পুনর্গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেন চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম। সেই প্রক্রিয়ায় প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা সম্পন্ন চারজন হুইপকে আলাদা চারটি সংসদীয় কমিটির সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়। এর মধ্যে হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুলকে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত কমিটি, হুইপ রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত কমিটির সভাপতি করা হয়েছে।

এছাড়াও বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত কমিটির সভাপতি করা হয় হুইপ আখতারুজ্জামান মিয়াকে এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পান হুইপ জি কে গউছ। একই সঙ্গে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহ আলমকে স্বরাষ্ট্র এবং অর্থ মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য করা হয়েছে। সাধারণ সংসদীয় রীতি অনুযায়ী মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রীরা কেবল সংশ্লিষ্ট বা নিজ মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটির সদস্য হতে পারেন, কিন্তু অন্য কমিটিতে তাদের উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

চিফ হুইপকে উদ্দেশ্য করে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন যে, সংসদীয় কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে কমিটির প্রধান বা সভাপতি পদটি বেসরকারি সদস্যদের জন্য বরাদ্দ থাকার দীর্ঘদিনের প্রথা রয়েছে। যদিও মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রীদের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কমিটিতে সদস্য হিসেবে রাখার বিধান রয়েছে, তবুও অন্যান্য কমিটিতে উচ্চপদস্থ ও সরকারি সুবিধাভোগী ব্যক্তিদের রাখা কতটা যৌক্তিক তা নিয়ে ভাবার সময় এসেছে। তিনি ভবিষ্যতে এ ধরনের কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে সংসদীয় ঐতিহ্য ও প্রচলিত নিয়ম কঠোরভাবে মেনে চলার জন্য চিফ হুইপকে বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছেন।

জনপ্রিয়

মানসম্পন্ন ফিজিওথেরাপিস্ট তৈরির আহ্বান জানালেন অধ্যাপক ডা. জাহিদ

সংসদীয় কমিটিতে মন্ত্রী-হুইপদের রাখা নিয়ে স্পিকারের উষ্মা

প্রকাশিত ০২:৩৩:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতীয় সংসদের সংসদীয় স্থায়ী কমিটিগুলোতে প্রতিমন্ত্রী ও হুইপদের সদস্য এবং সভাপতি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। সাম্প্রতিক সময়ে গঠিত কয়েকটি কমিটিতে সরকারি পদমর্যাদা সম্পন্ন প্রভাবশালী ব্যক্তিদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়ায় সংসদীয় প্রথার ব্যত্যয় ঘটছে বলে মনে করছেন তিনি। সংসদ অধিবেশনে বিষয়টি নিয়ে কথা বলার সময় স্পিকার স্পষ্ট করে জানান যে, সংসদীয় কমিটিগুলোর নেতৃত্ব সাধারণত সাধারণ বা বেসরকারি সদস্যদের হাতেই থাকা উচিত।

এর আগে গত ৮ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদে বেশ কয়েকটি নতুন সংসদীয় কমিটি গঠন এবং কয়েকটি কমিটি পুনর্গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেন চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম। সেই প্রক্রিয়ায় প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা সম্পন্ন চারজন হুইপকে আলাদা চারটি সংসদীয় কমিটির সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়। এর মধ্যে হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুলকে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত কমিটি, হুইপ রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত কমিটির সভাপতি করা হয়েছে।

এছাড়াও বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত কমিটির সভাপতি করা হয় হুইপ আখতারুজ্জামান মিয়াকে এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পান হুইপ জি কে গউছ। একই সঙ্গে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহ আলমকে স্বরাষ্ট্র এবং অর্থ মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য করা হয়েছে। সাধারণ সংসদীয় রীতি অনুযায়ী মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রীরা কেবল সংশ্লিষ্ট বা নিজ মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটির সদস্য হতে পারেন, কিন্তু অন্য কমিটিতে তাদের উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

চিফ হুইপকে উদ্দেশ্য করে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন যে, সংসদীয় কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে কমিটির প্রধান বা সভাপতি পদটি বেসরকারি সদস্যদের জন্য বরাদ্দ থাকার দীর্ঘদিনের প্রথা রয়েছে। যদিও মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রীদের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কমিটিতে সদস্য হিসেবে রাখার বিধান রয়েছে, তবুও অন্যান্য কমিটিতে উচ্চপদস্থ ও সরকারি সুবিধাভোগী ব্যক্তিদের রাখা কতটা যৌক্তিক তা নিয়ে ভাবার সময় এসেছে। তিনি ভবিষ্যতে এ ধরনের কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে সংসদীয় ঐতিহ্য ও প্রচলিত নিয়ম কঠোরভাবে মেনে চলার জন্য চিফ হুইপকে বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছেন।