ঢাকা ০৫:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo এসএসসির ফল পুনর্নিরীক্ষণের ফল বৃহস্পতিবার, জানা যাবে যেভাবে Logo বিশ্বের ভয়াবহতম হাম পরিস্থিতি বাংলাদেশে Logo গভীর সাগরে নতুন এলএনজি টার্মিনাল ও ২৬ ব্লকে হবে তেল-গ্যাস অনুসন্ধান Logo রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের পদবিতে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ না লেখার নির্দেশ Logo বজ্রপাতে বিদ্যুৎমন্ত্রী টুকুর বাসায় আগুন Logo ভেনিসে বাঁধনের ওপর হামলা, দৃশ্যমাধ্যমের বিবৃতিতে বিচার চাইলেন ১২২ জন Logo রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী পদের আগে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ লেখা যাবে না Logo রেকর্ড বৃষ্টিতে ডুবছে জাপান, সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি Logo সোনালী ব্যাংকের কর্মকর্তাসহ ৭ জনের কারাদণ্ড Logo ১০০ ডলার ছাড়াল তেলের দাম, বিশ্ব অর্থনীতিতে শঙ্কার ছায়া

রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের পদবিতে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ না লেখার নির্দেশ

সরকারি দাপ্তরিক যোগাযোগ, বিভিন্ন নথিপত্র এবং সারসংক্ষেপ উপস্থাপনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে সরকার। এখন থেকে রাষ্ট্রে সর্বোচ্চ পর্যায়ে যোগাযোগের সময় রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং মন্ত্রীদের নামের আগে নির্দিষ্ট কিছু সম্মানসূচক শব্দ ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এর ফলে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা আনুষ্ঠানিকতা বা প্রথার একটি বড় পরিবর্তন আসলো প্রশাসনিক কার্যক্রমে।

প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে, সাম্প্রতিক এই নির্দেশনার মূল উদ্দেশ্য হলো সরকারি চিঠিপত্র ও দাপ্তরিক কার্যক্রমে অপ্রয়োজনীয় আড়ম্বর ও বিশেষ উপাধির ব্যবহার কমানো। এতদিন ধরে দাপ্তরিক নথিতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষেত্রে ‘মহামান্য’ এবং মন্ত্রীদের ক্ষেত্রে ‘মাননীয়’ শব্দগুলো ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক বা প্রচলিত নিয়ম হিসেবে গণ্য হতো। নতুন এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে সেই প্রচলিত ধারা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সরে আসছে প্রশাসন।

সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারক মহলের মতে, আধুনিক ও জনমুখী প্রশাসন গড়ে তোলার ক্ষেত্রে এই ধরনের সংস্কার অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। রাষ্ট্রের শীর্ষপদগুলোতে বসা ব্যক্তিবর্গকে বিশেষ উপাধিতে ভূষিত করার সংস্কৃতি বাদ দিয়ে আরও কার্যকারণভিত্তিক ও প্রাতিষ্ঠানিক উপায়ে দাপ্তরিক কাজ পরিচালনা করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও প্রটোকলের মাত্রা কিছুটা হলেও হ্রাস পাবে বলে মনে করছেন প্রশাসনিক বিশ্লেষকরা।

খুব শীঘ্রই সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ এবং এর অধীনস্থ দপ্তরগুলোতে এই নির্দেশনা বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। সরকারি কর্মকর্তাদের এখন থেকে দাপ্তরিক নথিপত্র তৈরিতে এই নতুন নিয়ম কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে। এই পরিবর্তনের ফলে সামগ্রিক সরকারি কার্যক্রমে একটি আধুনিক ও সমতাভিত্তিক ভাবমূর্তি গড়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে।

জনপ্রিয়

এসএসসির ফল পুনর্নিরীক্ষণের ফল বৃহস্পতিবার, জানা যাবে যেভাবে

রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের পদবিতে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ না লেখার নির্দেশ

প্রকাশিত ০৪:৩৫:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সরকারি দাপ্তরিক যোগাযোগ, বিভিন্ন নথিপত্র এবং সারসংক্ষেপ উপস্থাপনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে সরকার। এখন থেকে রাষ্ট্রে সর্বোচ্চ পর্যায়ে যোগাযোগের সময় রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং মন্ত্রীদের নামের আগে নির্দিষ্ট কিছু সম্মানসূচক শব্দ ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এর ফলে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা আনুষ্ঠানিকতা বা প্রথার একটি বড় পরিবর্তন আসলো প্রশাসনিক কার্যক্রমে।

প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে, সাম্প্রতিক এই নির্দেশনার মূল উদ্দেশ্য হলো সরকারি চিঠিপত্র ও দাপ্তরিক কার্যক্রমে অপ্রয়োজনীয় আড়ম্বর ও বিশেষ উপাধির ব্যবহার কমানো। এতদিন ধরে দাপ্তরিক নথিতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষেত্রে ‘মহামান্য’ এবং মন্ত্রীদের ক্ষেত্রে ‘মাননীয়’ শব্দগুলো ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক বা প্রচলিত নিয়ম হিসেবে গণ্য হতো। নতুন এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে সেই প্রচলিত ধারা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সরে আসছে প্রশাসন।

সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারক মহলের মতে, আধুনিক ও জনমুখী প্রশাসন গড়ে তোলার ক্ষেত্রে এই ধরনের সংস্কার অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। রাষ্ট্রের শীর্ষপদগুলোতে বসা ব্যক্তিবর্গকে বিশেষ উপাধিতে ভূষিত করার সংস্কৃতি বাদ দিয়ে আরও কার্যকারণভিত্তিক ও প্রাতিষ্ঠানিক উপায়ে দাপ্তরিক কাজ পরিচালনা করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও প্রটোকলের মাত্রা কিছুটা হলেও হ্রাস পাবে বলে মনে করছেন প্রশাসনিক বিশ্লেষকরা।

খুব শীঘ্রই সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ এবং এর অধীনস্থ দপ্তরগুলোতে এই নির্দেশনা বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। সরকারি কর্মকর্তাদের এখন থেকে দাপ্তরিক নথিপত্র তৈরিতে এই নতুন নিয়ম কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে। এই পরিবর্তনের ফলে সামগ্রিক সরকারি কার্যক্রমে একটি আধুনিক ও সমতাভিত্তিক ভাবমূর্তি গড়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে।