ঢাকা ০৩:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo যুক্তরাজ্যে বৈধভাবে স্থায়ী হতে বেশির ভাগের ১০ বছর অপেক্ষা করতে হবে Logo পাচার করা অর্থ ফেরাতে হংকংয়ের সঙ্গে চুক্তির খসড়ায় সায় Logo সিলিন্ডার নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এনসিপি Logo প্রাক-অর্থায়ন তহবিল: বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে আইএফআইসির চুক্তি Logo বায়ার্ন ম্যাচের আগে ‘অবিশ্বাস্য’ কেইনকে অভিনন্দন জানালেন সিমেওনে Logo বাদাম বিক্রির জীবন থেকে স্কুলের আঙিনায় ৮ বছরের হাসান Logo গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি নবায়নের বিষয়ে যা বললেন শামা ওবায়েদ Logo রাজধানীতে বসছে আদিবাসী খাদ্য ও শস্য মেলা Logo কানাডায় যাচ্ছেন শিবলী-নিপা, শিক্ষার্থীদের নিয়ে এক মঞ্চে পরিবেশনা Logo পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইনের সংশোধনে চূড়ান্ত অনুমোদন

শুক্রবার এলেই বদলে যায় জয়দেবপুর স্টেশন, মাদুরে বসে স্বপ্ন বোনে শত পথশিশু

সাপ্তাহিক ছুটির দিন এলেই এক অন্য রূপ ধারণ করে জয়দেবপুর রেলওয়ে জংশন স্টেশন। সপ্তাহের অন্যান্য দিনের মতো সেদিনও যাত্রীদের যাতায়াত এবং হকারদের ব্যস্ততা অব্যাহত থাকে। তবে এর মাঝেই স্টেশনের একটি নির্দিষ্ট পরিত্যক্ত প্ল্যাটফর্মে তৈরি হয় সম্পূর্ণ ভিন্ন এক পরিবেশ, যা সাধারণ দিনের ব্যস্ততা থেকে বেশ আলাদা।

ওই নির্দিষ্ট প্ল্যাটফর্মটিতে জড়ো হয় এলাকার শতাধিক পথশিশু। জীবনের কঠোর বাস্তবতায় যাদের শৈশব কাটে অনিশ্চয়তার মধ্যে, তারা সেখানে এসে কিছুটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলার সুযোগ পায়। কংক্রিটের ঠান্ডা মেঝেতে মাদুর পেতে বসে তারা, আর এই বসাটাই তাদের কাছে রূপ নেয় এক আনন্দের মিলনমেলায়।

পরিবারের আর্থিক অস্বচ্ছলতা এবং সুরক্ষার অভাবের কারণে এসব শিশুর বেশিরভাগই শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত। পেটের টানে কেউ ফুল বিক্রি করে, কেউ আবার কুড়ায় প্লাস্টিক বা লোহা। তবে শুক্রবারের এই বিশেষ আয়োজনে তারা তাদের দুঃখ-কষ্টগুলোকে কিছুটা সময়ের জন্য হলেও দূরে সরিয়ে রাখতে পারে।

মাদুর পেতে বসা এই পথশিশুরা কেবল সময় কাটায় না, বরং তাদের মলিন চোখেমুখে ঝিলিক দেয় এক উজ্জ্বল ভবিষ্যতের স্বপ্ন। সমাজের অবহেলিত এই শিশুগুলোর মুখে হাসি ফোটাতে এবং তাদের মাঝে শিক্ষার আলো পৌঁছে দিতে এমন উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

জনপ্রিয়

যুক্তরাজ্যে বৈধভাবে স্থায়ী হতে বেশির ভাগের ১০ বছর অপেক্ষা করতে হবে

শুক্রবার এলেই বদলে যায় জয়দেবপুর স্টেশন, মাদুরে বসে স্বপ্ন বোনে শত পথশিশু

প্রকাশিত ১০:৪৬:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সাপ্তাহিক ছুটির দিন এলেই এক অন্য রূপ ধারণ করে জয়দেবপুর রেলওয়ে জংশন স্টেশন। সপ্তাহের অন্যান্য দিনের মতো সেদিনও যাত্রীদের যাতায়াত এবং হকারদের ব্যস্ততা অব্যাহত থাকে। তবে এর মাঝেই স্টেশনের একটি নির্দিষ্ট পরিত্যক্ত প্ল্যাটফর্মে তৈরি হয় সম্পূর্ণ ভিন্ন এক পরিবেশ, যা সাধারণ দিনের ব্যস্ততা থেকে বেশ আলাদা।

ওই নির্দিষ্ট প্ল্যাটফর্মটিতে জড়ো হয় এলাকার শতাধিক পথশিশু। জীবনের কঠোর বাস্তবতায় যাদের শৈশব কাটে অনিশ্চয়তার মধ্যে, তারা সেখানে এসে কিছুটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলার সুযোগ পায়। কংক্রিটের ঠান্ডা মেঝেতে মাদুর পেতে বসে তারা, আর এই বসাটাই তাদের কাছে রূপ নেয় এক আনন্দের মিলনমেলায়।

পরিবারের আর্থিক অস্বচ্ছলতা এবং সুরক্ষার অভাবের কারণে এসব শিশুর বেশিরভাগই শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত। পেটের টানে কেউ ফুল বিক্রি করে, কেউ আবার কুড়ায় প্লাস্টিক বা লোহা। তবে শুক্রবারের এই বিশেষ আয়োজনে তারা তাদের দুঃখ-কষ্টগুলোকে কিছুটা সময়ের জন্য হলেও দূরে সরিয়ে রাখতে পারে।

মাদুর পেতে বসা এই পথশিশুরা কেবল সময় কাটায় না, বরং তাদের মলিন চোখেমুখে ঝিলিক দেয় এক উজ্জ্বল ভবিষ্যতের স্বপ্ন। সমাজের অবহেলিত এই শিশুগুলোর মুখে হাসি ফোটাতে এবং তাদের মাঝে শিক্ষার আলো পৌঁছে দিতে এমন উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।