জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার রাজনৈতিক অবস্থান এবং বিভিন্ন অভিযোগ থেকে দায়মুক্তি পাওয়া নিয়ে সম্প্রতি তীব্র সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া একটি পোস্টে তিনি এই মন্তব্য করেন, যা রাজনৈতিক মহলে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে। রাশেদ খাঁনের দাবি অনুযায়ী, অতীতের বিভিন্ন অভিযোগ থেকে বাঁচতেই এনসিপি নেতা জামায়াত জোটে ভিড়েছেন।
ওই ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খাঁন উল্লেখ করেন যে, আসিফ মাহমুদ যখন জামায়াতের রাজনীতির বাইরে ছিলেন, তখন তার বিরুদ্ধে আনা দুর্নীতির সব অভিযোগই সত্য বলে বিবেচিত হতো। এমনকি সেই সময়ে দুর্নীতির অভিযোগের কারণে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের জোরালো অনুরোধ সত্ত্বেও জামায়াতের আমির তাকে ঢাকা-১০ আসনে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া থেকে বিরত ছিলেন। অথচ রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তিনি এখন জামায়াত জোটের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন।
সংশ্লিষ্ট পোস্টে আরও বলা হয়, জামায়াত জোটে যোগ দেওয়ার পরেই যেন আসিফ মাহমুদের অতীতের সব অনিয়ম ও অপরাধ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ধুয়ে-মুছে গেছে। রাশেদ খাঁন বক্রোক্তি করে বলেন যে, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে কোনো ব্যক্তি অপরাধী না নিরপরাধ, তা নির্ধারিত হচ্ছে তার জামায়াতপন্থী হওয়ার ওপর। জামায়াতকে সমর্থন করলেই একজন কলঙ্কিত ব্যক্তিও মুহূর্তের মধ্যে ধোয়া তুলসি পাতা বা নিষ্পাপ ফেরেশতা বনে যান বলে তিনি অভিযোগ করেন।
সবশেষে প্রধানমন্ত্রী রাজনৈতিক সহকারী মন্তব্য করেন যে, এনসিপি যদি ভবিষ্যতে কখনো এই জোট ত্যাগ করে, তবে আসিফের বিচার করতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রয়োজন হবে না। তখন জামায়াত-শিবির নিজেই তার দুর্নীতির মামলার রায় ঘোষণা করবে। বর্তমান এই রাজনৈতিক কৌশলের মাধ্যমে আসিফ মাহমুদ কতদিন নিজেকে নিরাপদ রাখতে পারেন, সেটাই এখন দেখার বিষয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।




































