ঢাকা ০৩:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo হুমায়ুন-মিলিব্যান্ড সাক্ষাৎ: বাণিজ্য বাড়া ও এয়ারবাস কেনা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ Logo যুক্তরাজ্যে বৈধভাবে স্থায়ী হতে বেশির ভাগের ১০ বছর অপেক্ষা করতে হবে Logo পাচার করা অর্থ ফেরাতে হংকংয়ের সঙ্গে চুক্তির খসড়ায় সায় Logo সিলিন্ডার নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এনসিপি Logo প্রাক-অর্থায়ন তহবিল: বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে আইএফআইসির চুক্তি Logo বায়ার্ন ম্যাচের আগে ‘অবিশ্বাস্য’ কেইনকে অভিনন্দন জানালেন সিমেওনে Logo বাদাম বিক্রির জীবন থেকে স্কুলের আঙিনায় ৮ বছরের হাসান Logo গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি নবায়নের বিষয়ে যা বললেন শামা ওবায়েদ Logo রাজধানীতে বসছে আদিবাসী খাদ্য ও শস্য মেলা Logo কানাডায় যাচ্ছেন শিবলী-নিপা, শিক্ষার্থীদের নিয়ে এক মঞ্চে পরিবেশনা

নেশার টাকা না পেয়ে ১১ মাসের সন্তানকে বিক্রির হুমকি

গাইবান্ধা জেলায় মাদকের ভয়াবহতাসংক্রান্ত এক মর্মান্তিক ঘটনা সামনে এসেছে, যেখানে একজন মাদকাসক্ত ব্যক্তি তার নিজের শিশুকন্যাকে নিয়ে চরম নিষ্ঠুরতার আশ্রয় নিয়েছেন। জানা গেছে, হামিদুল মিয়া নামের এক ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্তির সঙ্গে জড়িত এবং এর জন্য তিনি প্রায়ই নিজ পরিবারে অশান্তি তৈরি করতেন। সম্প্রতি তার নেশার তীব্র চাহিদা মেটানোর জন্য কোনো উপায় না পেয়ে তিনি নিজের অবুঝ সন্তানকে নিশানা করেন। তার এই অমানবিক আচরণে পুরো এলাকায় গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত হামিদুল মিয়ার ১১ মাসের শিশু কন্যা ফাতেমা আক্তার জান্নাতকে বিক্রি করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন তিনি। মাদক কেনার টাকার জোগাড় করতে না পেরে তিনি এই নৃশংস পথ বেছে নেন এবং শিশুটিকে বাজারে বিক্রি করার কথা বলে তার স্ত্রীকে ব্ল্যাকমেইল করতে শুরু করেন। একটি নিষ্পাপ শিশুকে নিয়ে বাবার এমন ভয়ংকর ও নিষ্ঠুর মন্তব্যে শিশুটির মা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছেন এবং চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছেন।

মাদকাসক্তির কারণে পারিবারিক কলহ এবং অপরাধপ্রবণতা দিন দিন সমাজের বিভিন্ন স্তরে কীভাবে ছড়িয়ে পড়ছে, এই ঘটনা তারই একটি জ্বলন্ত উদাহরণ। সমাজের সচেতন নাগরিক ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এবং অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে দ্রুত কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি তুলেছেন। তারা মনে করছেন, এ ধরনের অপরাধীদের ছাড় দিলে তা শিশুদের নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়াবে।

বর্তমানে শিশুটির পরিবার ও স্থানীয় এলাকাবাসী ওই মাদকাসক্ত পিতার হাত থেকে শিশুটির সুনির্দিষ্ট নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এ বিষয়ে অবগত হয়ে উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলে প্রত্যাশা করছেন স্থানীয়রা। একইসঙ্গে মাদকাসক্তি নিরাময় ও এ ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার ওপরও জোর দেওয়া হচ্ছে।

জনপ্রিয়

হুমায়ুন-মিলিব্যান্ড সাক্ষাৎ: বাণিজ্য বাড়া ও এয়ারবাস কেনা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ

নেশার টাকা না পেয়ে ১১ মাসের সন্তানকে বিক্রির হুমকি

প্রকাশিত ০৫:৪৬:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গাইবান্ধা জেলায় মাদকের ভয়াবহতাসংক্রান্ত এক মর্মান্তিক ঘটনা সামনে এসেছে, যেখানে একজন মাদকাসক্ত ব্যক্তি তার নিজের শিশুকন্যাকে নিয়ে চরম নিষ্ঠুরতার আশ্রয় নিয়েছেন। জানা গেছে, হামিদুল মিয়া নামের এক ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্তির সঙ্গে জড়িত এবং এর জন্য তিনি প্রায়ই নিজ পরিবারে অশান্তি তৈরি করতেন। সম্প্রতি তার নেশার তীব্র চাহিদা মেটানোর জন্য কোনো উপায় না পেয়ে তিনি নিজের অবুঝ সন্তানকে নিশানা করেন। তার এই অমানবিক আচরণে পুরো এলাকায় গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত হামিদুল মিয়ার ১১ মাসের শিশু কন্যা ফাতেমা আক্তার জান্নাতকে বিক্রি করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন তিনি। মাদক কেনার টাকার জোগাড় করতে না পেরে তিনি এই নৃশংস পথ বেছে নেন এবং শিশুটিকে বাজারে বিক্রি করার কথা বলে তার স্ত্রীকে ব্ল্যাকমেইল করতে শুরু করেন। একটি নিষ্পাপ শিশুকে নিয়ে বাবার এমন ভয়ংকর ও নিষ্ঠুর মন্তব্যে শিশুটির মা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছেন এবং চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছেন।

মাদকাসক্তির কারণে পারিবারিক কলহ এবং অপরাধপ্রবণতা দিন দিন সমাজের বিভিন্ন স্তরে কীভাবে ছড়িয়ে পড়ছে, এই ঘটনা তারই একটি জ্বলন্ত উদাহরণ। সমাজের সচেতন নাগরিক ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এবং অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে দ্রুত কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি তুলেছেন। তারা মনে করছেন, এ ধরনের অপরাধীদের ছাড় দিলে তা শিশুদের নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়াবে।

বর্তমানে শিশুটির পরিবার ও স্থানীয় এলাকাবাসী ওই মাদকাসক্ত পিতার হাত থেকে শিশুটির সুনির্দিষ্ট নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এ বিষয়ে অবগত হয়ে উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলে প্রত্যাশা করছেন স্থানীয়রা। একইসঙ্গে মাদকাসক্তি নিরাময় ও এ ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার ওপরও জোর দেওয়া হচ্ছে।