চলমান ক্রিকেট বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম জয়ের সন্ধানে মাঠে নামতে যাচ্ছে আফগানিস্তান দল। টুর্নামেন্টের পয়েন্ট তালিকার তলানিতে থাকা দলটি এখন পর্যন্ত কোনো ম্যাচে জয়ের মুখ দেখেনি। ম্যানচেস্টারে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ শক্তিশালী স্বাগতিক ইংল্যান্ড। কাগজে-কলমে ম্যাচটি একপেশে মনে হলেও মাঠের লড়াইয়ে নিজেদের সেরাটা দেওয়ার লক্ষ্যেই নামবে আফগানরা।
বিশ্বকাপের মঞ্চে এর আগেও বড় দলগুলোর বিপক্ষে ছোট দলগুলোর অঘটনের ইতিহাস রয়েছে। ২০১১ ও ২০১৫ সালের আসরে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশের জয় কিংবা একই বছরে আয়ারল্যান্ডের রেকর্ড রান তাড়া করে জয়ের স্মৃতি এখনও বেশ তাজা। তবে এবারের আসরে বেশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে স্বাগতিক ইংলিশ দল। টুর্নামেন্টে নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে তারা প্রতিপক্ষকে বিন্দুমাত্র ছাড় দিতে নারাজ। বিশেষ করে পাকিস্তানের কাছে অপ্রত্যাশিত হারের পর ইংলিশরা এখন অনেক বেশি মনোযোগী।
অন্যদিকে, মাঠের বাইরের নানা বিতর্কের কারণে টুর্নামেন্টে নিজেদের স্বাভাবিক ছন্দ হারিয়েছে আফগানিস্তান দল। প্রতিযোগিতার ঠিক আগে অধিনায়ক পরিবর্তন, ওপেনার মোহাম্মদ শাহজাদকে ইনজুরির অজুহাতে দেশে ফেরত পাঠানো এবং ফর্মে থাকা নাজিবুল্লাহ জাদরানকে দল থেকে বাদ দেওয়ার মতো ঘটনা দলের ভেতরে অস্থিরতা তৈরি করেছে। ফলে তারকা খচিত ও ভারসাম্যপূর্ণ ইংল্যান্ড দলের বিপক্ষে তাদের লড়াই করা বেশ কঠিন হবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
ম্যাচটিতে আবহাওয়ার একটি বড় ভূমিকা থাকার সম্ভাবনা রয়েছে, কারণ ম্যানচেস্টারের আকাশে মেঘের পাশাপাশি বৃষ্টির পূর্বাভাসও রয়েছে। এই পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে টস জয়ী অধিনায়ক প্রথমে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। উইকেটে পেসারদের জন্য গতি ও বাউন্স থাকার পাশাপাশি স্পিনারদের জন্যও সুবিধা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। শেষ পর্যন্ত আফগানরা যদি নিজেদের সেরা ছন্দে ফিরতে পারে এবং বৃষ্টির কারণে ম্যাচের ভাগ্য ঘুরে যায়, তবে টুর্নামেন্টের সবচেয়ে বড় অঘটনও দেখতে পাওয়া অসম্ভব নয়।































