ঢাকা ১১:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নোয়াখালীতে ধরা পড়ল ৩ কেজির ইলিশ, বিক্রি হলো যে দামে

বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান নদনদী মেঘনা থেকে প্রায়শই বিভিন্ন আকৃতির মাছ শিকার করা হলেও সম্প্রতি এর ব্যতিক্রম একটি ঘটনা ঘটেছে। নদীটিতে জেলের জালে ধরা পড়েছে বিশাল আকারের এক ইলিশ মাছ, যা সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক কৌতূহলের সৃষ্টি করেছে। স্থানীয় জেলের বড়শিতে বা জালে আটকা পড়া এই ইলিশটির ওজন প্রায় তিন কেজি। এত বড় সাইজের ইলিশ সচরাচর এই অঞ্চলে দেখা মেলে না বললেই চলে।

বিশাল আকৃতির এই ইলিশটি আটকা পড়ার পর স্থানীয় মাছ বাজারে তোলার সঙ্গে সঙ্গেই উৎসুক জনতার ভিড় জমে যায়। বিক্রেতারা মাছটির ওজন যাচাই করে নিশ্চিত হন যে এটি প্রায় তিন কেজি ওজনের। নদীর এমন ইলিশ দেখতে বেশ সুশ্রী এবং এর স্বাদও অতুলনীয় হয়ে থাকে। তাই মাছটি বাজারে আসার পর থেকেই ক্রেতাদের মধ্যে এটি কেনার জন্য প্রতিযোগিতা শুরু হয়ে যায়।

উপস্থিত ক্রেতাদের মধ্যে দামাদামির পর শেষ পর্যন্ত মাছটি চড়া দামে বিক্রি করা হয়। সাধারণত ছোট ও মাঝারি আকারের ইলিশের আধিক্য দেখা গেলেও, তিন কেজি ওজনের এই মাছটির জন্য ক্রেতারা বেশ ভালোই দাম হাঁকেন। শেষ পর্যন্ত বেশ আকর্ষণীয় ও চড়া মূল্যেই মাছটির স্থানীয় এক ক্রেতার কাছে বিক্রি সম্পন্ন হয়, যা নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে বেশ আলোচনা চলছে।

মেঘনা নদীর অববাহিকায় মাঝে মাঝেই এ ধরনের বড় আকৃতির ইলিশ ধরা পড়ার খবর পাওয়া যায়। তবে তিন কেজির কাছাকাছি ওজনের ইলিশ পাওয়া বেশ বিরল ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। ইলিশের প্রজনন রক্ষা ও সংরক্ষণে সরকারের বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞার সুফল হিসেবে এমন বড় সাইজের মাছ নদীতে মিলছে বলে মনে করছেন অভিজ্ঞ মৎস্যজীবীরা।

জনপ্রিয়

ক্ষুধার তাড়নায় মিষ্টি কেড়ে খেয়েছিলেন নুর, গণপিটুনির পর আদালতে জরিমানা দিয়ে মুক্তি

নোয়াখালীতে ধরা পড়ল ৩ কেজির ইলিশ, বিক্রি হলো যে দামে

প্রকাশিত ১১:০০:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান নদনদী মেঘনা থেকে প্রায়শই বিভিন্ন আকৃতির মাছ শিকার করা হলেও সম্প্রতি এর ব্যতিক্রম একটি ঘটনা ঘটেছে। নদীটিতে জেলের জালে ধরা পড়েছে বিশাল আকারের এক ইলিশ মাছ, যা সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক কৌতূহলের সৃষ্টি করেছে। স্থানীয় জেলের বড়শিতে বা জালে আটকা পড়া এই ইলিশটির ওজন প্রায় তিন কেজি। এত বড় সাইজের ইলিশ সচরাচর এই অঞ্চলে দেখা মেলে না বললেই চলে।

বিশাল আকৃতির এই ইলিশটি আটকা পড়ার পর স্থানীয় মাছ বাজারে তোলার সঙ্গে সঙ্গেই উৎসুক জনতার ভিড় জমে যায়। বিক্রেতারা মাছটির ওজন যাচাই করে নিশ্চিত হন যে এটি প্রায় তিন কেজি ওজনের। নদীর এমন ইলিশ দেখতে বেশ সুশ্রী এবং এর স্বাদও অতুলনীয় হয়ে থাকে। তাই মাছটি বাজারে আসার পর থেকেই ক্রেতাদের মধ্যে এটি কেনার জন্য প্রতিযোগিতা শুরু হয়ে যায়।

উপস্থিত ক্রেতাদের মধ্যে দামাদামির পর শেষ পর্যন্ত মাছটি চড়া দামে বিক্রি করা হয়। সাধারণত ছোট ও মাঝারি আকারের ইলিশের আধিক্য দেখা গেলেও, তিন কেজি ওজনের এই মাছটির জন্য ক্রেতারা বেশ ভালোই দাম হাঁকেন। শেষ পর্যন্ত বেশ আকর্ষণীয় ও চড়া মূল্যেই মাছটির স্থানীয় এক ক্রেতার কাছে বিক্রি সম্পন্ন হয়, যা নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে বেশ আলোচনা চলছে।

মেঘনা নদীর অববাহিকায় মাঝে মাঝেই এ ধরনের বড় আকৃতির ইলিশ ধরা পড়ার খবর পাওয়া যায়। তবে তিন কেজির কাছাকাছি ওজনের ইলিশ পাওয়া বেশ বিরল ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। ইলিশের প্রজনন রক্ষা ও সংরক্ষণে সরকারের বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞার সুফল হিসেবে এমন বড় সাইজের মাছ নদীতে মিলছে বলে মনে করছেন অভিজ্ঞ মৎস্যজীবীরা।