মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে অবস্থিত একটি রেস্তোরাঁয় খাবার পরিবেশনের আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে গোপনে মাদক ব্যবসা পরিচালনা করা হচ্ছিল। স্থানীয় লোকজন ও পুলিশের নজর এড়িয়ে অত্যন্ত সুকৌশলে এই অবৈধ কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিলেন হোটেলটির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা। সুনির্দিষ্ট কিছু তথ্যের ভিত্তিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ওই রেস্তোরাঁটিতে ঝটিকা অভিযান পরিচালনা করে বিষয়টি নিশ্চিত করে।
সম্প্রতি বিকেলে মহাসড়কের তেতৈতলা এলাকায় অবস্থিত মর্নিংসান হাইওয়ে রেস্তোরাঁ অ্যান্ড হোটেলে এই বিশেষ অভিযান চালানো হয়। গজারিয়া থানা পুলিশের একটি দল হোটেলটির ভেতরে তল্লাশি চালিয়ে জেনারেটর কক্ষের ভেতর থেকে ১ কেজি ৩০০ গ্রাম অবৈধ গাঁজা উদ্ধার করে। এই ঘটনার সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত থাকার অভিযোগে হোটেলটির এক মালিকসহ মোট তিনজনকে তাৎক্ষণিকভাবে আটক করা হয়।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে আটক ব্যক্তিরা হলেন হোটেলটির মালিকপক্ষের অন্যতম সদস্য আব্দুল কাদির এবং তাঁর দুই সহকারী বা কর্মচারী মিজান ও মো। আলম। আটককৃতদের মধ্যে আব্দুল কাদিরের বাড়ি পার্শ্ববর্তী নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও উপজেলার ভাটিবন্দর এলাকায়। এছাড়া কর্মচারীদের একজন কুমিল্লার চান্দিনা এবং অন্যজন চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড এলাকার বাসিন্দা হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন।
অভিযানের বিষয়ে গজারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নকীব আকরাম গণমাধ্যমকে জানান যে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ মাদকসহ তাঁদের হাতেনাতে আটক করা হয়েছে। আটককৃত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে প্রয়োজনীয় মামলা দায়ের ও আইনি প্রক্রিয়া গ্রহণের কার্যক্রম বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন।





































