ঢাকা ১০:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo শরতের আবহে জাবিতে নবীনবরণ, নাট্যোৎসবে ‘বিধিবাম’ মঞ্চায়িত Logo দশ দিনের ছুটিতে যাচ্ছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় Logo ধর্মীয় ‘স্পর্শকাতর’ স্ট্যাটাস-মিম, জাবি শিক্ষার্থীকে ২ হাজার টাকা জরিমানা প্রশাসনের Logo ড. ইউনূসকে হেনস্তা: তীব্র ক্ষোভ জানিয়ে যা বললেন জামায়াত আমির Logo প্রজনন স্বাস্থ্যে নতুন প্রযুক্তির সূচনায় হাত মেলাল গুগল ও ফ্লো Logo ফারজানা রুপার পক্ষে লড়তে চান ২ ব্রিটিশ আইনজীবী Logo অস্ট্রেলিয়ায় ইতিহাস গড়ে র‌্যাঙ্কিংয়ে সোবহানা-নিগারের লাফ Logo ওয়েলসে মিলল রোমান দুর্গ: সত্যি ছিল সম্রাটের ঘাঁটির উপাখ্যান Logo বিরোধী দল না এলেও সংবিধান সংশোধন করতে হবে: সালাহউদ্দিন Logo হেনস্তার ঘটনার পর এখন কেমন আছেন ড. ইউনূস, জানালেন সফরসঙ্গী

ইউটিউব দেখে বিদেশি ফল চাষের শুরু, প্রথম বছরেই লাভ ১০ লাখ টাকা

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় ইন্টারনেট থেকে ধারণা নিয়ে সম্পূর্ণ নতুন এক বিদেশি জাতের ফল চাষ করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন আবুল বাশার নামের এক উদ্যোক্তা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি নিজ জমিতে এই ব্যতিক্রমী ফলের বাগান গড়ে তোলেন। স্থানীয়ভাবে আনারকলি বা ট্যাং ফল নামে পরিচিত এই বিদেশি ফল চাষের প্রথম বছরই দারুণ সাফল্য পেয়েছেন তিনি। বাগান থেকে উৎপাদিত ফল বিক্রি করে তাঁর খরচ বাদে প্রায় ১০ লাখ টাকা লাভ হয়েছে।

উদ্যোক্তা আবুল বাশার জানান, শখের বশে অনলাইন মাধ্যম ঘেঁটে এই ফল চাষের নানা কৌশল আয়ত্ত করেন তিনি। প্রথমে অল্প পরিসরে চারা সংগ্রহ করে পরীক্ষামূলকভাবে চাষ শুরু করলেও পরবর্তীতে পরিচর্যা ও সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে তা সফল বাণিজ্যিক রূপ নেয়। ফলটির অনন্য স্বাদ ও পুষ্টিগুণের কারণে স্থানীয় বাজারে এর বেশ ভালো চাহিদা রয়েছে। প্রথমবার ফলন এসেই পাইকার ও খুচরা বিক্রেতারা বাগান থেকেই ফল কিনে নিয়ে গেছেন।

কৃষি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আবুল বাশারের এই সাফল্য দেশের কৃষিখাতে এক নতুন সম্ভাবনার দুয়ার উন্মোচন করেছে। প্রথাগত ফসলের বাইরে এসে এ ধরনের লাভজনক ও পুষ্টিসমৃদ্ধ বিদেশি ফল চাষে অনেকেই এখন আগ্রহ দেখাচ্ছেন। বিশেষ করে বেকার যুবকরা যখন এ ধরনের উদ্যোগে সফল হচ্ছেন, তখন তা স্থানীয় অর্থনীতিতে একটি ইতিবাচক পরিবর্তন আনছে। জীবননগর উপজেলার কৃষি বিভাগ থেকে এ ধরনের উদ্যোগে কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ ও সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।

প্রথম বছরের এই অভাবনীয় সাফল্যের পর আবুল বাশার এখন তার বাগানের পরিসর আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা করছেন। তিনি মনে করেন, সঠিক দিকনির্দেশনা এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার থাকলে দেশের মাটিতেই অনেক বিদেশি ফল সফলভাবে উৎপাদন করা সম্ভব। তাঁর এই অনুকরণীয় সাফল্য দেখে এলাকার অন্য কৃষকরাও এখন প্রচলিত ফসলের পাশাপাশি এই লাভজনক ফল চাষে উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন।

জনপ্রিয়

শরতের আবহে জাবিতে নবীনবরণ, নাট্যোৎসবে ‘বিধিবাম’ মঞ্চায়িত

ইউটিউব দেখে বিদেশি ফল চাষের শুরু, প্রথম বছরেই লাভ ১০ লাখ টাকা

প্রকাশিত ০৯:১৫:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় ইন্টারনেট থেকে ধারণা নিয়ে সম্পূর্ণ নতুন এক বিদেশি জাতের ফল চাষ করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন আবুল বাশার নামের এক উদ্যোক্তা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি নিজ জমিতে এই ব্যতিক্রমী ফলের বাগান গড়ে তোলেন। স্থানীয়ভাবে আনারকলি বা ট্যাং ফল নামে পরিচিত এই বিদেশি ফল চাষের প্রথম বছরই দারুণ সাফল্য পেয়েছেন তিনি। বাগান থেকে উৎপাদিত ফল বিক্রি করে তাঁর খরচ বাদে প্রায় ১০ লাখ টাকা লাভ হয়েছে।

উদ্যোক্তা আবুল বাশার জানান, শখের বশে অনলাইন মাধ্যম ঘেঁটে এই ফল চাষের নানা কৌশল আয়ত্ত করেন তিনি। প্রথমে অল্প পরিসরে চারা সংগ্রহ করে পরীক্ষামূলকভাবে চাষ শুরু করলেও পরবর্তীতে পরিচর্যা ও সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে তা সফল বাণিজ্যিক রূপ নেয়। ফলটির অনন্য স্বাদ ও পুষ্টিগুণের কারণে স্থানীয় বাজারে এর বেশ ভালো চাহিদা রয়েছে। প্রথমবার ফলন এসেই পাইকার ও খুচরা বিক্রেতারা বাগান থেকেই ফল কিনে নিয়ে গেছেন।

কৃষি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আবুল বাশারের এই সাফল্য দেশের কৃষিখাতে এক নতুন সম্ভাবনার দুয়ার উন্মোচন করেছে। প্রথাগত ফসলের বাইরে এসে এ ধরনের লাভজনক ও পুষ্টিসমৃদ্ধ বিদেশি ফল চাষে অনেকেই এখন আগ্রহ দেখাচ্ছেন। বিশেষ করে বেকার যুবকরা যখন এ ধরনের উদ্যোগে সফল হচ্ছেন, তখন তা স্থানীয় অর্থনীতিতে একটি ইতিবাচক পরিবর্তন আনছে। জীবননগর উপজেলার কৃষি বিভাগ থেকে এ ধরনের উদ্যোগে কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ ও সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।

প্রথম বছরের এই অভাবনীয় সাফল্যের পর আবুল বাশার এখন তার বাগানের পরিসর আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা করছেন। তিনি মনে করেন, সঠিক দিকনির্দেশনা এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার থাকলে দেশের মাটিতেই অনেক বিদেশি ফল সফলভাবে উৎপাদন করা সম্ভব। তাঁর এই অনুকরণীয় সাফল্য দেখে এলাকার অন্য কৃষকরাও এখন প্রচলিত ফসলের পাশাপাশি এই লাভজনক ফল চাষে উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন।