ঢাকা ১১:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ব্রিটিশ-পাকিস্তান ও ভাষা আন্দোলনের সাক্ষী আব্বাস, ১২৩ বছরেও চশমা ছাড়াই পড়েন কোরআন Logo মিউচুয়াল ফান্ডে কারসাজির নেপথ্যে কে এই আশরাফুল Logo গণভোটে সুইজারল্যান্ডে আরও কঠোর নিরপেক্ষতার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান Logo ইসরায়েলের প্রতিনিধি মঞ্চে উঠতেই বেরিয়ে গেলেন ইরানের প্রতিনিধি Logo কুবিতে লাইব্রেরিতে উচ্চস্বরে পড়াকে কেন্দ্র করে দফায় দফায় সংঘর্ষ; আহত ১০ Logo ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়ে জাতিসংঘে রাশিয়ার কড়া বার্তা Logo বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে নোবিপ্রবিতে র‌্যালি-বৃক্ষরোপণ Logo নোবিপ্রবির বাসে হামলার ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ২ Logo বর্ণাঢ্য আয়োজনে পাবিপ্রবিতে বিশ্ব পর্যটন দিবস পালিত Logo ছয় বছরের শিশু ধর্ষণের শিকার হয়ে হাসপাতালে, গ্রেপ্তার যুবক

ইসরায়েলের প্রতিনিধি মঞ্চে উঠতেই বেরিয়ে গেলেন ইরানের প্রতিনিধি

সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের অপরাধ প্রতিরোধ ও ফৌজদারি বিচারবিষয়ক কংগ্রেসের একটি অধিবেশনে তীব্র কূটনৈতিক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। বিশ্ব সংস্থার এই গুরুত্বপূর্ণ আয়োজনে যখন ইসরায়েলি প্রতিনিধি বক্তব্য প্রদানের উদ্দেশ্যে মঞ্চে আরোহণ করেন, ঠিক সেই মুহূর্তেই প্রতিবাদ স্বরূপ সভাকক্ষ ত্যাগ করেন ইরানের প্রতিনিধি। মধ্যপ্রাচ্যের দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দেশের এই পাল্টাপাল্টি অবস্থানের ফলে আন্তর্জাতিক কূটনীতির মঞ্চে তাদের দীর্ঘদিনের বৈরিতা আরও একবার স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো একটি নিরপেক্ষ মধ্যপ্রাচ্যের দেশে আয়োজিত এই আন্তর্জাতিক সমাবেশে বিভিন্ন দেশের নীতিনির্ধারক ও কূটনীতিকরা উপস্থিত ছিলেন। অপরাধ প্রতিরোধ ও বৈশ্বিক অপরাধ বিচার ব্যবস্থার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনার জন্য এই সভার আয়োজন করা হয়েছিল। তবে বৈশ্বিক এই ফোরামেও দুই দেশের রাজনৈতিক ও আদর্শগত বিরোধ যে বিন্দুমাত্র হ্রাস পায়নি, এই ঘটনা তারই এক নতুন বহিঃপ্রকাশ বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা।

এর আগেও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের এমন বয়কট বা প্রতিবাদ জানানোর ঘটনা নতুন কিছু নয়। তবে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান ভূরাজনৈতিক সংকটের প্রেক্ষাপটে এই ঘটনা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মেও যে বৈরী দেশগুলো একে অপরের উপস্থিতি বা বক্তব্য সরাসরি বর্জন করতে দ্বিধা করে না, এই ঘটনা তারই একটি উজ্জ্বল উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

জাতিসংঘের এই অপরাধ প্রতিরোধ বিষয়ক কংগ্রেসের মূল লক্ষ্য ছিল অপরাধ দমন এবং বিচার প্রক্রিয়া জোরদার করার উপায় নিয়ে আলোচনা করা। কিন্তু দ্বিপক্ষীয় রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে মূল আলোচনার বাইরেও এই ধরণের আকস্মিক ঘটনাগুলো সংবাদমাধ্যমের শিরোনামে চলে আসছে। বিশ্বমঞ্চে এই ধরনের কূটনৈতিক বয়কট ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং বহুপাক্ষিক আলোচনার পরিবেশকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

জনপ্রিয়

ব্রিটিশ-পাকিস্তান ও ভাষা আন্দোলনের সাক্ষী আব্বাস, ১২৩ বছরেও চশমা ছাড়াই পড়েন কোরআন

ইসরায়েলের প্রতিনিধি মঞ্চে উঠতেই বেরিয়ে গেলেন ইরানের প্রতিনিধি

প্রকাশিত ১১:১৫:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের অপরাধ প্রতিরোধ ও ফৌজদারি বিচারবিষয়ক কংগ্রেসের একটি অধিবেশনে তীব্র কূটনৈতিক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। বিশ্ব সংস্থার এই গুরুত্বপূর্ণ আয়োজনে যখন ইসরায়েলি প্রতিনিধি বক্তব্য প্রদানের উদ্দেশ্যে মঞ্চে আরোহণ করেন, ঠিক সেই মুহূর্তেই প্রতিবাদ স্বরূপ সভাকক্ষ ত্যাগ করেন ইরানের প্রতিনিধি। মধ্যপ্রাচ্যের দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দেশের এই পাল্টাপাল্টি অবস্থানের ফলে আন্তর্জাতিক কূটনীতির মঞ্চে তাদের দীর্ঘদিনের বৈরিতা আরও একবার স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো একটি নিরপেক্ষ মধ্যপ্রাচ্যের দেশে আয়োজিত এই আন্তর্জাতিক সমাবেশে বিভিন্ন দেশের নীতিনির্ধারক ও কূটনীতিকরা উপস্থিত ছিলেন। অপরাধ প্রতিরোধ ও বৈশ্বিক অপরাধ বিচার ব্যবস্থার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনার জন্য এই সভার আয়োজন করা হয়েছিল। তবে বৈশ্বিক এই ফোরামেও দুই দেশের রাজনৈতিক ও আদর্শগত বিরোধ যে বিন্দুমাত্র হ্রাস পায়নি, এই ঘটনা তারই এক নতুন বহিঃপ্রকাশ বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা।

এর আগেও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের এমন বয়কট বা প্রতিবাদ জানানোর ঘটনা নতুন কিছু নয়। তবে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান ভূরাজনৈতিক সংকটের প্রেক্ষাপটে এই ঘটনা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মেও যে বৈরী দেশগুলো একে অপরের উপস্থিতি বা বক্তব্য সরাসরি বর্জন করতে দ্বিধা করে না, এই ঘটনা তারই একটি উজ্জ্বল উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

জাতিসংঘের এই অপরাধ প্রতিরোধ বিষয়ক কংগ্রেসের মূল লক্ষ্য ছিল অপরাধ দমন এবং বিচার প্রক্রিয়া জোরদার করার উপায় নিয়ে আলোচনা করা। কিন্তু দ্বিপক্ষীয় রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে মূল আলোচনার বাইরেও এই ধরণের আকস্মিক ঘটনাগুলো সংবাদমাধ্যমের শিরোনামে চলে আসছে। বিশ্বমঞ্চে এই ধরনের কূটনৈতিক বয়কট ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং বহুপাক্ষিক আলোচনার পরিবেশকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।