ঢাকা ০৮:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo অতীতের প্রতিদিনের ঘটনা নিখুঁতভাবে মনে রাখা কি সত্যিই সম্ভব Logo পাকা কলা কি সত্যিই ক্যানসারের বিরুদ্ধে কাজ করতে পারে? গবেষণা কী বলছে Logo ডাক্তারি পড়াশোনা বদলে বিচারক হলেন শাওলিন Logo মাত্র ১৫ মিনিটের রক্তপরীক্ষায় জানা যাবে শিশুর জ্বরের আসল কারণ কী Logo স্কুলের শিক্ষক খুঁজে পেলেন বিরল টি–রেক্সের পায়ের ছাপ Logo কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে তিন দফায় আটক ১২৯৪ Logo গোপনে আবুধাবি সফর নেতানিয়াহুর, আমিরাতের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক Logo এরদোয়ানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য আইনি মামলা প্রস্তুতির নির্দেশ নেতানিয়াহুর Logo রোনালদোকে বেঞ্চে বসিয়ে হলান্ডের নরওয়েকে হারাল পর্তুগাল Logo উন্নয়ন প্রকল্পে বিদেশি ঋণ: প্রকল্পজটে ৬১% কমেছে ঋণছাড়

স্কুলের শিক্ষক খুঁজে পেলেন বিরল টি–রেক্সের পায়ের ছাপ

যুক্তরাজ্যের এক বিদ্যালয়ের শিক্ষক সাধারণ এক ভ্রমণে বেরিয়ে প্রকৃতির বুকে এক অবিশ্বাস্য ও ঐতিহাসিক আবিষ্কার করেছেন। সম্প্রতি হেঁটে বেড়ানোর সময় তিনি এমন একটি অদ্ভুত চিহ্ন দেখতে পান, যা সাধারণ কোনো পাথরের গঠন বা দাগ ছিল না। দীর্ঘক্ষণ গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করার পর তিনি বুঝতে পারেন যে এটি মূলত প্রাগৈতিহাসিক আমলের কোনো ভয়ংকর প্রাণীর পায়ের ছাপ। এই আবিষ্কারকে ঘিরে paleontologist বা জীবাশ্মবিদদের মধ্যেও ব্যাপক কৌতূহল ও উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে।

ওই শিক্ষক গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নিজের অনুভূতির কথা জানিয়ে বলেন, পায়ের ছাপটি প্রথম দেখার পর তার মনে তীব্র সংশয়ের সৃষ্টি হয়েছিল। তিনি ভাবতেই পারেননি যে আধুনিক যুগে এমন নিখুঁত ও সংরক্ষিত কোনো নিদর্শন নিজ চোখে দেখা সম্ভব। ছাপটির সত্যতা সম্পর্কে পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়ার জন্য তাকে বেশ কিছুক্ষণ অপলক তাকিয়ে থাকতে হয়েছিল। প্রাগৈতিহাসিক প্রাণীর এই উপস্থিতি বর্তমান যুগে খুঁজে পাওয়া সত্যিই এক রোমাঞ্চকর ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, এই পায়ের ছাপটি আসলে বিশ্বের অন্যতম ভয়ংকর ও শক্তিশালী শিকারী ডায়নোসর টাইরানোসরাস রেক্স বা টি-রেক্সের। কোটি কোটি বছর আগে এই অঞ্চলে যে ডাইনোসরের অবাধ বিচরণ ছিল, এই আবিষ্কার তারই জোরালো প্রমাণ বহন করে। ভূ-প্রাকৃতিক পরিবর্তন ও ক্ষয়ের কারণে সাধারণত এ ধরনের জীবাশ্ম সহজে অক্ষত থাকে না। তবে অনুকূল পরিবেশের কারণে এই পায়ের ছাপটি দীর্ঘ সময় ধরে টিকে থাকতে পেরেছে বলে মনে করছেন গবেষকরা।

এই বিরল আবিষ্কারের পর সংশ্লিষ্ট এলাকার শিক্ষক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে দারুণ উৎসাহ লক্ষ্য করা গেছে। বিজ্ঞানীরাও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ছাপটির সঠিক বয়স ও বৈশিষ্ট্য নির্ণয়ের কাজ শুরু করেছেন। এই ঘটনার ফলে ওই অঞ্চলের ভূতাত্ত্বিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্ব আন্তর্জাতিক মহলে আরও বহুলাংশে বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

জনপ্রিয়

অতীতের প্রতিদিনের ঘটনা নিখুঁতভাবে মনে রাখা কি সত্যিই সম্ভব

স্কুলের শিক্ষক খুঁজে পেলেন বিরল টি–রেক্সের পায়ের ছাপ

প্রকাশিত ০৭:১৫:৩৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যুক্তরাজ্যের এক বিদ্যালয়ের শিক্ষক সাধারণ এক ভ্রমণে বেরিয়ে প্রকৃতির বুকে এক অবিশ্বাস্য ও ঐতিহাসিক আবিষ্কার করেছেন। সম্প্রতি হেঁটে বেড়ানোর সময় তিনি এমন একটি অদ্ভুত চিহ্ন দেখতে পান, যা সাধারণ কোনো পাথরের গঠন বা দাগ ছিল না। দীর্ঘক্ষণ গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করার পর তিনি বুঝতে পারেন যে এটি মূলত প্রাগৈতিহাসিক আমলের কোনো ভয়ংকর প্রাণীর পায়ের ছাপ। এই আবিষ্কারকে ঘিরে paleontologist বা জীবাশ্মবিদদের মধ্যেও ব্যাপক কৌতূহল ও উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে।

ওই শিক্ষক গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নিজের অনুভূতির কথা জানিয়ে বলেন, পায়ের ছাপটি প্রথম দেখার পর তার মনে তীব্র সংশয়ের সৃষ্টি হয়েছিল। তিনি ভাবতেই পারেননি যে আধুনিক যুগে এমন নিখুঁত ও সংরক্ষিত কোনো নিদর্শন নিজ চোখে দেখা সম্ভব। ছাপটির সত্যতা সম্পর্কে পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়ার জন্য তাকে বেশ কিছুক্ষণ অপলক তাকিয়ে থাকতে হয়েছিল। প্রাগৈতিহাসিক প্রাণীর এই উপস্থিতি বর্তমান যুগে খুঁজে পাওয়া সত্যিই এক রোমাঞ্চকর ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, এই পায়ের ছাপটি আসলে বিশ্বের অন্যতম ভয়ংকর ও শক্তিশালী শিকারী ডায়নোসর টাইরানোসরাস রেক্স বা টি-রেক্সের। কোটি কোটি বছর আগে এই অঞ্চলে যে ডাইনোসরের অবাধ বিচরণ ছিল, এই আবিষ্কার তারই জোরালো প্রমাণ বহন করে। ভূ-প্রাকৃতিক পরিবর্তন ও ক্ষয়ের কারণে সাধারণত এ ধরনের জীবাশ্ম সহজে অক্ষত থাকে না। তবে অনুকূল পরিবেশের কারণে এই পায়ের ছাপটি দীর্ঘ সময় ধরে টিকে থাকতে পেরেছে বলে মনে করছেন গবেষকরা।

এই বিরল আবিষ্কারের পর সংশ্লিষ্ট এলাকার শিক্ষক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে দারুণ উৎসাহ লক্ষ্য করা গেছে। বিজ্ঞানীরাও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ছাপটির সঠিক বয়স ও বৈশিষ্ট্য নির্ণয়ের কাজ শুরু করেছেন। এই ঘটনার ফলে ওই অঞ্চলের ভূতাত্ত্বিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্ব আন্তর্জাতিক মহলে আরও বহুলাংশে বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।