ঢাকা ০১:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রিজনভ্যান থেকে ‘পিচ্চি রাজার’ পলায়ন: ৫ পুলিশ সদস্য বরখাস্ত

ঢাকার আদালত থেকে কারাগারে ফেরার পথে প্রিজনভ্যান থেকে পালিয়ে গেছেন রাজা ওরফে পিচ্চি রাজা নামের এক শীর্ষ অপরাধী। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনার পর দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে পুলিশের পাঁচ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে একজন দুর্ধর্ষ আসামি কীভাবে পালিয়ে গেলেন, তা নিয়ে ইতোমধ্যে বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছে যে, এই পলায়নের নেপথ্যে পুলিশ সদস্যদের কোনো ধরনের অবহেলা বা সহযোগিতা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ লক্ষ্যে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে ডিসি হেডকোয়ার্টারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে দ্রুত সময়ের মধ্যে ঘটনার বিস্তারিত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কারাগার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি ঢাকা মেট্রোপলিটন আদালতে হাজিরা শেষে পিচ্চি রাজাকে প্রিজনভ্যানে করে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে ফিরিয়ে নেওয়া হচ্ছিল। পথিমধ্যে প্রিজনভ্যানটি গাজীপুরের নাওজোড় এলাকায় পৌঁছালে ওই আসামি প্রাকৃতিক কাজ সারার কথা বলে শৌচাগারে যাওয়ার অনুরোধ জানান। তার কথা বিশ্বাস করে দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরা তাকে ভ্যান থেকে নামিয়ে একটি শৌচাগারে নিয়ে গেলে সেই সুযোগেই তিনি পালিয়ে যান।

পুলিশ জানায়, চলতি বছরের মে মাসে মোহাম্মদপুর এলাকার শীর্ষ মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত রাজাকে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। নেপাল থেকে দেশে ফেরার পর ইমিগ্রেশন পুলিশের সহায়তায় তাকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদক সংক্রান্ত প্রায় ২৫টি গুরুতর মামলা রয়েছে এবং তিনি এসব মামলার অন্যতম প্রধান অভিযুক্ত।

জনপ্রিয়

হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন আন্ডারওয়াটার ড্রোন জব্দের দাবি ইরানের

প্রিজনভ্যান থেকে ‘পিচ্চি রাজার’ পলায়ন: ৫ পুলিশ সদস্য বরখাস্ত

প্রকাশিত ১২:৩০:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঢাকার আদালত থেকে কারাগারে ফেরার পথে প্রিজনভ্যান থেকে পালিয়ে গেছেন রাজা ওরফে পিচ্চি রাজা নামের এক শীর্ষ অপরাধী। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনার পর দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে পুলিশের পাঁচ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে একজন দুর্ধর্ষ আসামি কীভাবে পালিয়ে গেলেন, তা নিয়ে ইতোমধ্যে বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছে যে, এই পলায়নের নেপথ্যে পুলিশ সদস্যদের কোনো ধরনের অবহেলা বা সহযোগিতা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ লক্ষ্যে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে ডিসি হেডকোয়ার্টারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে দ্রুত সময়ের মধ্যে ঘটনার বিস্তারিত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কারাগার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি ঢাকা মেট্রোপলিটন আদালতে হাজিরা শেষে পিচ্চি রাজাকে প্রিজনভ্যানে করে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে ফিরিয়ে নেওয়া হচ্ছিল। পথিমধ্যে প্রিজনভ্যানটি গাজীপুরের নাওজোড় এলাকায় পৌঁছালে ওই আসামি প্রাকৃতিক কাজ সারার কথা বলে শৌচাগারে যাওয়ার অনুরোধ জানান। তার কথা বিশ্বাস করে দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরা তাকে ভ্যান থেকে নামিয়ে একটি শৌচাগারে নিয়ে গেলে সেই সুযোগেই তিনি পালিয়ে যান।

পুলিশ জানায়, চলতি বছরের মে মাসে মোহাম্মদপুর এলাকার শীর্ষ মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত রাজাকে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। নেপাল থেকে দেশে ফেরার পর ইমিগ্রেশন পুলিশের সহায়তায় তাকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদক সংক্রান্ত প্রায় ২৫টি গুরুতর মামলা রয়েছে এবং তিনি এসব মামলার অন্যতম প্রধান অভিযুক্ত।