স্বাস্থ্য ডেস্ক: কোনো পণ্যে সিসামুক্ত বা সহনীয় মাত্রার লেবেল থাকলেই সেগুলোকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিরাপদ হিসেবে গ্রহণ করা উচিত নয় বলে সতর্ক করেছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. মুশতাক হোসেন। সাম্প্রতিক এক আলোচনায় তিনি এই মন্তব্য করেন যা শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নতুন করে ভাবনার খোরাক জুগিয়েছে। বাজারে প্রচলিত পণ্যের মোড়কে থাকা প্রতিশ্রুতির ওপর অন্ধভাবে ভরসা না করার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশুদের ব্যবহার্য বিভিন্ন পণ্যে ক্ষতিকর সিসার উপস্থিতি তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য মারাত্মক হুমকি তৈরি করে। অনেক সময় উৎপাদনকারীরা পণ্যের গায়ে নিরাপদ হওয়ার মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর স্টিকার ব্যবহার করে থাকে যা সাধারণ ভোক্তাদের ভুল পথে পরিচালিত করে। এই ধরনের প্রতারণা রোধে এবং শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে নিয়মিত বাজার মনিটরিংয়ের প্রয়োজন রয়েছে।
ডা. মুশতাক হোসেনের এই বক্তব্যের মাধ্যমে শিশুদের স্বাস্থ্যঝুঁকি সম্পর্কিত বিষয়টি আবারও জনসমক্ষে জোরালোভাবে উঠে এসেছে। শিশুদের জন্য তৈরি খেলনা, স্টেশনারি বা অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীতে ভারী ধাতুর উপস্থিতি পরীক্ষার ক্ষেত্রে আরও বেশি কড়াকড়ি আরোপ করা উচিত। কারণ অনিয়ন্ত্রিত সিসার সংস্পর্শে আসায় শিশুদের মস্তিষ্কের বিকাশ বাধাগ্রস্তসহ নানা জটিল রোগ দেখা দিতে পারে।
শিশুপণ্যের গুণগত মান যাচাই এবং সঠিক তদারকির অনুপস্থিতি সমাজে বড় ধরনের স্বাস্থ্য সংকট তৈরি করতে পারে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। তাই সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোকে এ বিষয়ে আরও বেশি দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের তাগিদ দেওয়া হয়েছে। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় কেবল ব্যবসায়ীদের সততার ওপর নির্ভর না করে কঠোর আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে শিশুদের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি।





































