ঢাকা ০৯:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo সেবার মান বাড়লে রোগীদের বিদেশ যাওয়া কমবে: রাষ্ট্রপতি Logo ফরিদপুরে সার ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ, অস্বীকার প্রশাসনের Logo রূপপুরে প্রথমবারের মত পারমাণবিক বিক্রিয়া Logo জাবিতে ‘দেয়ালজুড়ে সাদা নৈঃশব্দ’ চিত্রপ্রদর্শনী আয়োজিত Logo পাবিপ্রবিতে আবারো ছাত্রীকে র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ,ব্যবস্থা নিতে বিভাগে আবেদন Logo পাবিপ্রবিতে IEEE Day ২০২৬ উদ্‌যাপন, অনুষ্ঠিত দুই সেমিনার Logo ডাইনোসর যুগে নদী-হ্রদে ভেসে বেড়াত ভোঁদড়সদৃশ এই প্রাণী Logo কোনো মুচলেকায় সই করিনি, আবার আন্দোলনে নামব: দিপকে Logo বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে আগ্রহী জাপানের মারুবেনি Logo সম্ভাব্য সঙ্গীর মন জয় করার ক্ষেত্রে নারী ও পুরুষের কৌশল এক নয়

মানসিক রোগের ওষুধ নিয়ে এই ৫টি ভুল ধারণা আপনার মধ্যেও আছে?

স্বাস্থ্য ডেস্ক: আমাদের সমাজে মানসিক স্বাস্থ্য এবং এর চিকিৎসাব্যবস্থা নিয়ে এখনো নানা ধরনের বিভ্রান্তি ও কুসংস্কার রয়ে গেছে। অনেকেই মনে করেন মানসিক অসুস্থতা মানেই কোনো বড় ধরনের অস্বাভাবিকতা বা দুর্বলতা, যা আদতে সত্য নয়। শারীরিক রোগের মতো মানসিক সমস্যাও যেকোনো মানুষের জীবনে দেখা দিতে পারে এবং এর যথাযথ চিকিৎসা গ্রহণ করা সম্ভব। কিন্তু সচেতনতার অভাবে সাধারণ মানুষ প্রায়ই এই রোগগুলোর প্রকৃত কারণ বুঝতে ব্যর্থ হন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অধিকাংশ মানসিক রোগের মূল কারণ হলো মস্তিষ্কের ভেতরে থাকা কিছু নির্দিষ্ট রাসায়নিক পদার্থের ভারসাম্যহীনতা। আমাদের মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কার্যকারিতা বজায় রাখতে এই রাসায়নিক উপাদানগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যখন কোনো কারণে এই স্বাভাবিক ভারসাম্যে ব্যাঘাত ঘটে, তখনই বিভিন্ন মানসিক অসুস্থতার লক্ষণ প্রকাশ পেতে শুরু করে।

অনেকেরই ধারণা থাকে যে মানসিক রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধগুলো কেবল নেশা তৈরি করে বা মস্তিষ্কের স্থায়ী ক্ষতি করে। তবে চিকিৎসাবিজ্ঞান বলছে, এই ধারণাটি সম্পূর্ণ ভুল এবং ভিত্তিহীন। আধুনিক মানসিক চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধগুলো মূলত মস্তিষ্কের সেই ভারসাম্যহীন রাসায়নিক উপাদানগুলোর মাত্রা পুনরুদ্ধার করতে সাহায্য করে। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সঠিক নিয়ম মেনে ওষুধ সেবন করলে রোগীরা ধীরে ধীরে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠতে পারেন।

তাই মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে ভীতি বা লুকোচুরি না করে সময়মতো চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া অত্যন্ত জরুরি। সঠিক সময়ে কাউন্সেলিং ও ওষুধের মাধ্যমে চিকিৎসা শুরু করলে রোগীরা স্বাভাবিক ও কর্মক্ষম জীবন ফিরে পেতে পারেন। সমাজ থেকে এই ধরনের ভুল ধারণা ও কুসংস্কার দূর করতে হলে ব্যাপকভিত্তিক সচেতনতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন, যাতে রোগীরা কোনো রকম সামাজিক সংকোচ ছাড়াই চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করতে পারেন।

জনপ্রিয়

সেবার মান বাড়লে রোগীদের বিদেশ যাওয়া কমবে: রাষ্ট্রপতি

মানসিক রোগের ওষুধ নিয়ে এই ৫টি ভুল ধারণা আপনার মধ্যেও আছে?

প্রকাশিত ০৭:১৫:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

স্বাস্থ্য ডেস্ক: আমাদের সমাজে মানসিক স্বাস্থ্য এবং এর চিকিৎসাব্যবস্থা নিয়ে এখনো নানা ধরনের বিভ্রান্তি ও কুসংস্কার রয়ে গেছে। অনেকেই মনে করেন মানসিক অসুস্থতা মানেই কোনো বড় ধরনের অস্বাভাবিকতা বা দুর্বলতা, যা আদতে সত্য নয়। শারীরিক রোগের মতো মানসিক সমস্যাও যেকোনো মানুষের জীবনে দেখা দিতে পারে এবং এর যথাযথ চিকিৎসা গ্রহণ করা সম্ভব। কিন্তু সচেতনতার অভাবে সাধারণ মানুষ প্রায়ই এই রোগগুলোর প্রকৃত কারণ বুঝতে ব্যর্থ হন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অধিকাংশ মানসিক রোগের মূল কারণ হলো মস্তিষ্কের ভেতরে থাকা কিছু নির্দিষ্ট রাসায়নিক পদার্থের ভারসাম্যহীনতা। আমাদের মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কার্যকারিতা বজায় রাখতে এই রাসায়নিক উপাদানগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যখন কোনো কারণে এই স্বাভাবিক ভারসাম্যে ব্যাঘাত ঘটে, তখনই বিভিন্ন মানসিক অসুস্থতার লক্ষণ প্রকাশ পেতে শুরু করে।

অনেকেরই ধারণা থাকে যে মানসিক রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধগুলো কেবল নেশা তৈরি করে বা মস্তিষ্কের স্থায়ী ক্ষতি করে। তবে চিকিৎসাবিজ্ঞান বলছে, এই ধারণাটি সম্পূর্ণ ভুল এবং ভিত্তিহীন। আধুনিক মানসিক চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধগুলো মূলত মস্তিষ্কের সেই ভারসাম্যহীন রাসায়নিক উপাদানগুলোর মাত্রা পুনরুদ্ধার করতে সাহায্য করে। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সঠিক নিয়ম মেনে ওষুধ সেবন করলে রোগীরা ধীরে ধীরে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠতে পারেন।

তাই মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে ভীতি বা লুকোচুরি না করে সময়মতো চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া অত্যন্ত জরুরি। সঠিক সময়ে কাউন্সেলিং ও ওষুধের মাধ্যমে চিকিৎসা শুরু করলে রোগীরা স্বাভাবিক ও কর্মক্ষম জীবন ফিরে পেতে পারেন। সমাজ থেকে এই ধরনের ভুল ধারণা ও কুসংস্কার দূর করতে হলে ব্যাপকভিত্তিক সচেতনতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন, যাতে রোগীরা কোনো রকম সামাজিক সংকোচ ছাড়াই চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করতে পারেন।