ঢাকা ০৮:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ফল ও ভোজ্যতেলের বাজারে অভিযান, ১২০ প্রতিষ্ঠানকে অর্থদণ্ড Logo ফতুল্লায় ব্যবসায়ীকে তুলে নিয়ে সাড়ে ৩ কোটি টাকা মুক্তিপণ দাবি, নির্যাতন Logo চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ফেভারিট বার্সেলোনা? ফ্লিক বললেন, ‘পথটা অনেক দীর্ঘ’ Logo নতুন ২ ডিএমডিকে শুভেচ্ছা সোনালী ব্যাংকের Logo প্রযুক্তি বিভাগে পুরস্কার পেল ‘গোল্ড কিনেন’ Logo ওয়ালটন হাই টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পরিদর্শনে এমইএসের প্রতিনিধিদল Logo আর্সেনাল শিবিরে জোড়া ধাক্কা, আর্তেতা বললেন, ‘এমনটা কখনও ঘটেনি’ Logo দিল্লিতে মিছিল করে সুপ্রিম কোর্টে হাজির রাহুল গান্ধী, ১০ দফা আর্জি Logo প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক, সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ানোয় গুরুত্ব Logo চকবাজার মার্কেটের আগুন ব্যাগের গুদাম থেকে: ডিএসসিসি প্রশাসক

ফল ও ভোজ্যতেলের বাজারে অভিযান, ১২০ প্রতিষ্ঠানকে অর্থদণ্ড

অপরাধ ডেস্ক: ফল ও ভোজ্যতেলসহ বিভিন্ন নিত্যপণ্যের বাজারে মূল্য কারসাজি এবং সরবরাহে অনিয়ম রোধে দেশব্যাপী বিশেষ তদারকি অভিযান চালিয়েছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। ঢাকা মহানগরসহ দেশের মোট বিয়াল্লিশটি জেলায় এই অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে নানা অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ায় একশ বিশটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে মোট আট লাখ পনেরো হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাজারে পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখা এবং ভোক্তাদের ন্যায্য মূল্যে কেনাকাটার সুযোগ নিশ্চিত করাই এই অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল।

তদারকি কার্যক্রমের অংশ হিসেবে অধিদপ্তরের ছাপান্নটি টিম একযোগে বিভিন্ন এলাকার পাইকারি ও খুচরা বাজারে পরিদর্শনে নামে। এ সময় ব্যবসায়ীদের বিক্রয়মূল্য, ক্রয়-বিক্রয়ের ভাউচার, মূল্য তালিকা প্রদর্শন এবং ওজনের সঠিকতা যাচাই করা হয়। অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি এবং কৃত্রিম সংকট তৈরির বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীদের কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়েছে। বিশেষ করে ফলের বাজারে ভেজাল রোধ ও ভোক্তাদের স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়ানোর বিষয়টিতে বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

অভিযান চলাকালে পচা বা নষ্ট ফল ভালো ফলের সঙ্গে মিশিয়ে বিক্রি এবং অননুমোদিত রাসায়নিক ব্যবহারের বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীদের সতর্কবার্তা দেওয়া হয়। পাশাপাশি, বাজারে কেনাকাটার সময় ভোক্তাদের আরও সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। পণ্য কেনার আগে মূল্যতালিকা যাচাই, সঠিক ওজন বুঝে নেওয়া এবং মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ দেখে নেওয়ার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া যেকোনো প্রতারণার শিকার হলে কেনাকাটার রশিদ সংরক্ষণের ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে।

ভোক্তারা যাতে কোনো ধরনের অতিরিক্ত মূল্য আদায় বা ওজনে কারচুপির শিকার না হন, সেজন্য এই নজরদারি অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে। এ ধরনের অনিয়ম বা ভেজালের শিকার হলে ভোক্তাদের জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের নির্দিষ্ট হটলাইনে অভিযোগ জানানোর আহ্বান জানানো হয়েছে। সরকারের এই তদারকি কার্যক্রমের মাধ্যমে সাধারণ ক্রেতারা উপকৃত হবেন এবং বাজারের সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।

জনপ্রিয়

ফল ও ভোজ্যতেলের বাজারে অভিযান, ১২০ প্রতিষ্ঠানকে অর্থদণ্ড

ফল ও ভোজ্যতেলের বাজারে অভিযান, ১২০ প্রতিষ্ঠানকে অর্থদণ্ড

প্রকাশিত ০৬:৩৭:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

অপরাধ ডেস্ক: ফল ও ভোজ্যতেলসহ বিভিন্ন নিত্যপণ্যের বাজারে মূল্য কারসাজি এবং সরবরাহে অনিয়ম রোধে দেশব্যাপী বিশেষ তদারকি অভিযান চালিয়েছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। ঢাকা মহানগরসহ দেশের মোট বিয়াল্লিশটি জেলায় এই অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে নানা অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ায় একশ বিশটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে মোট আট লাখ পনেরো হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাজারে পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখা এবং ভোক্তাদের ন্যায্য মূল্যে কেনাকাটার সুযোগ নিশ্চিত করাই এই অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল।

তদারকি কার্যক্রমের অংশ হিসেবে অধিদপ্তরের ছাপান্নটি টিম একযোগে বিভিন্ন এলাকার পাইকারি ও খুচরা বাজারে পরিদর্শনে নামে। এ সময় ব্যবসায়ীদের বিক্রয়মূল্য, ক্রয়-বিক্রয়ের ভাউচার, মূল্য তালিকা প্রদর্শন এবং ওজনের সঠিকতা যাচাই করা হয়। অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি এবং কৃত্রিম সংকট তৈরির বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীদের কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়েছে। বিশেষ করে ফলের বাজারে ভেজাল রোধ ও ভোক্তাদের স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়ানোর বিষয়টিতে বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

অভিযান চলাকালে পচা বা নষ্ট ফল ভালো ফলের সঙ্গে মিশিয়ে বিক্রি এবং অননুমোদিত রাসায়নিক ব্যবহারের বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীদের সতর্কবার্তা দেওয়া হয়। পাশাপাশি, বাজারে কেনাকাটার সময় ভোক্তাদের আরও সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। পণ্য কেনার আগে মূল্যতালিকা যাচাই, সঠিক ওজন বুঝে নেওয়া এবং মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ দেখে নেওয়ার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া যেকোনো প্রতারণার শিকার হলে কেনাকাটার রশিদ সংরক্ষণের ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে।

ভোক্তারা যাতে কোনো ধরনের অতিরিক্ত মূল্য আদায় বা ওজনে কারচুপির শিকার না হন, সেজন্য এই নজরদারি অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে। এ ধরনের অনিয়ম বা ভেজালের শিকার হলে ভোক্তাদের জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের নির্দিষ্ট হটলাইনে অভিযোগ জানানোর আহ্বান জানানো হয়েছে। সরকারের এই তদারকি কার্যক্রমের মাধ্যমে সাধারণ ক্রেতারা উপকৃত হবেন এবং বাজারের সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।