ঢাকা ১২:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ভিক্ষা করার অভিযোগে রিয়াদে বাংলাদেশি ও ভারতীয় ৪ জন গ্রেপ্তার Logo লক্ষ্মীপুরে প্রবাসী দম্পতিকে জিম্মি করে মারধর, কৃষক দল নেতা গ্রেপ্তার Logo টাইগার শ্রফ নয়, মূল নিশানা ছিল অন্য কেউ: এনডিটিভি Logo বড় ধরনের ঝুঁকিতে যুক্তরাষ্ট্র, যেসব কারণ নেপথ্যে Logo নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিলের ভিডিও ভাইরাল, অতঃপর যা বললেন ওসি Logo হরমুজ প্রণালির প্রয়োজন ফুরাতে পারে পাঁচ বছরের মধ্যে: এইচএসবিসি প্রধান Logo ফিফটির পর ৬ উইকেট মিনহাসের, ব্যাটিং ধসে ইংল্যান্ডের বড় হার Logo ‘ক্ষমা চাইতেই হবে’ টাইগারকে হামলার পর সালমানকে বিষ্ণোই গ্যাংয়ের হুমকি Logo সরকার ইচ্ছা করে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে ঢোকার পথ করে দিচ্ছে Logo হাজারো ডিসেম্বর আসবে, কিন্তু হাসিনা আর আসবেন না

বড় ধরনের ঝুঁকিতে যুক্তরাষ্ট্র, যেসব কারণ নেপথ্যে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বৃহৎ অর্থনীতি হিসেবে পরিচিত যুক্তরাষ্ট্রের সামনে বর্তমানে বড় দুটি ঝুঁকি তৈরি হয়েছে যার মধ্যে রয়েছে ক্রমবর্ধমান সরকারি ঋণ এবং ঋণসীমা নিয়ে সম্ভাব্য রাজনৈতিক সংঘাত। শক্তিশালী ডলার ও প্রযুক্তি খাতে বড় বিনিয়োগের কারণে দেশটি এখনো চাপ সামাল দিতে সক্ষম হলেও আয়-ব্যয়ের ব্যবধান ও ঋণের সুদ পরিশোধের বিপুল ব্যয় স্থিতিশীলতাকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলছে। ফ্রান্সসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বাজেট ঘাটতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ার প্রেক্ষাপটে মার্কিন অর্থনীতির এই সংকট নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, ঋণের বোঝা কমাতে কার্যকর উদ্যোগের অভাব এবং রাজনৈতিক সমঝোতা ব্যর্থ হলে যুক্তরাষ্ট্রকে আর্থিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সংকট মোকাবিলা করতে হতে পারে। সরকারের ব্যয় রাজস্ব আয়ের চেয়ে বেশি হওয়ায় ঘাটতি মেটাতে নিয়মিত ঋণ নিতে হচ্ছে এবং এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আগের ঋণের সুদ পরিশোধের ব্যয়। ঋণের সুদ পরিশোধে দ্রুত ব্যয় বাড়তে থাকায় স্বাস্থ্যসেবা, অবকাঠামো ও শিক্ষার মতো খাতে অর্থ বরাদ্ধের সুযোগ সংকুচিত হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি তুলনামূলক শক্তিশালী থাকার অন্যতম প্রধান কারণ হলো বিশ্বজুড়ে মার্কিন ডলারের অবস্থান ও বিনিয়োগকারীদের আস্থা। তাছাড়া কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই খাতে প্রযুক্তিগত বিনিয়োগ উৎপাদনশীলতা বাড়াতে এবং নতুন ব্যবসার সুযোগ সৃষ্টিতে সহায়তা করছে। তবে ডলারের বৈশ্বিক আধিপত্য ও প্রযুক্তি খাতের এই প্রবৃদ্ধি কোনোভাবেই দীর্ঘস্থায়ী ঋণসংকটের স্থায়ী সমাধান হিসেবে বিবেচিত হতে পারে না।

দেশটির সামনে আরেকটি অন্যতম বড় ঝুঁকি হলো আইনগত ঋণসীমা বা ডেট সিলিং নিয়ে কংগ্রেসে রাজনৈতিক অচলাবস্থা তৈরি হওয়া। রাজনৈতিক বিরোধের কারণে ঋণসীমা নিয়ে সমঝোতা আটকে গেলে ট্রেজারি বিভাগের পক্ষে সরকারের সব আর্থিক দায় সময়মতো পরিশোধ করা কঠিন হয়ে ওঠে। ফ্রান্সের সঙ্গে কিছু মিল থাকলেও নিজস্ব মুদ্রা ও শক্তিশালী আর্থিক বাজারের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের পরিস্থিতি ভিন্ন, তবে দীর্ঘমেয়াদে এই সংকট এড়াতে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।

জনপ্রিয়

ভিক্ষা করার অভিযোগে রিয়াদে বাংলাদেশি ও ভারতীয় ৪ জন গ্রেপ্তার

বড় ধরনের ঝুঁকিতে যুক্তরাষ্ট্র, যেসব কারণ নেপথ্যে

প্রকাশিত ১১:৩৭:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বৃহৎ অর্থনীতি হিসেবে পরিচিত যুক্তরাষ্ট্রের সামনে বর্তমানে বড় দুটি ঝুঁকি তৈরি হয়েছে যার মধ্যে রয়েছে ক্রমবর্ধমান সরকারি ঋণ এবং ঋণসীমা নিয়ে সম্ভাব্য রাজনৈতিক সংঘাত। শক্তিশালী ডলার ও প্রযুক্তি খাতে বড় বিনিয়োগের কারণে দেশটি এখনো চাপ সামাল দিতে সক্ষম হলেও আয়-ব্যয়ের ব্যবধান ও ঋণের সুদ পরিশোধের বিপুল ব্যয় স্থিতিশীলতাকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলছে। ফ্রান্সসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বাজেট ঘাটতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ার প্রেক্ষাপটে মার্কিন অর্থনীতির এই সংকট নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, ঋণের বোঝা কমাতে কার্যকর উদ্যোগের অভাব এবং রাজনৈতিক সমঝোতা ব্যর্থ হলে যুক্তরাষ্ট্রকে আর্থিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সংকট মোকাবিলা করতে হতে পারে। সরকারের ব্যয় রাজস্ব আয়ের চেয়ে বেশি হওয়ায় ঘাটতি মেটাতে নিয়মিত ঋণ নিতে হচ্ছে এবং এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আগের ঋণের সুদ পরিশোধের ব্যয়। ঋণের সুদ পরিশোধে দ্রুত ব্যয় বাড়তে থাকায় স্বাস্থ্যসেবা, অবকাঠামো ও শিক্ষার মতো খাতে অর্থ বরাদ্ধের সুযোগ সংকুচিত হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি তুলনামূলক শক্তিশালী থাকার অন্যতম প্রধান কারণ হলো বিশ্বজুড়ে মার্কিন ডলারের অবস্থান ও বিনিয়োগকারীদের আস্থা। তাছাড়া কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই খাতে প্রযুক্তিগত বিনিয়োগ উৎপাদনশীলতা বাড়াতে এবং নতুন ব্যবসার সুযোগ সৃষ্টিতে সহায়তা করছে। তবে ডলারের বৈশ্বিক আধিপত্য ও প্রযুক্তি খাতের এই প্রবৃদ্ধি কোনোভাবেই দীর্ঘস্থায়ী ঋণসংকটের স্থায়ী সমাধান হিসেবে বিবেচিত হতে পারে না।

দেশটির সামনে আরেকটি অন্যতম বড় ঝুঁকি হলো আইনগত ঋণসীমা বা ডেট সিলিং নিয়ে কংগ্রেসে রাজনৈতিক অচলাবস্থা তৈরি হওয়া। রাজনৈতিক বিরোধের কারণে ঋণসীমা নিয়ে সমঝোতা আটকে গেলে ট্রেজারি বিভাগের পক্ষে সরকারের সব আর্থিক দায় সময়মতো পরিশোধ করা কঠিন হয়ে ওঠে। ফ্রান্সের সঙ্গে কিছু মিল থাকলেও নিজস্ব মুদ্রা ও শক্তিশালী আর্থিক বাজারের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের পরিস্থিতি ভিন্ন, তবে দীর্ঘমেয়াদে এই সংকট এড়াতে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।